
এসএসসিতে ১৯ বছরে সর্বনিম্ন পাস, মাদরাসা ও কারিগরিতেই বড় ধাক্কা
২০২৬ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন! তবে সামগ্রিক ফলাফলের চেয়েও উদ্বেগজনক চিত্র পাওয়া যাচ্ছে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষায়।

বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বের একটি অংশ বিক্রির প্রস্তাব নিয়ে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা, এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এবং ক্যারিবীয়, উত্তর ও মধ্য আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনকাকাফ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
এই চিঠির মাধ্যমে কার্যত ইনফান্তিনোর পদত্যাগের ঘণ্টাই বাজিয়ে দিয়েছে তিন সংস্থা। এমনকি ইনফান্তিনো পদত্যাগ না করলে তারা ফিফার টুর্নামেন্ট বাদ দিয়ে নিজেরাই টুর্নামেন্ট আয়োজন করে খেলার চিন্তা এই তিন কনফেডারেশন করছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে খবর আসছে। এই চিঠির পর ইনফান্তিনোর আগামী বছরের ফিফা সভাপতি নির্বাচনে পুনর্নিবার্চিত হওয়া তো পরের কথা, এবারই মেয়াদ শেষ করতে পারার সম্ভাবনা আর নেই বলে মনে হচ্ছে অনেকের।
আজ সোমবার প্রকাশিত এক খোলা চিঠিতে তিন সংস্থা বলেছে, প্রস্তাবটি এখন পরিত্যক্ত হলেও এর মাধ্যমে ইনফান্তিনোর ‘প্রতারণা’ স্পষ্ট হয়েছে। ফলে ইনফান্তিনোর ওপর তাদের আস্থা নষ্ট হয়েছে। এই প্রস্তাবের মাধ্যমেই ইনফান্তিনো ‘নিজেকে সম্মিলিত স্বার্থের ঊর্ধ্বে’ স্থান দিয়েছেন বলে খোলা চিঠিতে জানিয়েছে তিন সংস্থা। এ ঘটনায় কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখতে তারা সম্পূর্ণ স্বাধীন একটি পর্যালোচনারও আহ্বান জানিয়েছে।
ফুটবল বিশ্বের উদ্দেশে দেওয়া খোলা চিঠিতে বলা হয়, “ফুটবলের শক্তি সবসময় তার ঐক্যের মধ্যেই নিহিত। এখন আমরা সেই ঐক্যের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানাই—এমন নেতৃত্বের জন্য, যা ফুটবলের সেবা করবে, তাকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করবে না।”
ইনফান্তিনো বিশ্ব ফুটবলে প্রকাশ্য বিদ্রোহের মুখে পড়েছেন। তিনি বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্ব আলাদা করে এর ২০ শতাংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করে প্রায় ৪২০ কোটি ডলার সংগ্রহের পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছিলেন। পরে সেই পরিকল্পনা প্রত্যাহার করে নেন।
বিষয়টির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী বছর পুনর্নির্বাচন প্রত্যাশী ইনফান্তিনোর জন্য এই চিঠিকে সম্মানজনকভাবে পদ ছাড়ার একটি সুযোগ হিসেবে দেখছে কনফেডারেশনগুলো।
উয়েফা, এএফসি ও কনকাকাফের সমর্থনে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো পরিকল্পনা আর নেওয়া হবে না—এমন নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত তারা ফিফার টুর্নামেন্ট বর্জনের হুমকি দিয়েছে।
সোমবারের বিবৃতিতে তারা বলেছে, “ফুটবলে নেতৃত্ব কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি নয়। এটি ক্ষমতা ধরে রাখা বা ক্ষমতা পাওয়ার দাবি করার বিষয়ও নয়। এটি ফুটবল পরিবারের সেবা করার দায়িত্ব—যে পরিবার তার ওপর আস্থা রেখে তাকে কর্তৃত্ব দিয়েছে।”
বিবৃতিতে তারা আরও বলে, “প্রতারণার মাধ্যমে যখন আস্থা নষ্ট হয়, যখন কোনো ব্যক্তি তাকে যে সম্মিলিত গোষ্ঠী কর্তৃত্ব দিয়েছে, তার ঊর্ধ্বেই নিজেকে স্থান দেন, তখন সেই দায়িত্ব পরিত্যক্ত হয়।”
সূত্রগুলো জানিয়েছে, ফিফার সঙ্গে চলমান সংকটের মধ্যে খেলোয়াড়দের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে নিজেদের মধ্যে আলাদা টুর্নামেন্ট আয়োজনের সম্ভাবনাও তিন কনফেডারেশন খতিয়ে দেখছে।
স্বাধীন পর্যালোচনার আহ্বান
গত সপ্তাহে মরক্কোয় অনুষ্ঠিত ফিফার জরুরি বৈঠকেরও সমালোচনা করেছে তারা। তাদের দাবি, সেখানে নির্বাচিত কর্মকর্তা হিসেবে মাত্র একজন উপস্থিত ছিলেন। একইসঙ্গে, কী কারণে “বিচারবোধের এই গভীর ব্যর্থতা” ঘটেছে, তা নির্ধারণে এমন একটি স্বাধীন পর্যালোচনার আহ্বান জানানো হয়েছে, যেখানে ফিফার কোনো ভূমিকা থাকবে না।
তবে নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করার বিষয়ে সতর্ক করে ফিফা এক বিবৃতিতে বলেছে, ইনফান্তিনোকে দুর্বল করার যে “সমন্বিত ও চলমান প্রচেষ্টা” চলছে, তা বন্ধ হওয়া উচিত এবং নেতৃত্ব নিয়ে যেকোনো চ্যালেঞ্জ ফিফার বিধি ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই করতে হবে।
ইনফান্তিনোর পক্ষে থাকা কয়েকটি সংস্থা এবং দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল কনফেডারেশন কনমেবলও নিজেদের বক্তব্য দিয়েছে। ফিফাও এসব বক্তব্যের সঙ্গে সুর মিলিয়েছে।
ফিফার বিবৃতিটা এসেছে ইনফান্তিনো উয়েফার মহাসচিব থাকার সময়ে উয়েফার এক সাবেক কর্মীকে দেওয়া অর্থের বিষয়ে দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন প্রকাশের পর। ইনফান্তিনো ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং ফিফা বলেছে, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন।
ফিফার ২১১ সদস্য দেশের মধ্যে প্রায় ৭০টি দেশ প্রকাশ্যে জানিয়েছে, তারা ইনফান্তিনোর পক্ষে ভোট দেবে। অন্যদিকে প্রায় এক ডজন সদস্য দেশ আগে দেওয়া সমর্থন প্রত্যাহার করেছে অথবা জানিয়েছে, তারা তাকে ভোট দেবে না।
সভাপতি পদে ২০৩১ সাল পর্যন্ত মেয়াদ বাড়াতে ইনফান্তিনোর প্রথম দফার ভোটে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন হবে। পরবর্তী দফাগুলোতে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতাই যথেষ্ট হবে।
উয়েফা ছাড়া ইনফান্তিনোর ওপর আস্থা হারানো কনফেডারেশনগুলোর অবস্থানও পুরোপুরি এক নয়। এশিয়ার কয়েকটি দেশ এবং কনকাকাফের সদস্য মেক্সিকো এখনো ইনফান্তিনোর পক্ষে রয়েছে।

