Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> বিশেষ প্রতিবেদন

বাকি সবার কারেন্ট যায়, দুই এলাকায় যায় না—কেন

ফজলে রাব্বি

ফজলে রাব্বি

প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ০৯
বাকি সবার কারেন্ট যায়, দুই এলাকায় যায় না—কেন
সিরাজগঞ্জের হোসেনপুর ও যশোরের ঘোপ এলাকার মানচিত্র। ছবি: গুগল ম্যাপ

সারা দেশ যখন লোডশেডিং এ ধুঁকছে তখন বেশ স্বস্তিতেই আছেন হোসেনপুর আর ঘোপের মানুষ। কারণ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদরের হোসেনপুর এলাকায়। আর প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের বাসা যশোর শহরের ঘোপ এলাকায়। লোডশেডিং সেখানে নেই বললেই চলে।

Advertisement

মন্ত্রীর আসন সিরাজগঞ্জে সদর ও কামারখন্দেও নেই লোডশেডিং। সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কামারখন্দ সাব-জোনাল অফিসে সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মো. মুক্তার হোসেন চরচাকে বলেন, তাদের পিক আওয়ারের সাড়ে পাঁচ এবং অফ পিকে সাড়ে তিন মেগাওয়াটের পুরোটাই সরবরাহ পান তারা।

এই এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস) ১-এ কোনো বিদ্যুৎ ঘাটতি নেই বলে জানান পবিস-১ এর জেনারেল ম্যানেজার নুরুল হুদা। চরচাকে তিনি বলেন, তাদের চাহিদা ১২০ মেগাওয়াটের প্রায় পুরোটাই তারা পাচ্ছেন। কিন্তু পাশের উল্লাপাড়া, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালীতে মানুষ লোডশেডিংয়ে যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। বেলকুচির স্থানীয় ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন বলেন, “লোডশেডিং-এর যন্ত্রণা সিরাজগঞ্জের দুই অংশের মানুষের দুই রকম হবে, এটা ঠিক নয়।”

উল্লাপাড়ার একজন সাবেক সরকারি কর্মমর্তা বলেন, “যেকোনো দিন লক্ষ্মীখোলার তাঁতকলের শ্রমিকদের মতো রাস্তায় নেমে যেতে পারে উল্লাপাড়ার সাধারণ মানুষ।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত জুন মাসের শেষে লক্ষ্মীখোলা আর রায়গঞ্জের তাঁতকল মালিক ও শ্রমিকেরা স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসের সামনে বিক্ষোভ করেছে।

অন্যদিকে যশোরের ঘোপ শুধু নয়; পুরো শহরের মানুষই বিদ্যুৎ নিয়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায়, বিশেষ করে গ্রামের তুলনায় অনেকটাই স্বস্তিতে আছেন। যশোর সদরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে ওজোপাডিকো। সেখানকার একজন কর্মকর্তা জানান, দৈনিক ৬০ মেগাওয়াট চাহিদার পুরোটাই পাচ্ছে তারা। কোনো লোডশেডিং করতে হচ্ছে না। শহরের অন্য অংশে সেনানিবাস, বিমানঘাঁটি, বিজিবি, সফটওয়্যার পার্ক এলাকায়ও নেই লোডশেডিং-এর ঝক্কি। সেখানে ৩৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে গড়ে ৩০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ মিলছে, নির্ধারিত লোডশেডিং নেই।

যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ আবাসিক এলাকার একটি অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। তারাও বলছেন, অন্যান্য জেলার চেয়ে তাদের সরবরাহ ভালো।

কিন্তু শহরের বাইরে পল্লী বিদুৎ-২ এর অবস্থা অনেকটাই বিপরীত। নওয়াপাড়া শিল্প এলাকা হওয়ার পরও সেখানে চাহিদার ৩৫-৪০% পর্যন্ত লোডশেডিং দিতে হচ্ছে বলে জানান পবিস-২ এর একজন কমকর্তা।

সিরাজগঞ্জের হোসেনপুর কিংবা যশোরের ঘোপ আবার শহুরে বিতরণ সংস্থার নেসকো, ওজোপাডিকোর আওতায় থাকার কারণেও লোডশেডিং কম হতে পারে বলে মনে করেন বিতরণ ব্যবস্থা সংশ্লিষ্টরা।

কোম্পানিগুলো সাধারণত গ্রামীণ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চেয়ে ভালো সরবরাহ পায়।

সেপ্টেম্বরের প্রথম দিন ছিল বিদ্যুৎ বিভাগের জন্য আগের কয়েকদিনের তুলনায় অনেকটাই স্বস্তির। এদিন সপ্তাহজুড়ে চলা আড়াই থেকে সাড়ে ৩ হাজার লোডশেডিং ১৯০ মেগাওয়াটে নেমে আছে। খুলনা অঞ্চলে ২৭ মেগাওয়াট, বরিশাল অঞ্চলে ৩৯ মেগাওয়াট ঘাটতি দেখা দেয়। এমন স্বস্তির দিনও পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ দিন-রাত লোডশেডিং করে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে।

সমিতির একজন কর্মকর্তা চরচাকে বলেন, ওই দিন ৭৯ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পেয়েছেন তারা। অর্থাৎ, ভালো দিনেও ২৩ মেগাওয়াট বা ২৯ শতাংশ ঘাটতি সামাল দিতে হয় তাদের। ওই দিন খুলনার বিতরণ সংস্থা ওজোপাডিকো ছিল অনেকটাই নির্ভার।

চলতি গরমের মৌসুমে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো কতটা বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়েছে, তা বোঝা যায় গত ১২ আগস্ট দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জনরোষ ও স্থাপনায় হামলার আশঙ্কায় পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি দেওয়ায়।

এ বিষয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম. তামিম চরচাকে বলেন, “চাহিদা পূরণে ঘাটতি হলে তা প্রথমে গ্রামে চাপানো হয়–এটি সব সরকারের আমলেই ঘটে আসছে, এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্যাটার্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই বৈষম্য দূর করার উপায় খুঁজে বের করা উচিৎ বিদ্যুৎ বিভাগের।”

বিষয়: বিদ্যুৎ বিভ্রাটসিরাজগঞ্জযশোরমন্ত্রীপ্রতিমন্ত্রী
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    শত্রু হামলা চালালে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে ‘মৃত্যুফাঁদ’, তেহরানের হুঁশিয়ারি

  • ২

    বাংলা কিউআরে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেন সেবা চালু

  • ৩

    বরিশালে পরিত্যক্ত স্থান থেকে ৯টি ককটেল উদ্ধার

  • ৪

    রাজনৈতিক দলের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমে সুশাসনের ঘাটতি: টিআইবি

  • ৫

    বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় মুরাসু: সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি

সম্পর্কিত
  • ভাইরাল হওয়ার নেশায় ‘উড়ছে’ বাস, কর্তৃপক্ষ করছে কী?

    ভাইরাল হওয়ার নেশায় ‘উড়ছে’ বাস, কর্তৃপক্ষ করছে কী?

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গত কয়েকবছর ধরে নতুন কিছু ভাইরাল গ্রুপ আর পেজের দেখা মিলছে। ‘বাস লাভার’, ‘ট্যুর বাস লাভার’, ‘বাস স্পটার’ নামের অনেক গ্রুপ আর পেজ দেখা যায় ফেসবুকে। এই গ্রুপ বা পেজগুলোয় বাস নিয়ে নানা ধরনের ভিডিও প্রকাশ করা হয়। এসব গ্রুপের সদস্য বা পেজের অ্যাডমিনরা কিছুদিন পরপরই বাস ভাড়া করে দূরপ

  • সংসদের সামনে ছিনতাই ও হত্যা: জামিন পাওয়া রাকিব তাহলে গ্রেপ্তার হয়েছিল কেন?

    সংসদের সামনে ছিনতাই ও হত্যা: জামিন পাওয়া রাকিব তাহলে গ্রেপ্তার হয়েছিল কেন?

    “আমাকে গাড়িতে উঠিয়ে মুখে কালো কাপড় বেঁধে ফেলে। তখনই আমার ভিতরে আত্মা নাই। এরপর র‍্যাবের (এসআরবি) অফিসে নিয়ে তাদের শেখানো স্বীকারোক্তি দিতে চাপ দেয় এবং কয়েকটা চড়-থাপ্পড় মারে। যদি তাদের মতো করে স্বীকারোক্তি না দিই, তাহলে জামিন পাব না–এমনটিও বলেন র‍্যাবের (এসআরবি) কর্মকর্তারা”

  • খুলনায় থামছেই না খুনখারাবি, ‘অসহায় পুলিশ’

    খুলনায় থামছেই না খুনখারাবি, ‘অসহায় পুলিশ’

    আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও যেন অসহায়। চেষ্টা করেও খুলনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না তারা। পুলিশের অভিযোগ, ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করতে চাইছে না।

  • বাংলাদেশে নারীদের বডি বিল্ডিংয়ে বাধা কোথায়?

    বাংলাদেশে নারীদের বডি বিল্ডিংয়ে বাধা কোথায়?

    সামাজিক মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক রক্ষণশীলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার অভাবের কারণে নিকট ভবিষ্যতেও বাংলাদেশে নারীদের বডি বিল্ডিং প্রতিযোগিতা চালুর কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না আয়োজকরা।