চরচা ডেস্ক

দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও প্রায় দুই মাস ধরে চলা যুদ্ধের পর পাকিস্তানে শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে আলোচনা। তবে বেশ কিছু মৌলিক শর্তে দুপক্ষের বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বাধা হয়ে আছে প্রধান পাঁচ শর্ত। সেগুলো নিচে দেওয়া হলো:
পারমাণবিক কর্মসূচি
একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে অন্যতম বড় বাধা হলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করে দিক। তবে তেহরান এ দাবিতে রাজি নয়। তাদের ভাষ্য, পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধে যেকোনো ধরনের বিধিনিষেধ শুধু নির্দিষ্ট কয়েক বছরের জন্য হতে পারে, স্থায়ীভাবে নয়।
ইউরেনিয়াম মজুত
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আরেক মতপার্থক্যের জায়গা হলো তেহরানের ইউরেনিয়ামের মজুত। আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের কাছে বর্তমানে ৪০০ কেজি (৮৮০ পাউন্ড) উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চান, এই ইউরেনিয়ামের পুরোটা যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে থাকবে। তবে তেহরান এ প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
হরমুজ ও বন্দর অবরোধ
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ কার্যত বন্ধ করে রাখে তেহরান। এরপর ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে চাপে ফেলতে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। অন্যদিকে ট্রাম্পের অবস্থান হলো, চূড়ান্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়া হবে না।
আটকা পড়া অর্থ
একটি দীর্ঘস্থায়ী চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান তাদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও বিদেশে আটকা পড়ে থাকা প্রায় ২ হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলার অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচনায় ইরান বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তাদের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার বিনিময়ে দেশ দুটিকে দিতে হবে প্রায় ২৭ হাজার কোটি (২৭০ বিলিয়ন) ডলার ক্ষতিপূরণ।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গত ৮ এপ্রিল একটি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। আলোচনার টেবিলে ইরান ১০ দফা প্রস্তাব দেয়। গত ১১ ও ১২ এপ্রিল টানা ২১ ঘণ্টার আলোচনা সত্ত্বেও কোনো চুক্তি পৌঁছাতে পারেনি দেশ দুটি।
এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে কার্যকর কোনো সমাধানে পৌঁছানো নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দ্বিতীয় দফায় পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা এখনো কার্যত আটকে আছে।

দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও প্রায় দুই মাস ধরে চলা যুদ্ধের পর পাকিস্তানে শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে আলোচনা। তবে বেশ কিছু মৌলিক শর্তে দুপক্ষের বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বাধা হয়ে আছে প্রধান পাঁচ শর্ত। সেগুলো নিচে দেওয়া হলো:
পারমাণবিক কর্মসূচি
একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে অন্যতম বড় বাধা হলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করে দিক। তবে তেহরান এ দাবিতে রাজি নয়। তাদের ভাষ্য, পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধে যেকোনো ধরনের বিধিনিষেধ শুধু নির্দিষ্ট কয়েক বছরের জন্য হতে পারে, স্থায়ীভাবে নয়।
ইউরেনিয়াম মজুত
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আরেক মতপার্থক্যের জায়গা হলো তেহরানের ইউরেনিয়ামের মজুত। আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের কাছে বর্তমানে ৪০০ কেজি (৮৮০ পাউন্ড) উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চান, এই ইউরেনিয়ামের পুরোটা যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে থাকবে। তবে তেহরান এ প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
হরমুজ ও বন্দর অবরোধ
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ কার্যত বন্ধ করে রাখে তেহরান। এরপর ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে চাপে ফেলতে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। অন্যদিকে ট্রাম্পের অবস্থান হলো, চূড়ান্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়া হবে না।
আটকা পড়া অর্থ
একটি দীর্ঘস্থায়ী চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান তাদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও বিদেশে আটকা পড়ে থাকা প্রায় ২ হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলার অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচনায় ইরান বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তাদের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার বিনিময়ে দেশ দুটিকে দিতে হবে প্রায় ২৭ হাজার কোটি (২৭০ বিলিয়ন) ডলার ক্ষতিপূরণ।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গত ৮ এপ্রিল একটি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। আলোচনার টেবিলে ইরান ১০ দফা প্রস্তাব দেয়। গত ১১ ও ১২ এপ্রিল টানা ২১ ঘণ্টার আলোচনা সত্ত্বেও কোনো চুক্তি পৌঁছাতে পারেনি দেশ দুটি।
এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে কার্যকর কোনো সমাধানে পৌঁছানো নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দ্বিতীয় দফায় পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা এখনো কার্যত আটকে আছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন রাজনীতির এক বিতর্কিত ও প্রভাবশালী নাম। ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্সিয়াল লড়াইয়ে নামার পর থেকে আজ পর্যন্ত তাকে অসংখ্যবার প্রাণনাশের হুমকি ও সরাসরি হামলার সম্মুখীন হতে হয়েছে। স্থানীয় শনিবার রাতে ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলে গুলির ঘটনা ট্রাম্পের ওপর হওয়া দীর্ঘ হামলার তালিকায় নতুন একটি সংখ্যা

মানুষের গড় আয়ু বর্তমানে ৭০ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও প্রকৃতিতে এমন অনেক প্রাণী আছে যারা শতাব্দী পার করে অনায়াসেই বেঁচে থাকে। এদের মধ্যে অন্যতম হলো ‘বো-হেড’ তিমি। সমুদ্রের এই বিশালকায় বাসিন্দা ২০০ বছরেরও বেশি সময় বেঁচে থাকতে পারে। শুধু দীর্ঘায়ু নয়, বার্ধক্যজনিত রোগ এবং ক্যানসারের মতো

আইনের সংশোধনীতে স্পষ্ট বলা আছে, যে পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার করবেন, তার পরিষ্কার পরিচয় থাকতে হবে। তার ইউনিফর্মে নেমপ্লেট থাকতে হবে, পরিচয়পত্র থাকতে হবে। যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, তার চাহিদামাত্র পুলিশ কর্মকর্তার আইডি কার্ড দেখাতে হবে। এটা বাধ্যতামূলক।