
খুলনায় থামছেই না খুনখারাবি, ‘অসহায় পুলিশ’
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও যেন অসহায়। চেষ্টা করেও খুলনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না তারা। পুলিশের অভিযোগ, ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করতে চাইছে না।

“আমাকে গাড়িতে উঠিয়ে মুখে কালো কাপড় বেঁধে ফেলে। তখনই আমার ভিতরে আত্মা নাই। এরপর র্যাবের (এসআরবি) অফিসে নিয়ে তাদের শেখানো স্বীকারোক্তি দিতে চাপ দেয় এবং কয়েকটা চড়-থাপ্পড় মারে। যদি তাদের মতো করে স্বীকারোক্তি না দিই, তাহলে জামিন পাব না–এমনটিও বলেন র্যাবের (এসআরবি) কর্মকর্তারা”–১ মাস ১৯ দিন কারাগারে বন্দীজীবন কাটিয়ে বেরোনোর পর চরচাকে কথাগুলো বলছিলেন মো. রাকিব।
গত ২৯ আগস্ট ভোরে সংসদ ভবন এলাকায় ছিনতাইয়ের শিকার শিক্ষিকা রনজিলা পারভিন ব্যাগে ছিনতাইকারীদের হ্যাঁচকা টানে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান। চোখের চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সেদিন ভোরেই ঢাকায় আসা এই শিক্ষিকা এরপর হাসপাতালে মারা যান। এই হত্যাকাণ্ডে এসআরবি-২ সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেছিল মো. রাকিবসহ তিনজনকে।
কিন্তু এসআরবি-র তদন্তে সন্দেহভাজন হলেও, পরে ডিবি পুলিশ তদন্ত করে জানায়, রাকিব বা বাকি দুইজন এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। বরং নতুন করে দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে হাজির করে ডিবি পুলিশ। এরপর গত ১৮ অক্টোবর জামিন পান রাকিব।
পুলিশ অবশ্য রাকিবকে স্বীকারোক্তি দিতে চাপ দেওয়া কিংবা চড়-থাপ্পর মারার কথা মিথ্যা বলে দাবি করছে। তাদের দাবি, রাকিব ‘ভিক্টিম রোল প্লে’ করছেন!
যে কারণে আটক করা হয় রাকিবকে
শিক্ষক রনজিলা পারভিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রথমে এসআরবি সন্দেহভাজন হিসেবে পনি গাজি, সেড্রিক জুলিয়াস ও মো. রাকিবকে আটক করে। পনি গাজি ও সেড্রিক জুলিয়াসকে ছিনতাই ও হত্যায় অভিযুক্ত হিসেবে আটক করা হয়। এ সময় ইয়ামাহা ‘আরওয়ানফাইভ’ মডেলের একটি মোটরবাইক জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মোটরবাইকটির মালিক ছিলেন মো. রাকিব। সেই সূত্রে রাকিবকেও আটক করা হয়।
৩০ আগস্ট এসআরবি সংবাদ সম্মেলনে দাবি করে, তাদের হাতে আটক দুজন রনজিলা পারভিন হত্যায় জড়িত ছিল–এটা শতভাগ নিশ্চিত। তবে ওই সময় তাদের আদালতে নেওয়া হলে পনি গাজি চিৎকার করে বলেন, তাদের দিয়ে “জজ মিয়া নাটক সাজানো হয়েছে!”