২০২৬ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন! তবে সামগ্রিক ফলাফলের চেয়েও উদ্বেগজনক চিত্র পাওয়া যাচ্ছে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষায়।

এখানেই ভবিষ্যতের বড় প্রশ্নটি তৈরি হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র যদি নিজের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তির ভিত্তি দুর্বল করে, তাহলে চীন সেই শূন্যস্থান পূরণের সুযোগ পাবে। চীনের আইনি ব্যবস্থা পশ্চিমা ধাঁচের উদার গণতান্ত্রিক আইনব্যবস্থার মতো না হলেও, বৈশ্বিক ক্ষমতার জন্য সেটি হওয়া আবশ্যক নয়।

শেষ পর্যন্ত পুরো সংকটটি গিয়ে ঠেকছে আস্থার প্রশ্নে। ইরান বিশ্বাস করে না যে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি দিলে তা অবশ্যই পালন করবে। অন্যদিকে ওয়াশিংটনের বড় অংশ মনে করে, ইরান কৌশলগত সুবিধা পেলেই আবার আগের অবস্থানে ফিরে যেতে পারে।

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়েছে ১০ মাস আগে। কিন্তু গাজায় এখনো শেষ হয়নি মৃত্যুর হিসাব। এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে, এখনো চলছে দাফন।