বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশালে একটি মসজিদকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে পারিবারিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, জাল কাগজপত্র তৈরি, সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ করেছেন আফসানা আহাম্মেদ এক নারী। এ ক্ষেত্রে মসজিদটির ইমাম স্থানীয় কয়েকজন জামায়াত নেতার পরিচয় ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। আজ রোববার বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আফসানা স্থানীয় ওয়াজেদিয়া জামে মসজিদের সেক্রেটারি ও ইমাম মাওলানা জাকারিয়ার বিরুদ্ধে ধর্মীয় আবেগকে ব্যবহার করে ‘মব ভায়োলেন্স’ সৃষ্টি এবং নানা ধরনের হয়রানির অভিযোগ তোলেন।
তবে আফসানার তোলা এ অভিযোগকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা’, ‘বানোয়াট’ ও ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন মাওলানা জাকারিয়া।
লিখিত বক্তব্যে আফসানা আহাম্মেদ অভিযোগ করেন, তার বাবা মরহুম অলিউদ্দিন আহাম্মদ জীবদ্দশায় কাশীপুর বাজার-সংলগ্ন দাদা মরহুম ছাবের আহাম্মদের দানকৃত জমিতে তিনতলা বিশিষ্ট ওয়াজেদিয়া জামে মসজিদ নির্মাণ করেন। মৃত্যুর আগপর্যন্ত তার বাবা ওই মসজিদে মুতাওয়ালির দায়িত্ব পালন করেন। বাবার মৃত্যুর পর থেকে মসজিদের বর্তমান সেক্রেটারি মাওলানা জাকারিয়ার মাধ্যমে জামায়াতের পরিচয় ব্যবহারকারী কয়েকজন ব্যক্তি তাদের পৈতৃক ও ক্রয়সূত্রে অর্জিত বাড়ি-ঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।
আফসানার দাবি, ২০১২ সালে তার বাবার মৃত্যুর পর আগের মসজিদ কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। এরপর থেকেই তাদের পরিবারকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে জাল কাগজপত্র তৈরি, সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর এবং বিভিন্নভাবে হয়রানি শুরু হয়। এ ঘটনায় তারা আদালতে মামলা করে রায়ও পেয়েছেন বলে জানান।
আফসানা অভিযোগ করেন, তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাতে মসজিদের নাম ব্যবহার করা হচ্ছে। মসজিদের অনিয়ম, আয়-ব্যয়ের অস্বচ্ছতা ও উন্নয়ন না হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তুললেই ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগিয়ে বিষয়টি ভিন্ন খাতে নেওয়া হয়।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, প্রায় ১৪ বছর ধরে মসজিদের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি। অথচ মসজিদ পরিচালনার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনের ব্যক্তিগত সম্পদ, জমি, বাড়ি, গাড়ি ও বিদেশ যাতায়াত উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মসজিদের ইমাম ঢাকায় ফ্ল্যাটও করেছেন। এসব বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), আয়কর বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত দাবি করেন অভিযোগকারী।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আফসানার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি মসজিদের নাম ব্যবহার করে সংগঠিতভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন অভিযোগকারী।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ওয়াজেদিয়া জামে মসজিদের সেক্রেটারি ও ইমাম মাওলানা জাকারিয়া চরচাকে বলেন, “আফসানা আহাম্মেদ দীর্ঘদিন ধরে মসজিদের একটি স্টল দখল করে রেখেছেন। ওই স্টলের প্রায় এক লাখ টাকার বেশি ভাড়া বকেয়া রয়েছে। বকেয়া ভাড়া পরিশোধের জন্য একাধিকবার অনুরোধ করা হলেও তারা বিষয়টি সমাধান করেননি।”
মাওলানা জাকারিয়া বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ৩০ কোটি টাকার সম্পদের যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ঢাকায় যে ফ্ল্যাটের কথা বলা হয়েছে, সেটি আমার শ্বশুরের। এ ছাড়া আমি বিভিন্ন বৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও বানোয়াট।”
এ বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বরিশাল মহানগর আমির অধ্যক্ষ মাওলানা জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবরের মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি একটি সভায় আছেন জানিয়ে পরে কথা বলতে বলেন। কিন্তু সভা শেষে আবার যোগাযোগ করে হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

