
বন্ধু দিবস কবে?
তবুও পৃথিবীতে আছে ‘বন্ধু দিবস’। তা-ও একটি নয়, দুইটি! এই নিয়ে আমাদের মধ্যে দ্বিধার শেষ নেই। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসতেই পারে— মা দিবস, বাবা দিবস, ভালোবাসা দিবস একটি হলেও, বন্ধু দিবস কেন দুইটি?

দেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিইউএফপি)। তবে সেই সঙ্গে অঞ্চল ভেদে দামের পার্থক্যের তথ্যও তুলে ধরেছে বৈশ্বিক সংগঠনটি।
গত মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৬ শতাংশ। যা পরের মাস অর্থাৎ, জুনে নেমে এসেছে ৮ দশমিক ৬ শতাংশে। কিন্তু এতে পুরো চিত্র নেই। কারণ দেশের সব অঞ্চলে একই দামে খাদ্যপণ্য বিক্রি হয় না। কোথাও চাল তুলনামূলক সস্তা, আবার কোথাও সেই একই চাল কিনতে গুনতে হয় বেশি টাকা।
ডব্লিউএফপির বাংলাদেশ মার্কেট মনিটর, জুন-২০২৬ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ভৌগোলিক অবস্থান, পরিবহন ব্যয় ও সরবরাহ ব্যবস্থার পার্থক্যের কারণে বিভাগভেদে খাদ্যপণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি দামে মোটা চাল বিক্রি হয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগে। সেখানে প্রতি কেজির গড় দাম ছিল ৫২ দশমিক ২ টাকা। এর পরেই রয়েছে বরিশাল, যেখানে দাম ছিল ৫১ দশমিক ৪ টাকা। চট্টগ্রামে প্রতি কেজি মোটা চাল বিক্রি হয়েছে ৫১ দশমিক ৩ টাকায়।
ডব্লিইউএফপি যে তথ্য দিয়েছে, তাতে সবচেয়ে কম দামে মোটা চাল পাওয়া গেছে রংপুর বিভাগে। সেখানে প্রতি কেজির গড় দাম ছিল ৪৪ দশমিক ১ টাকা। খুলনায় একই চালের দাম ছিল ৪৭ দশমিক ৪ টাকা এবং সিলেটে ৪৮ দশমিক ৩ টাকা। অর্থাৎ, একই ধরনের চাল কিনতে ময়মনসিংহের একজন ক্রেতাকে রংপুরের একজন ক্রেতার তুলনায় প্রতি কেজিতে প্রায় ৮ টাকা বেশি খরচ করতে হয়েছে।
চালের মতো ভোজ্যতেলের বাজারেও আঞ্চলিক পার্থক্য স্পষ্ট। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জুন মাসে চট্টগ্রাম বিভাগে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের গড় দাম ছিল ১৯১ দশমিক ৫ টাকা, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। অন্যদিকে সিলেট বিভাগে একই তেলের দাম ছিল ১৬৯ টাকা। অর্থাৎ, দুই বিভাগের মধ্যে প্রতি লিটারে ২২ টাকারও বেশি ব্যবধান ছিল।
ডব্লিউএফপির প্রতিবেদনে বিশেষভাবে উঠে এসেছে ভাসান চরের চিত্র। মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সেখানে খাদ্যপণ্য পৌঁছাতে চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার সমুদ্রপথ অতিক্রম করতে হয়। ফলে পরিবহন ব্যয় স্বাভাবিকভাবেই বেশি। বর্ষাকালে বৈরী আবহাওয়ার কারণে এই ব্যয় আরও বেড়ে যায় এবং সরবরাহ ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে পড়ে। এর প্রভাব সরাসরি পড়ে খাদ্যপণ্যের দামে।
এ কারণেই জুন মাসে ভাসান চরে একজন মানুষের নূন্যতম পুষ্টির চাহিদা পুরন করে এমন মাসিক খাদ্য তালিকার খরচ ছিল ১ হাজার ৪৭৯ টাকা। একই সময়ে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে এই ব্যয় ছিল ১ হাজার ৩৮৯ টাকা। আর উখিয়া ও টেকনাফের স্থানীয় বাজারে একই খাদ্য তালিকার মূল্য ছিল ১ হাজার ৪৫৭ টাকা। রোহিঙ্গা শিবিরের কারণে ডব্লিইউএফপি আলাদা করে এসব এলাকার খাদ্যের পণ্যমূল্য উল্লেখ করেছে।
শুধু অঞ্চলভেদে দামের পার্থক্যই নয়, জাতীয় পর্যায়েও খাদ্য ব্যয় অনেক মানুষের নাগালের বাইরে রয়ে গেছে। ডব্লিউএফপির হিসাবে, ২০২৬ সালের জুনে একজন মানুষের প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্যের মাসিক গড় খরচ ছিল ২ হাজার ৮৬৮ টাকা। অথচ জাতীয় খাদ্য দারিদ্র্যসীমা মাসে ১ হাজার ৮৫১ টাকা। ফলে নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।
প্রতিবেদনটি আরও দেখায়, একজন পোশাক শ্রমিকের এক দিনের গড় আয় দিয়ে কেনা যায় প্রায় ৯ দশমিক ৭ কেজি মোটা চাল। অর্থাৎ, যেসব অঞ্চলে চালের দাম বেশি, সেখানে একই আয়ে খাদ্য কেনার সক্ষমতাও আরও কমে যায়।
ডব্লিউএফপির বিশ্লেষণ বলছে, খাদ্যের দামের এই আঞ্চলিক বৈষম্যের পেছনে মূলত পরিবহন ব্যয়, সরবরাহ ব্যবস্থার জটিলতা, উৎপাদন ব্যয় এবং ভৌগোলিক অবস্থান একসঙ্গে কাজ করছে। তাই জাতীয় পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও দেশের সব অঞ্চলের মানুষ সেই স্বস্তি সমানভাবে অনুভব করছেন না। বিশেষ করে দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন এলাকায় বসবাসকারীদের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের উচ্চমূল্য এখনো একটি বড় বাস্তবতা।

তবুও পৃথিবীতে আছে ‘বন্ধু দিবস’। তা-ও একটি নয়, দুইটি! এই নিয়ে আমাদের মধ্যে দ্বিধার শেষ নেই। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসতেই পারে— মা দিবস, বাবা দিবস, ভালোবাসা দিবস একটি হলেও, বন্ধু দিবস কেন দুইটি?

‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ কথাটি বহুদিন ধরেই আমাদের পরিচয়ের অংশ। কিন্তু বাস্তবে বাংলাদেশের একজন মানুষের মাসিক খাদ্যতালিকায় কী কী থাকছে? আর সেই খাবার কি শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করতে যথেষ্ট? বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিইউএফপি) বাংলাদেশ মার্কেট মনিটর, জুন ২০২৬ প্রতিবেদনে এই প্রশ্নগুলোরই একটি

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে একদল বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে নৃশংসভাবে নিহত হয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এক রাজনৈতিক সফরে রাষ্ট্রপতি জিয়ার এই নির্মম হত্যাকাণ্ড চিরদিনই রহস্যাবৃত। এই হত্যাকাণ্ড তদন্তে সে সময়ের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত

গত সপ্তাহে হুতিরা লোহিত সাগর ছেড়ে যাওয়া অন্তত দুটি সৌদি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে। এ সপ্তাহে তারা সৌদি আরবের তেল স্থাপনাতেও হামলা করেছে। ফলে বাব এল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যা কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।