জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট চার বিভাগে লংমার্চ এবং ঢাকায় একটি মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এলপিজির বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার, গ্যাস-বিদ্যুৎ ও নিরাপদ পানির পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে এসব কর্মসূচি পালন করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার মুক্তাঙ্গনে জোটের আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচি থেকে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
জ্বালানি ও গ্যাস সংকট, ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে এ অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। সিলেটে সড়কপথের পরিবর্তে রেলপথে অনুষ্ঠিত হবে।
এ ছাড়া, আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় একটি মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটের কথা তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছাতে হবে, রান্নার জন্য গ্যাস নিশ্চিত করতে হবে, পরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করতে হবে এবং মানুষের জন্য নিরাপদ সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হবে।”
সম্প্রতি এলপিজির দাম বাড়ানোর সমালোচনা করে তিনি অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর ঘেরাও করার হুঁশিয়ারিও দেন।
তিনি বলেন, “কৃত্রিমভাবে গ্যাস সংকট সৃষ্টি করে সেটিকে অজুহাত বানিয়ে যদি দাম বাড়ানো হয়, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।”
জামায়াত আমির আরও বলেন, “হত্যা, অপরাধ ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।”
তিনি বলেন, “যারা নির্যাতন, নিপীড়ন ও নিরীহ মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছে, তাদের আবার ফিরে এসে বাংলাদেশ শাসন করতে দেওয়া হবে না।”