Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশেষ প্রতিবেদন

বাকি সবার কারেন্ট যায়, দুই এলাকায় যায় না—কেন

ফজলে রাব্বি

ফজলে রাব্বি

প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ০৯
বাকি সবার কারেন্ট যায়, দুই এলাকায় যায় না—কেন
সিরাজগঞ্জের হোসেনপুর ও যশোরের ঘোপ এলাকার মানচিত্র। ছবি: গুগল ম্যাপ

সারা দেশ যখন লোডশেডিং এ ধুঁকছে তখন বেশ স্বস্তিতেই আছেন হোসেনপুর আর ঘোপের মানুষ। কারণ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদরের হোসেনপুর এলাকায়। আর প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের বাসা যশোর শহরের ঘোপ এলাকায়। লোডশেডিং সেখানে নেই বললেই চলে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মন্ত্রীর আসন সিরাজগঞ্জে সদর ও কামারখন্দেও নেই লোডশেডিং। সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কামারখন্দ সাব-জোনাল অফিসে সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মো. মুক্তার হোসেন চরচাকে বলেন, তাদের পিক আওয়ারের সাড়ে পাঁচ এবং অফ পিকে সাড়ে তিন মেগাওয়াটের পুরোটাই সরবরাহ পান তারা।

এই এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস) ১-এ কোনো বিদ্যুৎ ঘাটতি নেই বলে জানান পবিস-১ এর জেনারেল ম্যানেজার নুরুল হুদা। চরচাকে তিনি বলেন, তাদের চাহিদা ১২০ মেগাওয়াটের প্রায় পুরোটাই তারা পাচ্ছেন। কিন্তু পাশের উল্লাপাড়া, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালীতে মানুষ লোডশেডিংয়ে যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। বেলকুচির স্থানীয় ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন বলেন, “লোডশেডিং-এর যন্ত্রণা সিরাজগঞ্জের দুই অংশের মানুষের দুই রকম হবে, এটা ঠিক নয়।”

উল্লাপাড়ার একজন সাবেক সরকারি কর্মমর্তা বলেন, “যেকোনো দিন লক্ষ্মীখোলার তাঁতকলের শ্রমিকদের মতো রাস্তায় নেমে যেতে পারে উল্লাপাড়ার সাধারণ মানুষ।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত জুন মাসের শেষে লক্ষ্মীখোলা আর রায়গঞ্জের তাঁতকল মালিক ও শ্রমিকেরা স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসের সামনে বিক্ষোভ করেছে।

অন্যদিকে যশোরের ঘোপ শুধু নয়; পুরো শহরের মানুষই বিদ্যুৎ নিয়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায়, বিশেষ করে গ্রামের তুলনায় অনেকটাই স্বস্তিতে আছেন। যশোর সদরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে ওজোপাডিকো। সেখানকার একজন কর্মকর্তা জানান, দৈনিক ৬০ মেগাওয়াট চাহিদার পুরোটাই পাচ্ছে তারা। কোনো লোডশেডিং করতে হচ্ছে না। শহরের অন্য অংশে সেনানিবাস, বিমানঘাঁটি, বিজিবি, সফটওয়্যার পার্ক এলাকায়ও নেই লোডশেডিং-এর ঝক্কি। সেখানে ৩৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে গড়ে ৩০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ মিলছে, নির্ধারিত লোডশেডিং নেই।

যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ আবাসিক এলাকার একটি অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। তারাও বলছেন, অন্যান্য জেলার চেয়ে তাদের সরবরাহ ভালো।

কিন্তু শহরের বাইরে পল্লী বিদুৎ-২ এর অবস্থা অনেকটাই বিপরীত। নওয়াপাড়া শিল্প এলাকা হওয়ার পরও সেখানে চাহিদার ৩৫-৪০% পর্যন্ত লোডশেডিং দিতে হচ্ছে বলে জানান পবিস-২ এর একজন কমকর্তা।

সিরাজগঞ্জের হোসেনপুর কিংবা যশোরের ঘোপ আবার শহুরে বিতরণ সংস্থার নেসকো, ওজোপাডিকোর আওতায় থাকার কারণেও লোডশেডিং কম হতে পারে বলে মনে করেন বিতরণ ব্যবস্থা সংশ্লিষ্টরা।

কোম্পানিগুলো সাধারণত গ্রামীণ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চেয়ে ভালো সরবরাহ পায়।

সেপ্টেম্বরের প্রথম দিন ছিল বিদ্যুৎ বিভাগের জন্য আগের কয়েকদিনের তুলনায় অনেকটাই স্বস্তির। এদিন সপ্তাহজুড়ে চলা আড়াই থেকে সাড়ে ৩ হাজার লোডশেডিং ১৯০ মেগাওয়াটে নেমে আছে। খুলনা অঞ্চলে ২৭ মেগাওয়াট, বরিশাল অঞ্চলে ৩৯ মেগাওয়াট ঘাটতি দেখা দেয়। এমন স্বস্তির দিনও পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ দিন-রাত লোডশেডিং করে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে।

সমিতির একজন কর্মকর্তা চরচাকে বলেন, ওই দিন ৭৯ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পেয়েছেন তারা। অর্থাৎ, ভালো দিনেও ২৩ মেগাওয়াট বা ২৯ শতাংশ ঘাটতি সামাল দিতে হয় তাদের। ওই দিন খুলনার বিতরণ সংস্থা ওজোপাডিকো ছিল অনেকটাই নির্ভার।

চলতি গরমের মৌসুমে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো কতটা বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়েছে, তা বোঝা যায় গত ১২ আগস্ট দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জনরোষ ও স্থাপনায় হামলার আশঙ্কায় পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি দেওয়ায়।

এ বিষয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম. তামিম চরচাকে বলেন, “চাহিদা পূরণে ঘাটতি হলে তা প্রথমে গ্রামে চাপানো হয়–এটি সব সরকারের আমলেই ঘটে আসছে, এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্যাটার্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই বৈষম্য দূর করার উপায় খুঁজে বের করা উচিৎ বিদ্যুৎ বিভাগের।”

বিষয়: বিদ্যুৎ বিভ্রাটসিরাজগঞ্জযশোরমন্ত্রীপ্রতিমন্ত্রী
সর্বশেষ
  • ১

    ভারতের ব্যাটারই হলেন মেয়েদের ক্রিকেটের ‘শচীন টেন্ডুলকার’

  • ২

    খুলনায় মাদককারবারির বাড়ি ভাঙচুর, নারীসহ আটক ৪

  • ৩

    সনাতনীদের জন্য দরজা সবসময় খোলা: অর্থমন্ত্রী

  • ৪

    সাম্প্রদায়িক শব্দটির আর প্রয়োজন নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • ৫

    বিএনপির ৬ মাসে যেখানে বাংলাদেশ

সম্পর্কিত
  • সিএমএসএমই ঋণ: বিতরণ কমেছে, বেড়েছে খেলাপি

    সিএমএসএমই ঋণ: বিতরণ কমেছে, বেড়েছে খেলাপি

    অর্থাৎ, সিএমএসএমই খাতে সামগ্রিক শ্রেণিকৃত ঋণের হার ২৬ দশমিক ৪ শতাংশ হলেও প্রতিষ্ঠানভেদে ঝুঁকির মাত্রায় বড় ব্যবধান রয়েছে। বিশেষ করে ইসলামী ও রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে এই হার ৪০ শতাংশের ওপরে থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের সিএমএসএমই ঋণ-মান নিয়ে তুলনামূলক বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

  • দুই বছর ধরে বন্ধ ‘কল-রেডী’, কালো কালিতে ঢাকা সাইনবোর্ড

    দুই বছর ধরে বন্ধ ‘কল-রেডী’, কালো কালিতে ঢাকা সাইনবোর্ড

    বাসার গেটে নক করলে ভেতর থেকে একজন বেরিয়ে আসেন। প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম কতদিন ধরে বন্ধ, জানতে চাইলে বিরক্তির সঙ্গে তিনি জানান, তিনি কিছু জানেন না। নিজের পরিচয় দেন রাজ।

  • কলেজে অনুপস্থিত, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকেন শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ

    কলেজে অনুপস্থিত, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকেন শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ

    বেসরকারি কলেজ শিক্ষকদের সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা রয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের। তবে এই নির্দেশনা অমান্য করে নিয়মিত কলেজে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পালপুর ধরমপুর মহাবিদ্যালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ

  • জরুরি ওষুধে নানা কৌশল: কোম্পানি বলে খরচের কথা, গ্রাহককে ভোগায় দাম

    জরুরি ওষুধে নানা কৌশল: কোম্পানি বলে খরচের কথা, গ্রাহককে ভোগায় দাম

    ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) সূত্রে জানা যায়, প্রায় প্রতিটি কোম্পানিরই এসব জরুরি ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাত করার জন্য লাইসেন্স নেওয়া আছে। কিন্তু বাস্তবে তারা তা উৎপাদন করছে না।