Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ অক্টোবর, ২০২৬
১১ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ অক্টোবর, ২০২৬
১১ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

বিদ্যুতের দাম কি বাড়ছেই?

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১৪: ২৬
বিদ্যুতের দাম কি বাড়ছেই?

বিদ্যুৎ খাতের গভীরতর সংকট, অব্যবস্থাপনা এবং কাঠামোগত অনিয়ম দূর করার কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে আবারও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। যখন দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস তুলছে, ঠিক তখনই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের এই বাড়তি দাম জনজীবনকে আরও বিপন্ন করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Advertisement

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) জানিয়েছে, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি সর্বোচ্চ ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের ওপর আগামী ২০ ও ২১ মে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

বিইআরসি সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিভাগের নীতিগত সায় পাওয়ার পর বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) পাইকারি মূল্যের কাঠামো পুনর্নির্ধারণ করেছে। সেই পথ ধরে বিতরণ কোম্পানিগুলোও খুচরা পর্যায়ে দাম সমন্বয়ের আবেদন জমা দিয়েছে। প্রস্তাবিত কাঠামোতে দেখা যাচ্ছে, পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে ১ দশমিক ২০ থেকে ১ দশমিক ৫০ টাকা পর্যন্ত (প্রায় ১৭থেকে ২১%) দাম বাড়তে পারে।

খুচরা পর্যায়ে বাড়ছে যত

Advertisement
Advertisement
Advertisement

খুচরা পর্যায়ে ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ দশমিক ৩৮ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি পিজিসিবি সঞ্চালন চার্জ হিসেবে প্রতি ইউনিটে ১৬ পয়সা বাড়ানোর আবেদন করেছে। যদিও সরকার বলছে, লাইফলাইন গ্রাহকদের বা নিম্নবিত্তদের আপাতত চাপের বাইরে রাখা হবে, তবুও দেশের প্রায় ৫ কোটি গ্রাহকের মধ্যে অন্তত ৩৭ শতাংশ এই সরাসরি মূল্যবৃদ্ধির শিকার হবেন।

যে কারণে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

বিদ্যুৎ খাতের এই দাম বাড়ানোর পেছনে সরকার প্রধানত উৎপাদন খরচ ও বিক্রয়মূল্যের বিশাল ব্যবধানকে দায়ী করছে। বিপিডিবির হিসাব অনুযায়ী, প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যে গড় ব্যয় হয়, তা বর্তমান বিক্রয়মূল্যের তুলনায় প্রায় ৫ টাকা ৫০ পয়সা বেশি। এর ফলে চলতি অর্থবছরে সরকারের ভর্তুকির পরিমাণ ৫৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়াকেও নীতিনির্ধারকরা অন্যতম কারণ হিসেবে তুলে ধরছেন।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রRooppur PowerPlant

যা বলছেন অর্থনীতিবিদরা

অর্থনীতিবিদ এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, এই বিশাল ঘাটতির প্রধান কারণ সরকারের ভুল পরিকল্পনা এবং চুক্তির দায়বদ্ধতা। বিশেষ করে, বিদ্যুৎকেন্দ্রের সক্ষমতা পুরোপুরি ব্যবহার না করেও বেসরকারি কেন্দ্রগুলোকে যে বিশাল অংকের ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ করতে হয়, তা এই খাতের ভর্তুকির বোঝাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়া উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানির ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরতা এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার অভাব বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলম বলেন, ঘাটতি দেখিয়ে বারবার দাম বাড়ানো কোনো স্থায়ী সমাধান হতে পারে না। যদি বিদ্যুৎ খাতের অদক্ষতা, অপচয় এবং অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি কমানো যেত, তবে ভর্তুকির চাপ অনেকটাই কমে আসত।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলে তা কলকারখানার উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দেবে, যার চূড়ান্ত প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে। ফলে সাধারণ মানুষের ওপর দ্বিমুখী অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হবে।

সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতেও বিদ্যুতের দাম এক দফা বাড়ানো হয়েছিল। এখন যদি মে মাসের গণশুনানির পর প্রস্তাবগুলো অনুমোদিত হয়, তবে জুন মাস থেকেই গ্রাহকদের বাড়তি বিল গুনতে হবে। সাধারণ মানুষের স্থবির হয়ে যাওয়া আয় এবং আকাশচুম্বী খাদ্যমূল্যের এই সময়ে কাঠামোগত সংস্কার না করে কেবল দাম বাড়িয়ে ভর্তুকি সামাল দেওয়ার সরকারি কৌশল জনমনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করছে।

বিষয়: বাংলাদেশ সরকারবিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডদ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিমূল্যস্ফীতি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

  • ২

    সদস্যদের রাতে একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যা বলছে খুলনা পুলিশ

  • ৩

    বাল্যবিয়ের কারণে কোনো কন্যার স্বপ্ন যেন থমকে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

  • ৪

    রাশিয়া ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলে ইউক্রেনে নির্বাচন আয়োজন করবেন: এবিসিকে জেলেনস্কি

  • ৫

    রাশিয়া হামলা বন্ধ করলে তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধ করবে ইউক্রেন: জেলেনস্কি

সম্পর্কিত
  • ২১০০ সালের মধ্যে বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি, কীভাবে ?

    ২১০০ সালের মধ্যে বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি, কীভাবে ?

    পারমাণবিক যুদ্ধ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহারের কারণে ২১০০ সালের মধ্যে মানবজাতি বিলুপ্ত হতে পারে বলে সতর্ক বার্তা দিয়েছে আন্তর্জাতিক চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট’। সংস্থাটির নতুন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। যদিও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এই সম্ভাবনার হার তুলনামূলকভাবে কম।

  • কীভাবে ‘অপহরণ’ করা হয় ধ্রুব রাঠিকে

    কীভাবে ‘অপহরণ’ করা হয় ধ্রুব রাঠিকে

    ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি আজ রোববার অভিযোগ করেছেন যে, গতকাল শনিবার পুলিশ তাকে দিল্লির বাড়ি থেকে জোর করে নিয়ে যায় এবং প্রায় এক দিন আটক করে রাখে। এ সময় তাকে কোনো আইনজীবী বা নিজের ফোন ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি এই ঘটনাকে ‘অপহরণ’ বলে অভিহিত করেন এবং দাবি করেন যে, এটি পুলিশের কোনো বৈধ

  • ‘নিষিদ্ধ’ রাশিয়ার তেলই কিনবে যুক্তরাষ্ট্র, কেন ও কীভাবে? লাভ হবে এই চুক্তিতে?

    ‘নিষিদ্ধ’ রাশিয়ার তেলই কিনবে যুক্তরাষ্ট্র, কেন ও কীভাবে? লাভ হবে এই চুক্তিতে?

    যে রাশিয়ার ওপর বছরের পর বছর ধরে নানান নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে, গত মাসেই রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা দেশগুলোর ওপরই যেখানে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে, সেই রাশিয়ার কাছ থেকেই এবার ডিজেল সরবরাহের চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র!

  • নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পানি বণ্টন নিয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি রয়েছে কেবল গঙ্গা নদীকে ঘিরে। আগামী ১২ ডিসেম্বর গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নতুন বা সংশোধিত চুক্তিতে শুষ্ক মৌসুমে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে গ্যারান্টি ধারা অন্তর্ভুক্ত করাকে