চরচা ডেস্ক

একে অপরের ওপর পাল্টা সামরিক হামলা চালানোর পর নতুন করে হুমকি বিনিময়ে জড়িয়ে পড়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা। ফলে দুই দেশের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক সমঝোতা প্রক্রিয়া এখন গভীর সংকটে।
বিবিসি জানিয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার জের ধরে আজ বুধবার হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার সাইট ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে হামলা চালায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। এর জবাবে বাহরাইন ও জর্ডানসহ মধ্যপ্রাচ্যের ২১টি মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরস (আইআরজিসি)। কুয়েতও তাদের ওপর হওয়া একটি হামলা প্রতিহত করার দাবি করেছে।
এই সামরিক সংঘাতের পর নিজের মালিকাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন যে, ইরানের সামরিক বাহিনী সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল। ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনীর কোনো অস্তিত্বই নেই এবং দেশটি যুদ্ধে পুরোপুরি পরাজিত হয়েছে। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, একটি চমৎকার চুক্তিতে পৌঁছাতে ইরান বড্ড বেশি সময় নষ্ট করেছে এবং এখন তাদের এর ‘খেসারত’ দিতে হবে।
ট্রাম্পের এই কঠোর অবস্থান মাত্র একদিন আগের পরিস্থিতির সম্পূর্ণ বিপরীত রূপ। কারণ, গতকাল মঙ্গলবার তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন যে, দুই দেশ একটি ‘অত্যন্ত চমৎকার’ চুক্তির একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
ট্রাম্পের হুমকির জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তার দেশ যেকোনো হামলা বা হুমকির জবাব না দিয়ে ছাড়বে না। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, আমেরিকা ইতিমধ্যেই যুদ্ধক্ষেত্রে পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে।
এদিকে বুধবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “আমেরিকা পরস্পরবিরোধী বার্তা পাঠিয়ে, বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে কূটনৈতিক প্রক্রিয়াটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।”
পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়নের ঘোষণা দিয়ে তিনি জানান, যেকোনো সফল কূটনীতির জন্য ন্যূনতম স্থিতিশীলতা থাকা জরুরি। এই পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

একে অপরের ওপর পাল্টা সামরিক হামলা চালানোর পর নতুন করে হুমকি বিনিময়ে জড়িয়ে পড়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা। ফলে দুই দেশের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক সমঝোতা প্রক্রিয়া এখন গভীর সংকটে।
বিবিসি জানিয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার জের ধরে আজ বুধবার হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার সাইট ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে হামলা চালায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। এর জবাবে বাহরাইন ও জর্ডানসহ মধ্যপ্রাচ্যের ২১টি মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরস (আইআরজিসি)। কুয়েতও তাদের ওপর হওয়া একটি হামলা প্রতিহত করার দাবি করেছে।
এই সামরিক সংঘাতের পর নিজের মালিকাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন যে, ইরানের সামরিক বাহিনী সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল। ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনীর কোনো অস্তিত্বই নেই এবং দেশটি যুদ্ধে পুরোপুরি পরাজিত হয়েছে। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, একটি চমৎকার চুক্তিতে পৌঁছাতে ইরান বড্ড বেশি সময় নষ্ট করেছে এবং এখন তাদের এর ‘খেসারত’ দিতে হবে।
ট্রাম্পের এই কঠোর অবস্থান মাত্র একদিন আগের পরিস্থিতির সম্পূর্ণ বিপরীত রূপ। কারণ, গতকাল মঙ্গলবার তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন যে, দুই দেশ একটি ‘অত্যন্ত চমৎকার’ চুক্তির একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
ট্রাম্পের হুমকির জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তার দেশ যেকোনো হামলা বা হুমকির জবাব না দিয়ে ছাড়বে না। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, আমেরিকা ইতিমধ্যেই যুদ্ধক্ষেত্রে পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে।
এদিকে বুধবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “আমেরিকা পরস্পরবিরোধী বার্তা পাঠিয়ে, বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে কূটনৈতিক প্রক্রিয়াটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।”
পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়নের ঘোষণা দিয়ে তিনি জানান, যেকোনো সফল কূটনীতির জন্য ন্যূনতম স্থিতিশীলতা থাকা জরুরি। এই পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ২৮৪ দশমিক ৭০ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) বা সমপরিমাণ ৩৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা দেবে। পাশাপাশি, গ্লোবাল ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি (জিএফএফ) থেকে ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান সহায়তা দেওয়া হবে। ফলে মোট অর্থায়নের পরিমাণ দাঁড়াবে ৪০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং দেশব্যাপী ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের সব নাগরিককে ই-হেলথ কার্ড প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন।