রংপুর

রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?
২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

‘রংপুরের ঘটনায় তদন্ত এত অ্যামেচার–আগে এমন দেখা যায়নি’
রংপুরে ৪ খুনের তদন্তে পুলিশ এত ভুল করল কেন? এসব কি আসলেই ভুল, নাকি অন্য কিছু? রংপুরের ঘটনায় তদন্তকারী সংস্থার যে গাফলতি–তেমনটা আগে দেখা যায়নি। পুলিশের হাতে কী আছে? আলামত সংগ্রহে এত হেলাফেলা কেন?

সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের স্বীকারোক্তির বাইরে ছিল না কোনো তথ্যপ্রমাণ
২১ আগস্ট শুক্রবার ভোরে রংপুরের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর সপরিবারে হত্যার ঘটনাটি সকলেই জানে। ঘটনার প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই পারিপার্শ্বিক আলামত দেখে গোয়েন্দাদের ধারণা হয়–এটি স্পষ্ট পরিকল্পিত ডাকাতির ঘটনা।

বাড়ির বিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে যেসব উত্তর খোঁজা জরুরি
স্থানীয় এক সাংবাদিকের কাছে নিহত আগামী চক্রবর্তী প্রার্থীর এক বান্ধবী দাবি করেন, শুক্রবার ভোর পর্যন্ত ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে প্রার্থীর সঙ্গে চ্যাট করছিলেন তিনি। সেসময় প্রার্থী ম্যাসেজে বলেছিলেন, তাদের বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগে কোন একটা সমস্যা হয়েছে, আশপাশের সব বাড়িতে বিদ্যুৎ থাকলেও নেই তাদের বাড়িতে।

রংপুরে চার খুন: আসামিদের ডোপ টেস্ট নেগেটিভ, জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি
রংপুরে চার হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টের ফলাফলে তাদের শরীরে কোনো অবৈধ মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘটনার ১০ দিন পর নমুনা সংগ্রহ করায় পরীক্ষায় মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এদিকে, রংপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক রফিকুল

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সিদ্ধার্থের বাবা ও ভাইকে ছেড়ে দিয়েছে ডিবি
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ ছেড়ে দিয়েছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

‘পুলিশ তড়িঘড়ি করে তদন্তকে রুদ্ধ করে দিল কেন?’
রংপুরের ঘটনায় পুলিশ তড়িঘড়ি করে তদন্তকে রুদ্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ নাগরিকদের। এর কারণ কী? রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি সংবাদ সম্মেলন করে এই তদন্ত নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। তাদের উদ্বেগের কারণ কী? কী কী প্রশ্নের মীমাংসা এ ক্ষেত্রে জরুরি? পুলিশ বা তদন্তকারী সংস্থা কি প্রশ্নগুলোকে আমলে নিচ্ছে?

রংপুরে ৪ খুন: তদন্ত, নাকি টিভি সিরিয়াল?
রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় হওয়া চার খুন এবং এর তদন্ত নিয়ে পুলিশ দেশের মানুষকে একটা তদন্ত বিষয়ক থ্রিলারে ঢুকিয়ে দিয়েছে। তেমন কোনো গুরুতর তথ্যপ্রমাণের নতুন করে হাজির হওয়া নয়, বরং পুলিশি বক্তব্যের নতুনত্বই এর মূল আকর্ষণ। হাজারটা সমালোচনা থাকলেও এই দেশের ঘরে ঘরে যেমন জি বাংলার সিরিয়াল আজও বহাল

রংপুরে ৪ হত্যা: পুলিশের তদন্ত নিয়ে ১৯ প্রশ্ন নাগরিক কমিটির
রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের তদন্ত ও বক্তব্য নিয়ে ১৯টি প্রশ্ন তুলে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি। আজ শনিবার দুপুরে রংপুর নগরের জাহাজ কোম্পানি এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে

রংপুরের ৪ খুন, প্রশ্ন অনেক, উত্তর অজানা
গত শনিবার রাতে রংপুরের মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকার বাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা, স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রীয়মের মরদেহ উদ্ধার হয়।

রংপুরে ৪ খুন: চুরিসহ নানা প্রশ্নে সন্দেহ গভীর হচ্ছে
এই আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থা গেলে দেখা যায়, বাড়িতে কোনো বিদ্যুৎ নেই। পরে স্থানীয় দুই ইলেকট্রিশিয়ানের সহযোগিতায় রাত ১২টায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হয়

১২৪ কোটি টাকার দ্বিতীয় তিস্তা সেতু, সুফল আটকে কোথায়?
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা এলাকার সঙ্গে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুরকে যুক্ত করতে ৮৫০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ করা হয়। ‘দ্বিতীয় তিস্তা সেতু’ নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে ১২৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। সেতুটির সঙ্গে রংপুর নগরীকে যুক্ত করতে প্রায় ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কও

রংপুরে চার হত্যা: নানা প্রশ্ন ও অসংগতি নিয়ে যা বলছে আসক
সার্বিকভাবে, আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)-এর প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধানে প্রতীয়মান হয়েছে যে রংপুরে গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনা অত্যন্ত গুরুতর ও নৃশংস। পুলিশ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তাঁদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কথা জানিয়েছে।

মুগ্ধ-সিদ্ধার্থই হত্যাকারী, প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই সংবাদ সম্মেলন ছাড়লেন কমিশনার
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসই হত্যাকারী বলে দাবি করেছেন রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার (আরএমপি) মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ। আজ বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন পুলি

রংপুরে চুরি দেখে ফেলায় কিশোরীকে শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টা, যুবক গ্রেপ্তার
রংপুর নগরীর পূর্ব শালবন শিক্ষাঙ্গন এলাকায় গভীর রাতে চুরি করতে ঢুকে এক কিশোরীকে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মোহাম্মদ আশিক (২২) নামের এক যুবককে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।গত সোমবার (২৪ আগস্ট) দিবাগত রাত আড়াইটা থেকে ৩টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। অভিয

রংপুরে একই পরিবারে ৪ খুন: ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক যা বললেন
রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েলসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনা কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু বা আত্মহত্যা নয়; বরং প্রত্যেককেই ভোঁতা ও নরম অস্ত্র দিয়ে আঘাত এবং শ্বাসরোধ করে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে এমনটি জানা গেছে। নিহত গণপতি চক্রবর্তীর স্ত্রী প

রংপুরে শিক্ষকের পরিবারের সাথে কী ঘটেছিল
রংপুরে শিক্ষকের পরিবারের সাথে কী ঘটেছিল

রংপুরে ৪ খুনের তদন্তভার ডিবির হাতে
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার মামলাটির তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ও ব্যাখ্যার নিরপেক্ষতা নিয়ে নিহতদের স্বজনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দেওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজ মঙ্গলবার রংপুর মেট্রোপ

রংপুরে ফোর মার্ডার শুধু ইয়াবা খাওয়া বা লুটপাটের জন্য নয়!
রংপুরে ফোর মার্ডার শুধু ইয়াবা খাওয়া বা লুটপাটের জন্য নয়!

রংপুরে চার হত্যার কারণ কি শুধু ইয়াবা বা লুটপাট?
গত শুক্রবারের একটি ঘটনা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়ম নিজ বাসায় হত্যার শিকার হন। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ইয়াবা আসক্ত দুই প্রতিবেশী যুবক সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস

