চরচা ডেস্ক

মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ লোহিত সাগর এড়িয়ে আফ্রিকা ঘুরে পশ্চিম এশিয়ার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এটি আরব সাগরে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর সঙ্গে যোগ দেবে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ইউএসএনআই নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
মার্চের শেষ দিকে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা এই রণতরীটি সাধারণভাবে ব্যবহৃত ভূমধ্যসাগরীয় রুট ব্যবহার না করে আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে যাচ্ছে। এর সঙ্গে রয়েছে যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ডোনাল্ড কুকু, ইউএসএস মেসন এবং ইউএসএস রস।
মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাহাজটিকে লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব প্রণালি এড়িয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ করা হয়নি।
এই রুট পরিবর্তনের পেছনে ইয়েমেনভিত্তিক আনসারুল্লাহ আন্দোলনের নেতা আবদুল মালিক আল–হুতির সাম্প্রতিক হুমকিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইয়েমেনের সামরিক অভিযান ‘ক্রমবর্ধমান পর্যায়ে’ রয়েছে। এটি এমন একটি পরিকল্পনার অংশ, যার লক্ষ্য হলো-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান ও তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে লোহিত সাগর সামরিকভাবে ব্যবহার করতে বাধা দেওয়া।
মার্কিন রণতরী মোতায়েনের পটভূমিতে রয়েছে, ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ওয়াশিংটনের ইরানি বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপের সিদ্ধান্ত। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, এই অভিযানের আওতায় ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় ঢোকা বা বের হওয়া জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। যদিও ওয়াশিংটন দাবি করছে যে ইরানগামী নয় এমন জাহাজের ‘নৌ চলাচলের স্বাধীনতা’ ব্যাহত করা হবে না।
এর আগে লোহিত সাগরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোর সামরিক উপস্থিতি ইয়েমেনের হামলার মুখে দুর্বল হয়ে পড়ার নজির রয়েছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে ইয়েমেনি বাহিনীর হামলার পর মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন-কে শত শত মাইল পিছু হটতে হয় এবং সতর্ক অবস্থানে থাকতে বাধ্য করা হয়।
একই বছরের মে মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘অপারেশন অ্যাসপাইডস’ নামের নৌ অভিযানে জাহাজ ও সরঞ্জামের ঘাটতির কারণে কার্যত ব্যর্থতা দেখা দেয়। কর্মকর্তারা তখন সতর্ক করেছিলেন যে তারা আর বাব আল-মান্দাব প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছেন না।
এছাড়া সম্প্রতি মার্কিন রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড-কে একটি দুর্ঘটনার কারণে ওই অঞ্চল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্র একে ‘সাধারণ’ অগ্নিকাণ্ড বলে উল্লেখ করলেও, প্রায় ২০০ নাবিক ধোঁয়ায় আক্রান্ত হওয়ার খবর এবং জাহাজের বড় ধরনের বিঘ্ন নিয়ে ভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে; যা মার্কিন নৌবাহিনীর ওপর বাড়তি চাপের ইঙ্গিত দেয়।
বিশ্লেষকদের মতে, ইয়েমেনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ধারাবাহিকতা পশ্চিমা নৌ-শক্তির সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট করে তুলেছে এবং লোহিত সাগর ও আশপাশের জলসীমায় তাদের কৌশলগত নিয়ন্ত্রণকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ লোহিত সাগর এড়িয়ে আফ্রিকা ঘুরে পশ্চিম এশিয়ার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এটি আরব সাগরে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর সঙ্গে যোগ দেবে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ইউএসএনআই নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
মার্চের শেষ দিকে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা এই রণতরীটি সাধারণভাবে ব্যবহৃত ভূমধ্যসাগরীয় রুট ব্যবহার না করে আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে যাচ্ছে। এর সঙ্গে রয়েছে যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ডোনাল্ড কুকু, ইউএসএস মেসন এবং ইউএসএস রস।
মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাহাজটিকে লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব প্রণালি এড়িয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ করা হয়নি।
এই রুট পরিবর্তনের পেছনে ইয়েমেনভিত্তিক আনসারুল্লাহ আন্দোলনের নেতা আবদুল মালিক আল–হুতির সাম্প্রতিক হুমকিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইয়েমেনের সামরিক অভিযান ‘ক্রমবর্ধমান পর্যায়ে’ রয়েছে। এটি এমন একটি পরিকল্পনার অংশ, যার লক্ষ্য হলো-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান ও তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে লোহিত সাগর সামরিকভাবে ব্যবহার করতে বাধা দেওয়া।
মার্কিন রণতরী মোতায়েনের পটভূমিতে রয়েছে, ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ওয়াশিংটনের ইরানি বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপের সিদ্ধান্ত। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, এই অভিযানের আওতায় ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় ঢোকা বা বের হওয়া জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। যদিও ওয়াশিংটন দাবি করছে যে ইরানগামী নয় এমন জাহাজের ‘নৌ চলাচলের স্বাধীনতা’ ব্যাহত করা হবে না।
এর আগে লোহিত সাগরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোর সামরিক উপস্থিতি ইয়েমেনের হামলার মুখে দুর্বল হয়ে পড়ার নজির রয়েছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে ইয়েমেনি বাহিনীর হামলার পর মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন-কে শত শত মাইল পিছু হটতে হয় এবং সতর্ক অবস্থানে থাকতে বাধ্য করা হয়।
একই বছরের মে মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘অপারেশন অ্যাসপাইডস’ নামের নৌ অভিযানে জাহাজ ও সরঞ্জামের ঘাটতির কারণে কার্যত ব্যর্থতা দেখা দেয়। কর্মকর্তারা তখন সতর্ক করেছিলেন যে তারা আর বাব আল-মান্দাব প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছেন না।
এছাড়া সম্প্রতি মার্কিন রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড-কে একটি দুর্ঘটনার কারণে ওই অঞ্চল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্র একে ‘সাধারণ’ অগ্নিকাণ্ড বলে উল্লেখ করলেও, প্রায় ২০০ নাবিক ধোঁয়ায় আক্রান্ত হওয়ার খবর এবং জাহাজের বড় ধরনের বিঘ্ন নিয়ে ভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে; যা মার্কিন নৌবাহিনীর ওপর বাড়তি চাপের ইঙ্গিত দেয়।
বিশ্লেষকদের মতে, ইয়েমেনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ধারাবাহিকতা পশ্চিমা নৌ-শক্তির সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট করে তুলেছে এবং লোহিত সাগর ও আশপাশের জলসীমায় তাদের কৌশলগত নিয়ন্ত্রণকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।