
হরমুজের চাপে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি কেন্দ্রিক সংঘাত সমাধানের আশা দিনে দিনে ক্ষীণ হয়ে আসছে। এ কারণে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

ইরানের একটি হত্যার হুমকির কারণে নিরাপত্তা কৌশলের অংশ হিসেবে গত মাসে তুরস্ক থেকে গোপন সামরিক ফ্লাইটে যুক্তরাজ্যে যান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় একটি খাবারের ট্রাকে করে তাকে এক বিমান থেকে অন্য বিমানে নেওয়া হয়েছিল বলে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ওই সময় হোয়াইট হাউস জানিয়েছিল, ন্যাটো সম্মেলনে অংশ নিতে তুরস্কে যাওয়া ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে করে তুরস্ক থেকে যুক্তরাজ্যে উড়াল দিয়েছেন। তবে ট্রাম্প বিমানে ওঠার কিছুক্ষণ পর গোপনে খাবারের ট্রাকের মাধ্যমে সেটি থেকে বের হয়ে অন্য একটি বিমানে ওঠেন এবং সেই বিমানেই যুক্তরাজ্যে যান বলে সোমবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে।
নিউইয়র্ক টাইমসও একই ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। পত্রিকাটি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন আমেরিকান কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়েছে।
ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে ট্রাম্প কাতারের দেওয়া নতুন সংস্কার করা একটি বিমান নিয়ে আঙ্কারায় গিয়েছিলেন। তবে তুরস্ক ছাড়ার সময় তিনি অপ্রত্যাশিতভাবে পুরোনো একটি এয়ার ফোর্স ওয়ান ব্যবহার করার ঘোষণা দেন। এতে নতুন বিমানটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
ন্যাটো সম্মেলনে অংশ নিতে এই সফরই ছিল নতুন বিমানটির প্রথম আন্তর্জাতিক যাত্রা। দ্রুতগতিতে বিমানটির সংস্কারকাজ সম্পন্ন করায় এর ব্যয় ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। একই সময়ে তুরস্কের প্রতিবেশী ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনাও বেড়ে চলছিল।আঙ্কারা ছাড়ার আগে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে জানিয়েছিলেন, পুরোনো আকাশি-নীল রঙের এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানটি “পুরোনো দিনের কথা মনে করে” যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্স (আরএএফ) মিলডেনহল ঘাঁটিতে নিয়ে যাবেন। একই সময়ে নতুন বিমানটিও ওই ঘাঁটিতে যাবে, যাতে সেখানে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা বিমানটি ঘুরে দেখতে পারেন।
ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, আঙ্কারায় ক্যামেরার সামনে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে ওঠার পর ট্রাম্পকে বিমানবন্দরের একটি খাবারের ট্রাকে করে গোপনে অপেক্ষাকৃত ছোট একটি বিমানে নেওয়া হয়। ওই বিমানটি ছিল এয়ার ফোর্স সি-৩২এ। সংবাদপত্রটি এই অভিযানের সঙ্গে পরিচিত এক আমেরিকান কর্মকর্তার বরাত দিয়েছে এবং তাদের পর্যালোচনা করা নথিপত্রও এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
গোপনে বিমান বদল
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একটি বিশ্বাসযোগ্য হুমকি পাওয়ার পর এই গোপন অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে।
এর আগে ২০০০ সালে একই ধরনের একটি অভিযান চালানো হয়েছিল। সে সময় প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন একটি চিহ্নবিহীন নির্বাহী বিমানে করে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন এবং আনুষ্ঠানিক এয়ার ফোর্স ওয়ানকে ডামি বিমান হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।
এবার ট্রাম্পের সঙ্গে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে ভ্রমণ করছেন বলে মনে করা সাংবাদিকদের প্রেস কেবিনের জানালার পর্দা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পোস্ট জানিয়েছে, সাংবাদিকদের পাশাপাশি হোয়াইট হাউসের কিছু কর্মীও বিশ্বাস করছিলেন, প্রেসিডেন্ট ওই বিমানেই রয়েছেন।
পরে সাংবাদিকেরা বিমানের জানালার পর্দা বন্ধ রাখার কারণ জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, তারা “সম্ভবত একটি বিপজ্জনক ফ্লাইটে” ছিলেন। এরপর তিনি বলেন, “কিন্তু আমি গেলে তোমরাও যাবে। তাই তো?”
ট্রাম্পকে বহনকারী সি-৩২এ বিমানটি যুক্তরাজ্যে গিয়ে রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে অবতরণ করে। এর কয়েক মিনিট পর পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান ও গণমাধ্যমকর্মীরাও সেখানে পৌঁছান বলে পোস্ট জানিয়েছে। তবে সি-৩২এ থেকে ট্রাম্পকে কীভাবে আবার পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে নেওয়া হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়।
ট্রাম্পের সঙ্গে থাকা প্রেস পুল জানিয়েছে, রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে তিনি পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামেন।
তিনি সাংবাদিকদের দিকে বিজয়চিহ্ন দেখালেও তাদের সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যাননি। এরপর কিছু সময় যুক্তরাষ্ট্রের সেনাসদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে তিনি কাতারের দেওয়া নতুন বিমানের দিকে যান।
তৃতীয় একটি বিমানে গোপন ফ্লাইটের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর মন্তব্য জানতে চাইলে হোয়াইট হাউসের যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক স্টিভ চিউং একটি বিবৃতি দেন। এতে বলা হয়, কাতারের দেওয়া বিমানটিতে প্রেসিডেন্ট ও তার কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।
চিউং বলেন, “প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি যেমন বলেছেন, আমেরিকার অনেক শত্রু তার ওপর নজর রেখেছে এবং এসব হুমকি মোকাবিলায় আমরা আমাদের হাতে থাকা প্রতিটি উপায় ব্যবহার করছি।”
ওয়াশিংটন পোস্টকেও একই বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল।
পেন্টাগন তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।
ট্রাম্পের পছন্দ করা লাল, সাদা, গাঢ় নীল ও সোনালি রঙের নকশার নতুন বিমানটি একটি বোয়িং ৭৪৭। গত বছর কাতার যুক্তরাষ্ট্রকে বিমানটি উপহার দেয়। পরে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এল৩হ্যারিস টেকনোলজিস বিমানটি সংস্কার করে।
বোয়িং দীর্ঘদিন ধরে পরবর্তী প্রজন্মের এয়ার ফোর্স ওয়ান সরবরাহে বিলম্ব করায় সাময়িক বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের জন্য বিমানটি প্রস্তুত করা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি কেন্দ্রিক সংঘাত সমাধানের আশা দিনে দিনে ক্ষীণ হয়ে আসছে। এ কারণে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

এই আন্দোলনে ভৌগোলিক ও ভাষাগত সীমান্ত পেরিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলের নারী লেখকদের অভিজ্ঞতা, সামাজিক বাস্তবতা ও চিন্তাভাবনা বিশ্বপাঠকের সামনে উপস্থাপন করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির পক্ষ থেকে আজ দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হলেও রাষ্ট্রপতি পদে দলের চূড়ান্ত প্রার্থী কে হচ্ছেন, তা নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

বছরের শুরুতে ভারতের বাংলাদেশ সফর প্রায় বাতিল হওয়ার পথে ছিল। তবে জাতীয় নির্বাচনের পর ক্রমেই দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড আশাবাদী হচ্ছিল সাদা বলের দুটি সিরিজ নিয়ে। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক টানাপোড়েনে ফের অনিশ্চয়তার মুখে ভারতের বাংলাদেশ সফরটি।