কীভাবে জামিন পেলেন রাকিব
ছিনতাই ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ২৯ আগস্ট ভোর সাড়ে ৫টায়। আদালতে উপস্থাপন করা সিসিটিভি ফুটেজ চরচা প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। ফুটেজ বিশ্লষণ করা দেখা গেছে, ভোর ৫টা থেকে ৫টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত রাকিবের বাইকটি (ইয়ামাহা আরওয়ানফাইভ) তার বাসার নিচে রাখা ছিল। এই বিষয়ে রাকিবের আইনজীবী মো. মেহেদী হাসান মজুমদার বলেন, “আমরা সিসিটিভি ফুটেজ উপস্থাপন করেছি, যেখানে দেখা গেছে, রাকিবের মোটরসাইকেলটি ঘটনার সময় তার গ্যারেজে পার্কিং করা ছিল। যে মোটর সাইকেলটি ব্যবহার করা হয়েছে ছিনতাইয়ে, ওটা আর রাকিবের মোটরসাইকেলটি এক নয়। তবুও এতদিন হয়রানি করা হয়েছে।”
ডিবির তদন্তের প্রসঙ্গ টেনে মেহেদী আরও বলেন, “মূল দুই আসামির (ডিবির হাতে আটক) স্বীকারোক্তি দেওয়ার প্রমাণও উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে করে প্রমাণিত হয়, সন্দেহভাজন হিসেবে আটক আরো দুজনও নির্দোষ। আমি আশা করেছিলাম, সেড্রিক এবং পনি গাজিকেও জামিন দেওয়া হবে এবং তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দেওয়ার পর চূড়ান্তভাবে এই মামলা থেকে তাদের খালাস দেওয়া হবে।”
মোটর সাইকেলে ভিন্নতা
শিক্ষিকা রনজিলা পারভিনকে ছিনতাইয়ের সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ছিল সুজুকি জিক্সার এসএফ মডেলের নেভি ব্লু রঙের। ছিনতাইয়ের সিসিটিভি ফুটেজে তা-ই দেখা গেছে। কিন্তু এসআরবির কাছে আটক থাকা রাকিবের মোটরসাইকেলটি ছিল ইয়ামাহা আরওয়ানফাইভ মডেলের এবং সিলভার রংয়ের এই বাইকটির সামনে কালো বডি কিটও আছে। মোটর সাইকেলের রঙের ভিন্নতা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসআরবি-র বক্তব্য ছিল, আলোর তারতম্যের কারণে মোটর সাইকেলের রঙের ভিন্নতা দেখা গিয়েছিল।
এ ছাড়াও, ইয়ামাহা আরওয়ানফাইভ মোটরসাইকেলটির নাম্বারপ্লেট থাকলেও সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেলটির কোনো নাম্বারপ্লেট ছিল না।
কীভাবে আটক হয় রাকিব
আটক হওয়ার মুহূর্তের বর্ণনা দিয়ে মো. রাকিব চরচাকে বলেন, “২৯ আগস্ট রাত ১০টায় বাসায় ঢোকার সময় গেইটে দেখি, কয়েকজন লোক বাসার বাইরে কথা বলছিল। বাসায় ঢুকে হাত-মুখ ধুয়ে বের হলে কলাপসিবল গেইটের বাইরে থেকে একজন প্রশ্ন করেন, এই বাসায় রাকিব থাকে কি না? তখন আমি বলি এটা আমার বাসা, আমিই রাকিব। তখন তারা জানায়, র্যাব (এসআরবি) থেকে এসেছে একটা তদন্তের কাজে এবং আমাকে ঘর থেকে বের হতে বলে।”
বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তার মোটরসাইকেল নিয়েই এসআরবি-র প্রশ্নের মুখে পড়েন বলে জানান রাকিব, “আমি বের হলে তারা প্রশ্ন করেন আমার বাইকের চাবি কোথায়। আমি চাবি দিলে একজন তা নিয়ে পার্কিং থেকে বাইকটি স্টার্ট দেয় এবং বলে গাড়ি এইটাই। সাথে সাথে আরেকজন আমার কোমরে হাত দিয়ে বলে, অস্ত্রটা কোথায়!”
এরপর তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে দাবি রাকিবের, “আমি তখন ভয় পেয়ে যাই। তাদের প্রশ্ন করি, কীসের অস্ত্র? তারা আমাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের সাথে যেতে বলে। আমার বউ বারবার বলতে থাকে, যা বলার এখানেই বলেন। কিন্তু তারা জানায়, তাদের অফিসে নিয়ে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে ছেড়ে দেবে। পরে গাড়িতে তুলে নিয়ে মুখে কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে ফেলে।”
স্বীকারোক্তি দিতে চাপ দিয়েছিল এসআরবি?
অফিসে নেওয়ার পর এসআরবি তাদেরই ঠিক করে দেওয়া স্বীকারোক্তি দিতে রাকিবকে চাপ দিয়েছে–এমনই দাবি রাকিবের। এভাবে স্বীকারোক্তি দিতে রাজি না হওয়ায় তাকে থাপ্পড় দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন রাকিব।
মূলত তার মোটরবাইকটি কতদিন আরেক সন্দেহভাজন পনির কাছে ছিল, এ নিয়েই স্বীকারোক্তি পাল্টানোর চাপ এসেছিল বলে দাবি রাকিবের। চরচাকে তিনি বলেন, “আমি ২৬ আগস্ট হেমায়েতপুর থেকে বাসা পরিবর্তন করে তেজগাঁও চলে আসি। বাসার আসবাবপত্র ট্রাকে করে পাঠিয়ে দিই এবং আমার বউ-বাচ্চা নিয়ে প্রাইভেটকার ভাড়া করে নতুন বাসায় যাই।
বাইকটা নতুন বাসায় নেওয়ার জন্য ২৬ আগস্ট পনিকে দিই এবং সে আমাকে ২৭ তারিখ সন্ধ্যায় বাইক ফেরত দেয়। কিন্তু আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা কর্মকর্তা বলেন, “আমি যেন আদালতে স্বীকারোক্তি দিই–আমার বাইক ২৬ থেকে ২৯ আগস্ট পনির কাছে ছিল।” আমি তা বলতে না চাইলে আমাকে কয়েকটা চড় মারেন। পরে আমাকে শেরে বাংলা থানায় হস্তান্তর করা হয়।”
তবে এসআরবি রাকিবের এই দাবি মিথ্যা বলে দাবি করছে। রাকিব ‘ভিক্টিম রোল প্লে’ করছেন জানিয়ে এসআরবি-২-এর ডেপুটি কমাণ্ডিং অফিসার নিফাস রহমান চরচাকে বলেন, “এই বিষয়টি সত্যি নয়। এসআরবির হেড কোয়ার্টারে তিন-চারটা এজেন্সি নিয়োগ করা আছে কাউন্টার টেরোরিজম ইন্টেলিজেন্সের।
তাদের কাজ আটককৃতদের কোনো ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে কি না এবং তাদের ঠিকমতো খাবার দেওয়া হয়েছে কি না–এসব বিষয়ে তদারকি করা। এমন অভিযোগ থাকলে তা ভিক্টিম রোল প্লে করা হচ্ছে। এখানে মারধরের কোনো সুযোগ নেই। আমরা এসব বিষয়ে সতর্ক থাকি।”
রিমান্ডেও স্বীকারোক্তি দিতে চাপ?
আদালতে হাজির করার পর রাকিবকে ১০ দিনের রিমাণ্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ, তবে আদালত ৫ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডের অভিজ্ঞতা জানিয়ে রাকিবের দাবি, “রিমান্ডে শেরবাংলা থানার ডিসি, ওসি, আরও সিনিয়র কর্মকর্তারা এসে আমাদের নিয়ে যায়, বারবার এক ঘটনা জিজ্ঞেস করে। তো আমার ঘটনা তো একটাই। উনারা প্রেশার দেয় স্বীকার করার জন্য এবং বলে, “যদি বাঁচতে চাও ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিবা, তা না হলে আজীবন জামিন পাবা না।” তখন আমি তাদের বললাম, “আপনারা বাইক চিনেন না? বাইকের মডেল-রঙ কোনো কিছু মিলে না, কিভাবে জবানবন্দি দেব?”
জোর করে স্বীকারোক্তি: আইন কী বলে?
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আব্দুল্লাহ মনোয়ার চরচাকে বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাউকে আটক করে নির্যাতন, ভয়ভীতি বা চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে বাধ্য করতে পারে না। এটি আইনগতভাবে চ্যালেঞ্জযোগ্য এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।”
পুলিশের কাউকে আটক করা আর তার কাছ থেকে জোর করে স্বীকারোক্তি আদায় করার মধ্যে পার্থক্য আছে জানিয়ে আব্দুল্লাহ মনোয়ার বলেন, “এখানে দুটি বিষয় আলাদা করে বুঝতে হবে, পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করার আইনগত ক্ষমতা রাখে কি না? আটক ব্যক্তিকে জোর করে অপরাধ স্বীকার করানো বা স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা আইনসম্মত কি না? প্রথম বিষয়টি মামলার ধরন ও গ্রেপ্তারের কারণের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু জোর করে স্বীকারোক্তি আদায় করা আইনসম্মত নয়।”
মামলার গতিপথ
এসআরবি-র তদন্তের পর মামলাটি হস্তান্তর করা হয় পুলিশের গোয়েন্দা শাখার তেঁজগাও বিভাগে। ১৬ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম দাবি করেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণের পর নতুন করে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আটক দুজন রাজিব মাতুব্বর ও মো. খোকন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।
এ ঘটনায় এসআরবির গ্রেপ্তার করা তিনজনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলেও জানান অতিরিক্ত কমিশনার।
মামলার তদন্ত নিয়ে চরচার সাথে কথা বলেন বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা শাখার তেজগাঁও বিভাগের উপ পরিদর্শক খায়ের উদ্দিন ভূইয়া। তিনি বলেন, “আমারা যাদের আটক করেছি–রাজিব মাতুব্বর ও মো. খোকন–তারা আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। তার মানে মূল আসামি এই দুজনই। তদন্ত প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করা হবে। তখন আগে যাদের সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছিল, তাদের নাম বাদ দেওয়া হবে।”
কিউবার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে জাতিসংঘে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠের টানা ৩৪তম প্রস্তাব
‘একটি ধর্মান্ধ গোষ্ঠী মেয়েদের খেলাকে টার্গেট করেছে’
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র–কিউবার প্রতিনিধির বাগবিতণ্ডা, কিছু সময়ের জন্য বিতর্ক স্থগিত
সুষ্ঠু নির্বাচনকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করছে জামায়াত: রিজভী
সংসদের সামনে ছিনতাই ও হত্যা: জামিন পাওয়া রাকিব তাহলে গ্রেপ্তার হয়েছিল কেন?

খুলনায় থামছেই না খুনখারাবি, ‘অসহায় পুলিশ’
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও যেন অসহায়। চেষ্টা করেও খুলনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না তারা। পুলিশের অভিযোগ, ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করতে চাইছে না।

বাংলাদেশে নারীদের বডি বিল্ডিংয়ে বাধা কোথায়?
সামাজিক মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক রক্ষণশীলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার অভাবের কারণে নিকট ভবিষ্যতেও বাংলাদেশে নারীদের বডি বিল্ডিং প্রতিযোগিতা চালুর কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না আয়োজকরা।

রাকসু: ৩৫ বছরের অপেক্ষার পর ‘ব্যর্থতার’ খতিয়ান?
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে এক বছর পূর্ণ হয়েছে। তবে এই এক বছর শেষে বর্ষপূর্তির ক্ষণে দাঁড়িয়ে রাকসুর সফলতা ও ব্যর্থতার হিসাব মেলাতে গিয়ে প্রতিনিধি এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা গেছে মতভেদ।

সরকারি সিকিউরিটিজে ঝুঁকছে ব্যাংকগুলো, শঙ্কা কোথায়?
সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে দেশের ব্যাংকগুলো। খেলাপি ঋণের ঝুঁকি এবং বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা কম থাকায় ব্যাংকগুলোর কাছে এসব সিকিউরিটিজ ধীরে ধীরে আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। এতে তুলনামূলক নিরাপদ আয়ের সুযোগ তৈরি হলেও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ ও নতুন বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অর্থনী