বরিশালে একটি মসজিদকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে পারিবারিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, জাল কাগজপত্র তৈরি, সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ করেছেন আফসানা আহাম্মেদ এক নারী। এ ক্ষেত্রে মসজিদটির ইমাম স্থানীয় কয়েকজন জামায়াত নেতার পরিচয় ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। আজ রোববার বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আফসানা স্থানীয় ওয়াজেদিয়া জামে মসজিদের সেক্রেটারি ও ইমাম মাওলানা জাকারিয়ার বিরুদ্ধে ধর্মীয় আবেগকে ব্যবহার করে ‘মব ভায়োলেন্স’ সৃষ্টি এবং নানা ধরনের হয়রানির অভিযোগ তোলেন।
তবে আফসানার তোলা এ অভিযোগকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা’, ‘বানোয়াট’ ও ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন মাওলানা জাকারিয়া।
লিখিত বক্তব্যে আফসানা আহাম্মেদ অভিযোগ করেন, তার বাবা মরহুম অলিউদ্দিন আহাম্মদ জীবদ্দশায় কাশীপুর বাজার-সংলগ্ন দাদা মরহুম ছাবের আহাম্মদের দানকৃত জমিতে তিনতলা বিশিষ্ট ওয়াজেদিয়া জামে মসজিদ নির্মাণ করেন। মৃত্যুর আগপর্যন্ত তার বাবা ওই মসজিদে মুতাওয়ালির দায়িত্ব পালন করেন। বাবার মৃত্যুর পর থেকে মসজিদের বর্তমান সেক্রেটারি মাওলানা জাকারিয়ার মাধ্যমে জামায়াতের পরিচয় ব্যবহারকারী কয়েকজন ব্যক্তি তাদের পৈতৃক ও ক্রয়সূত্রে অর্জিত বাড়ি-ঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।
আফসানার দাবি, ২০১২ সালে তার বাবার মৃত্যুর পর আগের মসজিদ কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। এরপর থেকেই তাদের পরিবারকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে জাল কাগজপত্র তৈরি, সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর এবং বিভিন্নভাবে হয়রানি শুরু হয়। এ ঘটনায় তারা আদালতে মামলা করে রায়ও পেয়েছেন বলে জানান।
আফসানা অভিযোগ করেন, তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাতে মসজিদের নাম ব্যবহার করা হচ্ছে। মসজিদের অনিয়ম, আয়-ব্যয়ের অস্বচ্ছতা ও উন্নয়ন না হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তুললেই ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগিয়ে বিষয়টি ভিন্ন খাতে নেওয়া হয়।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, প্রায় ১৪ বছর ধরে মসজিদের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি। অথচ মসজিদ পরিচালনার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনের ব্যক্তিগত সম্পদ, জমি, বাড়ি, গাড়ি ও বিদেশ যাতায়াত উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মসজিদের ইমাম ঢাকায় ফ্ল্যাটও করেছেন। এসব বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), আয়কর বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত দাবি করেন অভিযোগকারী।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আফসানার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি মসজিদের নাম ব্যবহার করে সংগঠিতভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন অভিযোগকারী।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ওয়াজেদিয়া জামে মসজিদের সেক্রেটারি ও ইমাম মাওলানা জাকারিয়া চরচাকে বলেন, “আফসানা আহাম্মেদ দীর্ঘদিন ধরে মসজিদের একটি স্টল দখল করে রেখেছেন। ওই স্টলের প্রায় এক লাখ টাকার বেশি ভাড়া বকেয়া রয়েছে। বকেয়া ভাড়া পরিশোধের জন্য একাধিকবার অনুরোধ করা হলেও তারা বিষয়টি সমাধান করেননি।”
মাওলানা জাকারিয়া বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ৩০ কোটি টাকার সম্পদের যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ঢাকায় যে ফ্ল্যাটের কথা বলা হয়েছে, সেটি আমার শ্বশুরের। এ ছাড়া আমি বিভিন্ন বৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও বানোয়াট।”
এ বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বরিশাল মহানগর আমির অধ্যক্ষ মাওলানা জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবরের মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি একটি সভায় আছেন জানিয়ে পরে কথা বলতে বলেন। কিন্তু সভা শেষে আবার যোগাযোগ করে হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

বরিশালে একটি মসজিদকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে পারিবারিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, জাল কাগজপত্র তৈরি, সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ করেছেন আফসানা আহাম্মেদ এক নারী। এ ক্ষেত্রে মসজিদটির ইমাম স্থানীয় কয়েকজন জামায়াত নেতার পরিচয় ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। আজ রোববার বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত

ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান যখন আজ রোববার সকালে নিউ মার্কেটে নিজের কাপড়ের দোকানের শাটার তুলছিলেন, তখনো ভাবেননি সামনের কয়েকটা ঘণ্টা তাকে ক্রেতার বদলে পানির সাথে যুদ্ধ করতে হবে। শাটার খুলতেই দেখলেন, রাতের বৃষ্টিতে ততক্ষণে তার দোকানের মেঝেসহ নিচের তাকগুলো পানির নিচে। শুধু মাহবুবুর রহমানই নন, গতকাল শনিবার র