Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

জিও ব্যাগেও থামছে না তিস্তার ভাঙন, বরাদ্দ সংকট না পরিকল্পনার অভাব?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯: ০৯
জিও ব্যাগেও থামছে না তিস্তার ভাঙন, বরাদ্দ সংকট না পরিকল্পনার অভাব?
তিস্তার ভাঙনে শত শত পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। ছবি: ইউএনবি

তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলায় গত সাত দিনে অন্তত ৩৮৬টি ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে। এতে শত শত পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বিডব্লিউডিবি) বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, রংপুর, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও কুড়িগ্রামে ১১৩টি পয়েন্টে ভাঙন তীব্র হয়েছে। বিডব্লিউডিবির রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব বলেন, “সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হয়েছে।

পাঁচ জেলার ১১৩টি পয়েন্টে ভাঙন তীব্র হয়েছে। গত সাত দিনে ৩৮৬টি ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে।”

এই প্রকৌশলী বলেন, “ভাঙনরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বরাদ্দ কম রয়েছে। বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের নজরে আনা হয়েছে।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় কাপাসিয়া ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী এলাকায় ভাঙনে মানুষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সিঙ্গিজানি ও ভোরের পাখি এলাকায় বাসিন্দারা জানান, হঠাৎ নদীর স্রোত বেড়ে যাওয়ায় নদীতীরের বিভিন্ন অংশ একের পর এক ভেঙে পড়েছে।

নদী ভাঙনে অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ধসে পড়ার সময় আসবাবপত্র, চাল, কাপড় ও অন্যান্য জিনিসপত্র রক্ষা করতে পারেনি। ছবি: ইউএনবি
নদী ভাঙনে অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ধসে পড়ার সময় আসবাবপত্র, চাল, কাপড় ও অন্যান্য জিনিসপত্র রক্ষা করতে পারেনি। ছবি: ইউএনবি

অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ধসে পড়ার সময় আসবাবপত্র, চাল, কাপড় ও অন্যান্য জিনিসপত্র রক্ষা করতে পারেনি। এলাকার বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘‘ভাঙন এত দ্রুত হয়েছে যে মানুষ তাদের জিনিসপত্র নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার সময়ও খুব কম পেয়েছে।’’

আহাদ মিয়া বলেন, ‘‘ঘরবাড়ি ও জমি হারিয়ে পরিবারগুলো এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে পড়েছে।’’

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বিডব্লিউডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম জানান, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

শরিফুল ইসলাম বলেন, “আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছি। পরিস্থিতি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

কুড়িগ্রামের উলিপুর ও রাজারহাট উপজেলায়ও ভাঙন তীব্র হয়েছে। গত এক সপ্তাহে সেখানে প্রায় ৮০টি ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে। ঘরবাড়ি হারানো পরিবারগুলো নিজেদের, সন্তান ও গবাদিপশুর জন্য নিরাপদ জায়গা খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়েছে। লালমনিরহাটে পাঁচটি উপজেলাতেই ভাঙন দেখা দিয়েছে।

বিডব্লিউডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল রায় বলেন, ‘‘নদীর পানির উচ্চতা ওঠানামার সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতা বাড়ছে। কিছু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জিও-টেক্সটাইল উপকরণ স্থাপন করা হয়েছে। তবে স্থায়ী ভাঙনরোধের কাজের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই।’’

নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, “স্থায়ী ভাঙনরোধের কাজের জন্য কোনো বরাদ্দ না থাকায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া আমাদের তেমন কিছু করার নেই।”

খুলিয়াগাছ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান বাদল বলেন,‘‘ প্রায় প্রতিদিনই ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।’’

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ চান প্রধানমন্ত্রীpm-river

নীলফামারীতে ভাঙনকবলিত শত শত পরিবার খোলা জায়গা, বাঁধের ওপর বা স্বজনদের বাড়ির উঠানে দিন কাটাচ্ছে। অনেক পরিবারের রান্না ও খাবারের কোনো ব্যবস্থা নেই। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, তাঁবু ও শুকনো খাবার জরুরি প্রয়োজন।

চর খড়িবাড়ির আবদুল করিম বলেন, ‘‘দুই বছরে নদীটি ওই এলাকায় ছয়বার ভাঙন সৃষ্টি করেছে। নদীতে আমার দুটি ঘর বিলীন হয়েছে। এখন আমি জানি না কোথায় যাব।”

আতওয়ার রহমান বলেন, নদীতীরের মানুষকে সুরক্ষায় স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে প্রায়ই ঘরবাড়ি ভাঙতে শুরু করার পর কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেয়।

বিডব্লিউডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজ উদ্দিন বলেন, রংপুরের পীরগাছা, কাউনিয়া ও গঙ্গাচড়া উপজেলায় গত সাত দিনে ৫৩টি ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে।

ভাঙনকবলিত মানুষজন জানান, তারা সাময়িক ত্রাণের পরিবর্তে স্থায়ী সুরক্ষা চান।

বিষয়: নদীরংপুরতিস্তা নদীপ্রকৌশলীজেলার খবরনীলফামারীগাইবান্ধাকুড়িগ্রাম
সর্বশেষ
  • ১

    এসপির কার্যালয়ের পাশে বসেছিল জুয়ার আসর, ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

  • ২

    সিয়ারোর নেতৃত্বের প্রচারণা জেনেভা নয়, শুরু হোক দক্ষিণ এশিয়ার রাজধানীতে

  • ৩

    ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু

  • ৪

    স্থানীয় নির্বাচনে সরকার বিরোধীদের জিততে দেবে না: গোলাম পরওয়ার

  • ৫

    জিও ব্যাগেও থামছে না তিস্তার ভাঙন, বরাদ্দ সংকট না পরিকল্পনার অভাব?

সম্পর্কিত
  • সৌদির ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন কেন বিশ্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?

    সৌদির ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন কেন বিশ্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?

    মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি তেলের সরবরাহ যত কমে আসবে, মজুতও তত কমবে। কারণ, মজুত কমতে থাকলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়তে শুরু করবে। গত জুনে আইইএ সতর্ক করে বলেছিল, কৌশলগত মজুত থেকে এভাবে জ্বালানি তেল সরবরাহ চালু রাখা হলে তা সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছতে পারে।

  • মার্কিন রাজনীতিতে ঘুষের ধারাবাহিকতা বজায় রাখছেন ট্রাম্প

    মার্কিন রাজনীতিতে ঘুষের ধারাবাহিকতা বজায় রাখছেন ট্রাম্প

    চলতি সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন ভোটারদের সামনে এমন একটি প্রস্তাব পেশ করেছেন। তিনি আশা করছেন ভোটাররা প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন না। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে যদি তার দল রিপাবলিকান পার্টি জয়লাভ করে, তবে দেশের প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ৫ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের একটি

  • হুতিদের সঙ্গে সংঘাতে কেন সৌদির খুব বেশি বিকল্প নেই?

    হুতিদের সঙ্গে সংঘাতে কেন সৌদির খুব বেশি বিকল্প নেই?

    ইয়ামেনের লোহিত সাগর উপকূলের পুরোটাই এখন হুতি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। সেই সঙ্গে সৌদি আরবে একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। ফলে রীতিমতো বেকায়দায় পড়েছে দেশটি। কারণ হুতিদের মোকাবিলায় সৌদির সামনে এখন খুব বেশি পথ খোলা নেই। আর যে পথই বেছে নিক, এর জন্য সৌদিকে বড় মূল্য দিতে হতে পারে।

  • ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কী বার্তা দিচ্ছে?

    ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কী বার্তা দিচ্ছে?

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংস্কার করা সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও স্বাধীনতাবিরোধী ছাত্রসংঘের নেতা আব্দুল মালেকের ছবি অন্তর্ভুক্ত করা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরানোর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে