
বিতরণ কোম্পানিগুলোর এই আবেদনের প্রেক্ষিতে পুনরায় শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন আইন, ২০০৩ এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ বিতরণ ট্যারিফ প্রবিধানমালা, ২০২৬ অনুযায়ী বর্ধিত মূল্যহার কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদ্যুৎ বিভাগ মনে করে এর ফলে প্রান্তিক গ্রাহকেরা (লাইফলাইন) বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর বিদ্যুৎ খাতে ব্যয় অনেক বেড়ে যাবে। ফলে তাদের জীবনযাত্রার ওপর বিরুপ প্রভাব পড়তে পারে।

ঈদের আগে ও পরে কয়েকদিন দেশব্যাপী বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। কোথাও বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিলে দ্রুত সমাধানে মাঠপর্যায়ে প্রকৌশলী, লাইনম্যান ও কারিগরি টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বিইআরসি সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিভাগের নীতিগত সায় পাওয়ার পর বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) পাইকারি মূল্যের কাঠামো পুনর্নির্ধারণ করেছে। সেই পথ ধরে বিতরণ কোম্পানিগুলোও খুচরা পর্যায়ে দাম সমন্বয়ের আবেদন জমা দিয়েছে।

এ বছর জানুয়ারির প্রথম ২৭ দিনে আদানি মোট বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রায় ১০ শতাংশ জোগান দিয়েছে।

ভূমিকম্পের পরপরই বেশ কিছু কেন্দ্র বাধাগ্রস্থ হয়। তবে আশুগঞ্জ এবং সিরাজগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্র দ্রুতই পুনরায় চালু করা হয়েছে।

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান রয়টার্সকে জানান, আলোচনা এখনও চলছে। তিনি আরও বলেন, “আলোচনা প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর, প্রয়োজন হলে আমরা আন্তর্জাতিক সালিশের দিকে যাব।”