
হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে বলেছেন, তারা একটি ড্রোন দিয়ে শোধনাগারটিতে হামলা চালিয়েছে। এর আগে জাজান ও লোহিত সাগরের তীরবর্তী ইয়ানবুতেও আরামকোর স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল হুতিরা।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বারবার বলেছেন, জ্বালানি সরবরাহের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা ইরানকে দেওয়ার বিষয়ে তারা কখনোই সম্মত হবেন না। তবে প্রস্তাবিত চুক্তির শর্তগুলো পরিবর্তনের জন্য তারা কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন কি না, তা স্পষ্ট নয়।

লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। ইতোমধ্যে বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশ এতে যোগ দিতে সম্মত হয়েছে। কিন্তু কেন হঠাৎ এই জোট? কেন লোহিত সাগর এখন বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই মৌলিক পরিবর্তনগুলো নিশ্চিত করা না গেলে সাম্প্রতিক সব রক্তক্ষয় ও ধ্বংসযজ্ঞ কেবল ‘শব্দ ও উত্তেজনার’ এক অর্থহীন মহড়া হিসেবেই রয়ে যাবে এবং বর্তমান যুদ্ধবিরতিটি পরবর্তী নতুন কোনো ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের ক্ষণগণনা হিসেবে কাজ করবে।

হুতি বিদ্রোহীরা মঙ্গলবার জাহাজ মালিকদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, সৌদি তেল বোঝাই বা খালাস করে, এমন যেকোনো জাহাজে তারা হামলা চালাবে।

ইরানের সমর্থনে ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর হুতি সামরিক শাখা থেকে এ ঘোষণা এল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তি প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি অব্যাহত রাখলে বাব এল মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা।

একই বছরের মে মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘অপারেশন অ্যাসপাইডস’ নামের নৌ অভিযানে জাহাজ ও সরঞ্জামের ঘাটতির কারণে কার্যত ব্যর্থতা দেখা দেয়। কর্মকর্তারা তখন সতর্ক করেছিলেন যে তারা আর বাব আল-মান্দাব প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছেন না।

দক্ষিণ ইয়েমেনের নতুন সরকারে সৌদি আরব বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে, আর উত্তরের হুতিরা হয়তো সেই অর্থনৈতিক সুবিধার একটি অংশ চাইতে পারে। বিনিময়ে তারা দক্ষিণে যুদ্ধ না বাড়ানো বা লোহিত সাগরে বিঘ্ন না ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দিতে পারে।

বাগদাদের এক বিক্ষোভকারী ইরানপন্থী শীর্ষ আধাসামরিক নেতাদের সমর্থনের অভাব নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। অনলাইনে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি বলেন, “তোমরা কোথায়?” তিনি আরও বলেন, “তোমরা যদি আমাদের সঙ্গে এসে মার্কিন দূতাবাসে আগুন না দাও, তাহলে তোমরা কাপুরুষ।”

ইয়েমেন থেকে উড়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রের কারণে ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার (১৮ মে) বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। ইসরায়েলের সম্প্রচারমাধ্যম চ্যানেল ১২ এ খবর জানিয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধান বিমানবন্দর বেন গুরিয়নে নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। সাম্প্রতিক সময়ে এটাই বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে হুতিদের প্রথম সফল হামলার ঘটনা। এই হামলায় অন্তত ৬ জন আহত হয়েছে। আজ রোববার (৪ মে) এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটে।