Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

হুতিদের সঙ্গে সংঘাতে কেন সৌদির খুব বেশি বিকল্প নেই?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩: ১৬
হুতিদের সঙ্গে সংঘাতে কেন সৌদির খুব বেশি বিকল্প নেই?
ইয়ামেনের লোহিত সাগর উপকূলের পুরোটাই এখন হুতি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। ছবি: রয়টার্স

ইয়ামেনের লোহিত সাগর উপকূলের পুরোটাই এখন হুতি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। সেই সঙ্গে সৌদি আরবে একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। ফলে রীতিমতো বেকায়দায় পড়েছে দেশটি। কারণ হুতিদের মোকাবিলায় সৌদির সামনে এখন খুব বেশি পথ খোলা নেই। আর যে পথই বেছে নিক, এর জন্য সৌদিকে বড় মূল্য দিতে হতে পারে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সৌদির মূল বার্তা হলো, তারা কোনোভাবেই পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে জড়াতে চায় না। তবে হুতিরা যেভাবে এগিয়ে চলছে, তা সৌদিকে বড় ধরনের সংঘাতে জড়িয়ে ফেলতে পারে।

ইয়েমেন ও ওয়াশিংটনভিত্তিক বিশ্লেষক মোহাম্মদ আল-বাশা মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে বলেন, এখন পর্যন্ত সবকিছুই সৌদির বড় ধরনের পাল্টা হামলার দিকেই ইঙ্গিত করছে। প্রতিনিয়ত এই সম্ভাবনা আরও বাড়ছে। তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে তাদের সামনে আর কোনো পথ নেই।”

চলতি সপ্তাহে ইয়েমেনের হুতিরা লোহিত সাগরের প্রবেশমুখে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ পেরিম দ্বীপ দখল করেছে। একই সঙ্গে তারা মোখা বন্দর শহরও দখলে নিয়েছে। এর মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ বাব আল-মান্দেক প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে হুতিরা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এর কিছুদিন পরই ইরাক থেকে আসা ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ একটি তেলের পাইপলাইন বন্ধ করে দেওয়া হয়। কোনো পক্ষ এখন পর্যন্ত হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন। ইরানের সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ইরাকে সক্রিয় রয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সৌদি আরব পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনের ব্যবহার বাড়িয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হচ্ছে। এসব তেল পারস্য উপসাগরে অপেক্ষায় থাকা জাহাজে তোলার কথা ছিল।

গত মাসের শুরুতে সৌদি আরবের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছিলেন, ইরান-সমর্থিত হুতিদের সঙ্গে কাজ করা ইরাকের মিলিশিয়াদের সমন্বিত একাধিক হামলার আশঙ্কায় সৌদি আরব প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আপাতদৃষ্টিতে দুই পক্ষের শক্তির মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে। একদিকে বিপুল অর্থসম্পদের দেশ সৌদি আরব, যার রয়েছে আধুনিক ও শক্তিশালী সামরিক বাহিনী। অন্যদিকে দরিদ্র ইয়েমেনের একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিরা। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল এক ভিন্ন চিত্র। হুতিদের পরাজিত করে সরিয়ে দেওয়া অত্যন্ত কঠিন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

পশ্চিমা দেশগুলো এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশ হুতিদের সাধারণত ইরান সমর্থিত একটি গোষ্ঠী হিসেবে দেখে। তবে ‘অগোছালো মিলিশিয়া’ হিসেবে পরিচিত এই গোষ্ঠীটি গত কয়েক বছর ধরে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা ও যুদ্ধের কৌশল উন্নত করেছে। গাজায় যুদ্ধের পর ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু মানুষের মধ্যে জনপ্রিয়তাও পেয়েছে হুতিরা।

হুতিরা কি লোহিত সাগর বন্ধ করে দিতে পারে?bab-al-mandeb

হুতিদের দাবি এখনো একই রয়েছে। তারা চায়, তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা উত্তর ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ এলাকাকে বিচ্ছিন্ন করে রাখতে সৌদি আরব যে ভ্রমণ ও অর্থনৈতিক অবরোধ চালিয়ে আসছে, তা বন্ধ করা হোক। হুতিরা ইরানের মিত্র হলেও তাদের নিজেদেরও আলাদা কিছু এজেন্ডা রয়েছে।

হুতি নিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা সাবার প্রধান নাসর আল-দিন আমের শুক্রবার সিএনএনকে বলেন, হুতিরা সৌদির ওপর চাপ অব্যাহত রাখবে। যতক্ষণ না সৌদি সরকার তাদের ওপর অন্যায়ভাবে চাপিয়ে দেওয়া ১২ বছরের অবরোধ তুলে নেয়, ততক্ষণ এই চাপ চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তার বক্তব্যে উত্তেজনা আরও বাড়ানোর স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

২০১৪ সালে হুতিরা রাজধানী সানা দখল করে নেয়। এরপর দেশটির সরকারকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়। এভাবেই ইয়েমেন বড় ধরনের সংঘাতের মধ্যে জড়িয়ে পড়ে। পরের বছর সৌদি আরব হুতিদের সরিয়ে দিতে সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর থেকে তারা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিয়ে আসছে। একই সঙ্গে হুতিদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোর ওপর কঠোর অবরোধও বজায় রেখেছে। অন্যদিকে, ইরান হুতিদের অস্ত্র ও সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির বিভিন্ন সিদ্ধান্তেও ইরানের কিছুটা প্রভাব রয়েছে।

তবে সৌদির বিভিন্ন এলাকায় হামলা এবং নিজেদের নিয়ন্ত্রিত কিছু অঞ্চল হারানোর পরও দেশটি এখনো হুতিদের বিরুদ্ধে সেভাবে পাল্টা হামলা চালায়নি। ফলে চলমান এই উত্তেজনার মধ্যে সৌদি এখন কী পদক্ষেপ নেয়, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

আগামী কয়েক দিনে সৌদি আরব কী পদক্ষেপ নেয়, তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। দেশটি যদি বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে, তাহলে আবারও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হতে পারে। এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধেও এর বড় প্রভাব পড়তে পারে।

‘সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই’

সিএনএন বলছে, হুতিরা ইয়েমেনে নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা আরও বাড়াতে চাইছে। ফলে হুতিদের মোকাবিলায় সৌদি আরবের হাতে খুব বেশি বিকল্প নেই। ইউরোপীয় কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের গবেষক সিনজিয়া বিয়ানকো সিএনএনকে বলেন, হুতিদের সঙ্গে সংঘাতে সৌদির হাতে সত্যিই খুব কম পথ খোলা আছে। এর একটি হলো সংঘাত আরও বাড়ানো। তবে এর জন্য রিয়াদকে বড় মূল্য দিতে হতে পারে।

বিয়ানকো বলেন, সৌদি যদি ‘সর্বশক্তি দিয়ে লড়াইয়ে নামে’, তাহলে ইয়েমেনের মতো দীর্ঘ ও ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। দীর্ঘদিনের এই সংঘাত ইয়েমেনকে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক সংকটে পরিণত করেছে। দেশটির প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ মানুষ, অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক মানুষের এখন মানবিক সহায়তার প্রয়োজন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সৌদি ও হুতিদের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হলে ইরানও এতে জড়িয়ে পড়তে পারে।

বিয়ানকো বলেন, এরপর সংঘাতকে শুধু ইয়েমেনের পরিস্থিতি হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখা কঠিন হবে। এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধেরই আরেকটি অংশ হয়ে উঠতে পারে। আর এতে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে। তবে হুতিদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সামরিকভাবে জড়ানোর সম্ভাবনা কম। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট, সামনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সম্পদ ও সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিষয়ে দেশের ভেতরে চলমান বিতর্কের কারণে।

সিনজিয়া বিয়ানকো বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পৃক্ততা আরও বাড়ানো কঠিন। পর্দার আড়াল থেকে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের হুতিদের বিরুদ্ধে আবারও যুদ্ধে জড়ানোর চাপ সামলানোর চেষ্টা করছে।

গত শনিবার ট্রাম্প বলেন, হুতিরা যুক্তরাষ্ট্রকে এই সংঘাতে না জড়াতেই বেশি আগ্রহী। তারা বেশির ভাগ জাহাজ চলাচলের অনুমতিও দিচ্ছে। তবে একটি দেশের সঙ্গে তাদের সমস্যা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সেই সমস্যার সমাধান করবে।

সিএনএনকে একটি সূত্র জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার সৌদি যুবরাজ ট্রাম্পের সঙ্গে দুইবার কথা বলেছেন। এ সময় হুতিরা লোহিত সাগরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা চালানোর জন্য ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন তিনি। তবে ট্রাম্প সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেন।তবে চলতি সপ্তাহে সিএনএন জানিয়েছে, হুতিদের বিরুদ্ধে রিয়াদের সামরিক অভিযানে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১০০ জন সামরিক পরামর্শক সৌদি আরবে পাঠিয়েছে। এই তথ্য সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্রের কাছ থেকে পাওয়া গেছে।

কীভাবে হুতিরা হয়ে উঠল ইরানের সবচেয়ে ভয়ংকর মিত্র?houthi

লন্ডনের কিংস কলেজের যুদ্ধবিষয়ক গবেষক এবং সৌদি সরকারের সাবেক উপদেষ্টা নওয়াফ ওবায়েদ সিএনএনকে বলেন, সৌদি আরব কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হুতিদের ওপর বিমান হামলার অনুরোধ করেনি। তারা শুধু গোয়েন্দা তথ্য চেয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের এই সহায়তা সীমিত।

‘রাজনৈতিক সমাধানের পথও প্রায় শেষ’

সংঘাত থেকে বের হওয়ার আরেকটি পথ হতে পারে রাজনৈতিক সমঝোতা। তবে এখন হয়তো সেই সুযোগও অনেকটাই শেষ হয়ে গেছে।

সিনজিয়া বিয়ানকো বলেন, গত কয়েক মাস ধরে সৌদি আরব খুব ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করেছে। রিয়াদ বারবার হুতি ও ইরানকে সতর্ক করেছে এবং তাদের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি।

সৌদির পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনে হামলার পর দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এই পর্যায়ে সৌদি আরব পাল্টা হামলা না চালিয়ে ইরাক সরকারের উদ্যোগকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ, হামলাটি ইরাকের ভূখণ্ড থেকে চালানো হয়েছে।

তবে সৌদি সরকার জানিয়েছে, নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার তারা রাখে।

ইউরোপীয় কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের গবেষক বিয়ানকোর মতে, রাজনৈতিকভাবে সমস্যার সমাধানের প্রায় সব পথই সৌদি আরব ইতিমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে। এমনকি রিয়াদ যদি হুতিদের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতেও পারে, তাতেও সৌদিকে বড় ধরনের মূল্য দিতে হবে।

আল-বাশা বলেন, হুতিদের সঙ্গে চুক্তি করলে তাদের প্রায় সব দাবিই মেনে নিতে হবে। তিনি বলেন, “এটা হবে খুবই ব্যয়বহুল আত্মসমর্পণ। মূলত এটা আত্মসমর্পণেরই নামান্তর।”

সিএনএন বলছে, সৌদি আরব কবে নাগাদ পরবর্তী পাল্টা পদক্ষেপ নেবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এর প্রভাব শুধু ইয়েমেন বা সৌদি আরবের সীমান্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সমর্থনে হুতিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেন সরকারের সামরিক অভিযান ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। সৌদি ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক সালমান আল-আনসারি সিএনএনকে বলেন, আগামী কয়েক দিন, এমনকি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই অভিযান আরও বড় আকার নিতে পারে। একাধিক দিক থেকে বড় ধরনের চমকও দেখা যেতে পারে বলে তিনি জানান।

তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃঢ়, দীর্ঘমেয়াদি ও স্পষ্ট সমর্থন ছাড়া সৌদি আরব সরাসরি সর্বাত্মক যুদ্ধে যাবে না বলে মত দেন আল-আনসারি। তার মতে, হুতিদের বিষয়ে সৌদি ও ইয়েমেন সরকার আগে যেসব সতর্কবার্তা দিয়েছিল, সেগুলো গুরুত্ব না দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বড় ভুল করেছে। এখন রিয়াদ আশা করছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাদের অবস্থান পরিবর্তন করবে এবং ইয়েমেনকে এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাত থেকে মুক্ত করতে পুরোপুরি সমর্থন দেবে।

তবে অন্যরা বলছেন, হুতিরা যদি হামলা ও উত্তেজনা আরও বাড়াতে থাকে, তাহলে আন্তর্জাতিক সমর্থন থাকুক বা না থাকুক, সৌদি আরবকে যুদ্ধে জড়াতে হবে।

বিশ্লেষক আল-বাশা বলেন, “হুতিদের পাশাপাশি ইরাকের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্সও সৌদির ওপর হামলা চালাচ্ছে। তাদের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই। সত্যি বলতে, আমি সৌদি আরবের অবস্থানে থাকতে চাইতাম না।”

বিষয়: সৌদি আরবসংঘাতহুতিইরানইরান-ইসরায়েল সংঘাত
সর্বশেষ
  • ১

    গুলশান থানার ওসি দাউদ ক্লোজড

  • ২

    দ্বিজাতিতত্ত্বের দেশে জিন্নাহই তো জাতীয় বীর!

  • ৩

    মাথায় গ্যাস সিলিন্ডার পড়ে ব্যবসায়ী নিহত

  • ৪

    মার্কিন রাজনীতিতে ঘুষের ধরাবাহিকতা বজায় রাখছেন ট্রাম্প

  • ৫

    হুতিদের সঙ্গে সংঘাতে কেন সৌদির খুব বেশি বিকল্প নেই?

সম্পর্কিত
  • মার্কিন রাজনীতিতে ঘুষের ধরাবাহিকতা বজায় রাখছেন ট্রাম্প

    মার্কিন রাজনীতিতে ঘুষের ধরাবাহিকতা বজায় রাখছেন ট্রাম্প

    চলতি সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন ভোটারদের সামনে এমন একটি প্রস্তাব পেশ করেছেন। তিনি আশা করছেন ভোটাররা প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন না। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে যদি তার দল রিপাবলিকান পার্টি জয়লাভ করে, তবে দেশের প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ৫ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের একটি

  • ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কী বার্তা দিচ্ছে?

    ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কী বার্তা দিচ্ছে?

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংস্কার করা সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও স্বাধীনতাবিরোধী ছাত্রসংঘের নেতা আব্দুল মালেকের ছবি অন্তর্ভুক্ত করা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরানোর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে

  • নাম ছাড়া র‌্যাবে কি কোনো পরিবর্তন এল?

    নাম ছাড়া র‌্যাবে কি কোনো পরিবর্তন এল?

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ফাহিন রহমান অঙ্কিতা বলেন, “আগে বিভিন্ন বাহিনী সদস্যদের এনে র‌্যাব গঠন করা হতো। নতুন বাহিনীতে এই কাঠামোগত পরিবর্তন আনা হয়নি সেটা উদ্বেগজনক।” এসআরবিকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত, তল্লাশি, গ্রেপ্তার ও জব্দ করার ক্ষমতা দেওয়া হবে। এছাড়া ইউনিটটির নিজস্ব হাজত

  • ইউক্রেনের পতন দেখছে পশ্চিমারা

    ইউক্রেনের পতন দেখছে পশ্চিমারা

    পশ্চিমা বিশ্ব ইউক্রেন সংকটের প্রকৃত গভীরতা অনুধাবনে ব্যর্থ হচ্ছে। গণমাধ্যমগুলোতে বর্তমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং আঞ্চলিক ক্ষতিকে প্রাধান্য দেওয়া হলেও, ইউক্রেন রাষ্ট্রের সাথে তার সমাজ ও জনগণের যে গভীর দূরত্ব তৈরি হচ্ছে—তা প্রায় অনালোচিতই থেকে যাচ্ছে। মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার