চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধ বন্ধে প্রস্তাবিত চুক্তিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সম্মত হয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তির চূড়ান্ত খসড়ায় তেহরান এখনো অনুমোদন দেয়নি বলে জানিয়েছে ইরান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত সামরিক হামলা বাতিল করেছেন। তার দাবি, যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়ানো, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ৬০ দিনের আলোচনায় রাজি হয়েছে তেহরান।
ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের বলেন, তার ধারণা, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, চুক্তি স্বাক্ষর হলেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে এবং সেটি খুব শিগগিরই হতে পারে, সম্ভব হলে সপ্তাহের শেষেই হতে পারে।
পরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, আলোচনা ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং অনুমোদনও পেয়েছে। তাই তিনি নির্ধারিত হামলা ও বোমাবর্ষণ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এ ছাড়া ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান, বাহরাইন, কুয়েত, জর্ডান ও মিসরসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এই সমঝোতার মূল বিষয়গুলোর ওপর নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। তবে তিনি বলেন, চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবস্থান অব্যাহত থাকবে এবং ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না–এ নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত এ ব্যবস্থা চলবে।
এদিকে, ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তির চূড়ান্ত খসড়ায় এখনো অনুমোদন দেয়নি তেহরান। যদিও তারা বলেছে, প্রস্তাবটি বিবেচনার সুযোগ রয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, ওয়াশিংটন তেহরানের প্রস্তাবিত খসড়া গ্রহণ করেছে। তাই ইরান আবারও চুক্তিটি পর্যালোচনা করতে পারে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, অধিকাংশ বিষয় নিয়ে আলোচনা এগোলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধ বন্ধে প্রস্তাবিত চুক্তিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সম্মত হয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তির চূড়ান্ত খসড়ায় তেহরান এখনো অনুমোদন দেয়নি বলে জানিয়েছে ইরান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত সামরিক হামলা বাতিল করেছেন। তার দাবি, যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়ানো, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ৬০ দিনের আলোচনায় রাজি হয়েছে তেহরান।
ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের বলেন, তার ধারণা, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, চুক্তি স্বাক্ষর হলেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে এবং সেটি খুব শিগগিরই হতে পারে, সম্ভব হলে সপ্তাহের শেষেই হতে পারে।
পরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, আলোচনা ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং অনুমোদনও পেয়েছে। তাই তিনি নির্ধারিত হামলা ও বোমাবর্ষণ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এ ছাড়া ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান, বাহরাইন, কুয়েত, জর্ডান ও মিসরসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এই সমঝোতার মূল বিষয়গুলোর ওপর নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। তবে তিনি বলেন, চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবস্থান অব্যাহত থাকবে এবং ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না–এ নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত এ ব্যবস্থা চলবে।
এদিকে, ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তির চূড়ান্ত খসড়ায় এখনো অনুমোদন দেয়নি তেহরান। যদিও তারা বলেছে, প্রস্তাবটি বিবেচনার সুযোগ রয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, ওয়াশিংটন তেহরানের প্রস্তাবিত খসড়া গ্রহণ করেছে। তাই ইরান আবারও চুক্তিটি পর্যালোচনা করতে পারে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, অধিকাংশ বিষয় নিয়ে আলোচনা এগোলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

বরিশালে একটি মসজিদকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে পারিবারিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, জাল কাগজপত্র তৈরি, সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ করেছেন আফসানা আহাম্মেদ এক নারী। এ ক্ষেত্রে মসজিদটির ইমাম স্থানীয় কয়েকজন জামায়াত নেতার পরিচয় ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। আজ রোববার বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত

ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান যখন আজ রোববার সকালে নিউ মার্কেটে নিজের কাপড়ের দোকানের শাটার তুলছিলেন, তখনো ভাবেননি সামনের কয়েকটা ঘণ্টা তাকে ক্রেতার বদলে পানির সাথে যুদ্ধ করতে হবে। শাটার খুলতেই দেখলেন, রাতের বৃষ্টিতে ততক্ষণে তার দোকানের মেঝেসহ নিচের তাকগুলো পানির নিচে। শুধু মাহবুবুর রহমানই নন, গতকাল শনিবার র