হুতি

সৌদিতে বেসামরিক অবকাঠামোয় হুতি বিদ্রোহীদের হামলার নিন্দা বাংলাদেশের
সৌদি আরবে বিমানবন্দরসহ বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হুতি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে এসব হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং নিরীহ মানুষের জীবন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি বলেও দাবি করেছে ঢাকা। আজ শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতিতে সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ কীভাবে আরও স্পষ্ট হচ্ছে?
পাকিস্তানে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় থাকলেও প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীই প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করে এসেছে। মুনিরকে তার পূর্বসূরিদের যেকোনো ব্যক্তির তুলনায় দেশের অভ্যন্তরে অধিক ক্ষমতাধর বলে ব্যাপকভাবে মনে করা হয়।

সৌদির দুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা, নিহত ৩
সৌদি আরবের দুটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতির হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩৬ জন। সৌদি কর্তৃপক্ষ হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। খবর আল জাজিরার।

হুতিদের হামলায় সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত
বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গত রোববার সৌদি আরবের আল খুরাইস এলাকায় আরামকোর স্থাপনায় ওই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে সজীব হোসেন প্রাণ হারান।

হুতিদের হটিয়ে বাব আল-মান্দেব ও মোখা পুর্নদখলের দাবি ইয়েমেনি বাহিনীর
হুতিদের হটিয়ে কৌশলগত বন্দরনগরী মোখা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অবস্থান পুনর্দখলের দাবি করেছে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার।

সক্রিয় মক্কা চুক্তি, সৌদিতে সেনা পাঠাচ্ছে পাকিস্তান, তুরস্ক
সৌদি আরবের সুরক্ষায় মক্কা প্রতিরক্ষা জোট সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সদস্য দেশগুলো। এর আওতায় হুতিদের ঠেকাতে সৌদি আরবে দ্রুত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের ঘোষণাও দিয়েছে জোটের অপর দুই শরিক দেশ পাকিস্তান ও তুরস্ক।

হুতিদের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযানের ঘোষণা ইয়েমেন সরকারের
ইরান-সমর্থিত হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর কথা জানিয়েছে সৌদি আরব-সমর্থিত এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার। হুতি ও সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার পর এ ঘোষণা এলো। খবর রয়টার্সের।

অশান্তির নতুন ঠিকানা: পারস্য উপসাগর থেকে এডেন উপসাগর
সবাই শান্তি চায়। কিন্তু ক্ষমতা, সম্পদ, নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থ যখন মুখোমুখি দাঁড়ায়, তখন শান্তির পথ ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ে। যুদ্ধের মধ্য দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার ধারণা ইতিহাসে বহুবার দেখা গেছে। কিন্তু সেই শান্তির মূল্যও দিতে হয়েছে অসংখ্য নিরীহ মানুষকে।

হুতিদের সঙ্গে যুদ্ধে জীবন উৎসর্গে প্রস্তুত থাকার আহ্বান সৌদির গ্র্যান্ড মুফতির
ইয়েমেনের হুতি বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে সৌদি আরবের সেনাদের জীবন উৎসর্গের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় কর্মকর্তা গ্র্যান্ড মুফতি শেখ সালিহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান। গত কাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সৌদি আরবকে সহায়তায় রয়্যাল এয়ারফোর্সের বিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য
বার্নহাম সাংবাদিকদের বলেন, “সৌদি আরবের রাজপরিবারের পক্ষ থেকে আমরা সামরিক সহায়তার অনুরোধ পেয়েছি। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পরামর্শে গত রাতে আমি প্রতিরক্ষামূলক আকাশ থেকে আকাশে জ্বালানি সরবরাহের সহায়তা দেওয়ার অনুরোধে সম্মতি দিয়েছি। এটাই আমাদের দেওয়া সম্মতি।”

সৌদির হাতে এত অস্ত্র, কিন্তু কৌশলে ব্যর্থ
সৌদি আরবের সামরিক বাজেট ও অত্যাধুনিক অস্ত্রসম্ভার বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত হলেও, রাজনৈতিক ও কৌশলগত লক্ষ্যের অভাবে এসব সামরিক পরাক্রম কার্যকর ফলাফল আনতে ব্যর্থ হচ্ছে। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ অনুযায়ী, দীর্ঘ বিরতির পর গত শনিবার ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদকে লক্ষ্য করে দূরপাল্লার

হুতিদের ঠেকাতে সৌদিকে সামরিক সহায়তা দেবে তুরস্ক?
ইয়েমেনের হুতি বাহিনীর সঙ্গে সংঘাতে সৌদি আরবের সামরিক প্রয়োজন মেটাতে সহায়তা করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে তুরস্ক। এর ফলে সম্প্রতি সই হওয়া মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি প্রথম বড় পরীক্ষার মুখে পড়তে পারে।

মক্কা চুক্তির প্রথম পরীক্ষা
ইয়েমেন সংকট বর্তমানে দেশটির সীমানা ছাড়িয়ে বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করেছে। হুতিদের আগ্রাসনের জবাবে সৌদি আরব পাঁচ দিনে প্রায় তিন শ বিমান হামলা চালিয়েছে এবং নিজ ভৌগোলিক ভূখণ্ডে যেকোনো আঘাতের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

হুতিদের ঠেকাতে অস্ত্র নয়, মার্কিন গোয়েন্দা সহায়তা চায় সৌদি
ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি বাহিনীর বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে সৌদি আরব। এ অভিযানে রিয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন করে অস্ত্র বা গোলাবারুদ নয়, বরং গোয়েন্দা তথ্য ও লক্ষ্য নির্ধারণে কারিগরি সহায়তা চাইছে বলে জানিয়েছে সৌদি সরকারের সাবেক উপদেষ্টা নওয়াফ ওবায়দ।

সৌদি আরব এখন কোন কৌশলে তেল রপ্তানি করছে?
সম্প্রতি ইরাক থেকে চালানো ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে দেশটির তেল রপ্তানি ব্যাহত হয়েছে। হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এই পাইপলাইনটি দিয়েই তেল রপ্তানি করা হতো।

পাকিস্তান ও তুরস্কের নিন্দা ও হুঁশিয়ারিই সার, মুসলিম ন্যাটোর দৌড় কতটা?
সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় হুতি হামলা হচ্ছে। এমনকি মক্কায় ড্রোন হামলার অভিযোগও তুলেছে রিয়াদ। এককথায় হুতি হামলায় আক্রান্ত সৌদি আরব। তাহলে মক্কা চুক্তি কী করছে? প্রশ্ন উঠেছে–মুসলিম ন্যাটো দাবি করা এই ত্রিদেশীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল্য তাহলে কী?

মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা: সৌদি আরব কী খেলা খেলছে, হুতিরা কী বলছে?
ইসলামের পবিত্র শহর মক্কার কাছে নাকি হুতিরা একটি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। এটা সৌদি আরবের দাবি। এ নিয়ে সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যও শুরু হয়েছে। কিন্তু বিষয়টা এখন আর শুধু সৌদি আরব আর হুতিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়–থাকার কথাও ছিল কি?

হুতিদের নিয়ন্ত্রণে ইরানকে চাপ চীনের
তিন ইরানি সূত্রের মতে, বেইজিংয়ের উদ্বেগের পর তেহরান কোনো পদক্ষেপ নেবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বৈরিতার মধ্যে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্ব বহন করছে বলে তারা জানান।

হুতিদের সামনে ‘ধরাশায়ী’ সৌদি, কারণ কী?
কয়েক মাস ধরে সৌদি আরব ইয়েমেনের অধিকাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণকারী ইরান-সমর্থিত বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিদের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযানের প্রচার চালিয়ে আসছিল। রিয়াদের ইয়েমেনি সহযোগীরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, তাদের হাতে বড় ধরনের ‘চমক’ তুলে রাখা আছে।

হুতিদের সঙ্গে সংঘাতে কেন সৌদির খুব বেশি বিকল্প নেই?
ইয়ামেনের লোহিত সাগর উপকূলের পুরোটাই এখন হুতি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। সেই সঙ্গে সৌদি আরবে একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। ফলে রীতিমতো বেকায়দায় পড়েছে দেশটি। কারণ হুতিদের মোকাবিলায় সৌদির সামনে এখন খুব বেশি পথ খোলা নেই। আর যে পথই বেছে নিক, এর জন্য সৌদিকে বড় মূল্য দিতে হতে পারে।


