
রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভায় বিকল ট্রান্সফরমার বদলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করতেই অতিরিক্ত ভোল্টেজে তিনটি মহল্লার প্রায় ৩০০ বাড়ির টিভি, ফ্রিজ, এসি, বাতিসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম পুড়ে নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় লোকজন।

দেশে চলমান তীব্র বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের জন্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বঙ্গোপসাগরের বৈরী আবহাওয়াকে দায়ী করেছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, ‘‘সমুদ্র উত্তাল থাকায় ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এই সাময়িক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।’’

ইতালির সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, এটি ওই এলাকায় রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর একটি। কম্পন অনুভূত হওয়ার পর কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন।

সম্প্রতি জুন মাসের বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বিলের অভিযোগ করেছেন প্রি-পেইড কিংবা পোস্টপেইডের অনেক গ্রাহক। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ করছে ‘ক্যাব’। বছরের শেষে সিস্টেম লস কম দেখাতে বাড়তি বিল করার প্রবণতার অভিযোগ করেছে সংস্থাটি। এই বিষয়ে কী বলছে সরকার? যা বলছে- তা কি ভোক্তার কথার সঙ্গে মিলছে?

পিডিবির কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় বাধা অর্থ সংকট। পিডিবির কাছে সরকারি-বেসরকারি কোম্পানিগুলোর বিল পাওনা ৪৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে বেসরকারি খাতে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পাবে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

ঈদের আগে ও পরে কয়েকদিন দেশব্যাপী বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। কোথাও বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিলে দ্রুত সমাধানে মাঠপর্যায়ে প্রকৌশলী, লাইনম্যান ও কারিগরি টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি অবরোধ ও পুরোনো অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে কিউবায় এক সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট দেখা দেয়। এই বিপর্যয়ের পর গতকাল রোববার থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরুদ্ধার করতে শুরু করেছে কিউবা।

গত বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও ভোল্টেজের অস্বাভাবিকতার কারণে হঠাৎ করেই এই সার্ভার বিপর্যয় ঘটে। ওই সময় স্বয়ংক্রিয় জেনারেটর কারিগরি ত্রুটির কারণে চালু না হওয়ায় ইউপিএস ব্যাকআপ ফুরিয়ে যায়, ফলে সার্ভার কক্ষে সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ে।