
প্রস্তাবিত বাজেটে বেশ কিছু উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য পূরণ না হলে সরকারের ওপর আস্থা কমতে পারে। মানুষ হতাশ হয়ে যেতে পারে। বিশেষত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য পূরণ কঠিন হবে। চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসানের সঞ্চালনায় চরচা সংলাপে এ নিয়ে কথা বলেছেন অর্থনীতিবিদ সেলিম জাহান

প্রস্তাবিত বাজেটে বেশ কিছু উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য পূরণ না হলে সরকারের ওপর আস্থা কমতে পারে। মানুষ হতাশ হয়ে যেতে পারে। বিশেষত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য পূরণ কঠিন হবে। চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসানের সঞ্চালনায় চরচা সংলাপে এ নিয়ে কথা বলেছেন অর্থনীতিবিদ সেলিম জাহান

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ এবং মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

একইসঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা অপরিবর্তিত রাখা এবং সর্বোচ্চ আয়কর হার ৩৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাবে হতাশা প্রকাশ করেছে ঢাকা চেম্বার। সংগঠনটি করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকায় উন্নীত করার দাবি জানিয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সবশেষ তথ্য বলছে, মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার আরও বেড়ে ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে।

গত মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে বেড়েছে। এর ফলে দেশটির বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার লাফিয়ে ৪.২ শতাংশে পৌঁছেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকার জুনের মধ্যে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনার লক্ষ্য ঘোষণা করেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, সে লক্ষ্য অর্জনের ধারের কাছেও পৌঁছানো যায়নি। বরং মূল্যস্ফীতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

টাকা খরচ করে ভারতের ধনী মানুষ আসলে কী পাচ্ছে? ভালো চিকিৎসা বা শিক্ষা তো নয়ই। এই শ্রেণির কেউ তাদের সন্তানদের সরকারি স্কুলে পাঠানোর কথা স্বপ্নেও ভাববেন না (এমনকি তাদের বাড়ির রাঁধুনি বা গাড়িচালকেরাও নয়)। ভালো গণপরিবহনও তারা পান না যেটা ব্যবহার করার জন্য মোদি মশাই বেশ হালকাভাবেই পরামর্শ দিচ্ছেন।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য বলছে, গত দুই অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমেছে ১.৫ শতাংশ এবং একই সময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে প্রায় ৪.৭৫ শতাংশ। মঙ্গলবার বিবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর যে খাবার কেনা যেত ১০০ টাকায়, তা কিনতে এখন লাগছে প্রায় ১১০ টাকা। অর্থাৎ, উৎপাদন ও আয় কমলেও পেট ভরে খাওয়ার খরচ বেড়েছে কয়েক গুণ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশে মূল্যস্ফীতি আবারও ৯ শতাংশের ওপরে উঠেছে। যার প্রধান চাপ এসেছে খাদ্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে।

বিইআরসি সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিভাগের নীতিগত সায় পাওয়ার পর বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) পাইকারি মূল্যের কাঠামো পুনর্নির্ধারণ করেছে। সেই পথ ধরে বিতরণ কোম্পানিগুলোও খুচরা পর্যায়ে দাম সমন্বয়ের আবেদন জমা দিয়েছে।
দেশে মূল্যস্ফীতি আবারও ৯ শতাংশের ওপরে উঠেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানিয়েছে, গত মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ অতিক্রম করেছে, যার প্রধান চাপ এসেছে খাদ্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বে তেলের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং দামের ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা লেগেছে। এই সংকট কাটাতে আগামী ৩০ দিনের জন্য ইরানের অপরিশোধিত তেল এবং পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা জানিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে সাধারণ পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতির হার ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে পৌঁছেছে, যা জানুয়ারিতে ছিল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে সাধারণ পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতির হার ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে পৌঁছেছে, যা জানুয়ারিতে ছিল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ।