Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

পাকিস্তানের কাশ্মীরে আসলে কী ঘটছে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ১৩
পাকিস্তানের কাশ্মীরে আসলে কী ঘটছে?
ছবি: রয়টার্স

গত জুলাই ও আগস্ট মাসে ছিল পাকিস্তান অধ্যুষিত কাশ্মীরে নির্বাচন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) বরাত দিয়ে জানায়, গত ৩ আগস্ট পর্যন্ত রাওয়ালকোটের আশপাশে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছে। এমনকি সেই সময়ে ব্যাংকিং, সড়ক যোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত ছিল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কিন্তু প্রশ্ন হলো–সেখানে বর্তমান পরিস্থিতি কী?

সম্প্রতি দ্য ডিপ্লোম্যাটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে সেখানকার বর্তমান পরিস্থিতি। পাকিস্তানভিত্তিক দ্য ডিপ্লোম্যাটের সংবাদদাতা কুনওয়ার খোলদুন শহীদের লেখা ‘পাকিস্তান’স কাশ্মীর ক্র্যাকডাউন’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়–পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক বাণিজ্যিক কেন্দ্র মুজাফফরাবাদের মদিনা মার্কেট কয়েক সপ্তাহের অস্থিরতার পর অবশেষে আবারও স্বাভাবিক বাণিজ্যিক কার্যক্রমে ফিরেছে।

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদে দৈনন্দিন জীবনও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। শহরটিতে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়, আইনসভা এবং কাগজে-কলমে এই অঞ্চলের স্বায়ত্তশাসনের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত অন্যান্য সরকারি ভবন রয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

একইভাবে অঞ্চলটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মিরপুরেও শহরের অভ্যন্তরীণ গণপরিবহন আবার চালু হয়েছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা পাকিস্তান ও ইসলামাবাদের ভাষায় ‘আজাদ’ বা ‘মুক্ত’ জম্মু ও কাশ্মীর নামে পরিচিত এই অঞ্চলের বিভিন্ন অংশের মধ্যে চলাচল করতে পারছেন।

তবে পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি এখনো দৃশ্যত আগের তুলনায় বেশি।

গত তিন মাসে পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরজুড়ে অন্তত ৮০ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় অঞ্চলটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২৭ জুলাই থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত।

ভোটের দিন অনিয়মের অভিযোগ এবং নির্বাচনের আগে ক্ষমতাকাঠামোর ঘনিষ্ঠ দলগুলোকে সুবিধা দেওয়ার জন্য নানা কারসাজির অভিযোগে নির্বাচনটি ব্যাপকভাবে বিতর্কিত হয়।

তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে জয় পায় পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)। দল দুটি ইসলামাবাদে ক্ষমতাসীন জোটেরও নেতৃত্ব দিচ্ছে।

দ্য ডিপ্লোম্যাটকে কোটলির স্কুলশিক্ষক তারিক রহমান বলেন, “নির্বাচনটি ছিল একটি প্রহসন। স্থানীয় মানুষের জন্য সত্যিকার অর্থে ভালো কিছু করতে চান, এমন কেউই নির্বাচনে অংশ নেননি। যখন সব ভোট একটি দল; অর্থাৎ, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষে যায়, তখন সেটিকে নির্বাচন বলা যায় না।”

কী হচ্ছে পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে? kashmir in pakistan

১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ ভাগের সময় তৎকালীন জম্মু-কাশ্মীর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। এরপর থেকেই পাকিস্তানের প্রভাবশালী সামরিক কাঠামো অঞ্চলটির ওপর ইচ্ছামতো নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে আসছে।

ভারত ও পাকিস্তান উভয়েই জম্মু ও কাশ্মীরের একটি করে অংশ নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু পুরো অঞ্চলের ওপরই নিজেদের কর্তৃত্ব দাবি করে। এ নিয়ে দেশ দুটি একাধিক যুদ্ধেও জড়িয়েছে।

২০১৯ সালের আগস্টে ভারত তার সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে। এর ফলে ভারত-শাসিত কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলুপ্ত হয়।

এরপর থেকে পাকিস্তান সরকারের বিভিন্ন সূত্র ও সামরিক কর্মকর্তারা দ্য ডিপ্লোম্যাটকে জানিয়েছেন, পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরকে পাকিস্তানের মূল প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর অর্থ দাঁড়ায়, অঞ্চলটিকে বিভক্তকারী নিয়ন্ত্রণরেখা বা লাইন অব কন্ট্রোলকে কার্যত একটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

এদিকে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তানের বর্তমান প্রদেশগুলোকে ভাগ করার দাবিও জোরালো হয়েছে। পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের মর্যাদা নিয়ে পাকিস্তানি রাষ্ট্র সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে গেলেও স্থানীয় বাসিন্দারা এক ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে আটকে আছেন। পাকিস্তানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আসলে কী, তা নিয়েও স্পষ্টতা নেই।

তারা কি আলাদা একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল, যা পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাশ্মীর বিরোধের যে স্বীকৃতি রয়েছে, তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ? নাকি তারা আসলে পাকিস্তানেরই একটি অংশ? এই প্রশ্ন স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নানা প্রকাশের মধ্যেও উঠে আসছে।

মুজাফফরাবাদভিত্তিক কারুশিল্পী মীর হামজা বলেন, “তারা যখন প্রয়োজন মনে করে, তখন আমাদের পাকিস্তানি হিসেবে পরিচয় দিতে চায়। আবার যখন প্রয়োজন মনে করে, তখন আমাদের কাশ্মীরি হিসেবে পরিচয় দেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক রক্তপাত দেখিয়ে দিয়েছে, তারা চায় আমরা তাদের ক্ষমতার খেলায় বন্দী হয়েই থাকি। নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আমাদেরও মতামত থাকা উচিত, এই দাবি করার জন্য কে মানুষকে হত্যা করে?”

সাম্প্রতিক বিক্ষোভে অংশ নেওয়া মীর হামজা নিরাপত্তা বাহিনীকে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালাতে দেখেছেন দাবি করে বলেন, “আমার ভাই (চাচাতো ভাই) এখনো রাওয়ালাকোটে আছে। আমরা আমাদের মৌলিক মানবাধিকার অর্জন না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে চাই।”

রাওয়ালাকোটে অবস্থান কর্মসূচি চলতে থাকায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ শহরটিকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। ওই অঞ্চলে সংবাদমাধ্যমের খবর সংগ্রহ ও প্রকাশেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্ষোভের খবর ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া যেকোনো সংবাদ কভার করার জন্য ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ (এনওসি) নেওয়া বাধ্যতামূলক করে আইন করা হয়েছে।

কাশ্মীরের স্বাধীনতাপন্থী নেতা ইয়াসিন ভারতীয় গোয়েন্দাদের এজেন্ট?Yasin_Malik

পাকিস্তানে অনেক আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের ওয়েবসাইটও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উর্দু ভাষার সংবাদমাধ্যম দৈনিক জেদ্দোজেহাদও রয়েছে। সাম্প্রতিক সরকারি দমন-পীড়নের সময় পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে নিহত ব্যক্তিদের বিষয়ে সংবাদমাধ্যমটি তথ্য নথিবদ্ধ করেছে।

জেদ্দোজেহাদের সম্পাদক ফারুক সুলেহরিয়া দ্য ডিপ্লোম্যাটকে বলেন, “নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যরা আমার বাড়িতে অভিযান চালিয়েছিল। আমি তখন বাড়িতে ছিলাম না। তারা আমার পরিবারের তিন সদস্যকে ধরে নিয়ে যায়। তারা আমার পরিবারকে বলেছিল, কাশ্মীর নিয়ে আমার লেখাগুলো রাষ্ট্রবিরোধী এবং আমাকে গ্রেপ্তার করাই ওই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল।”

তিনি আরও বলেন, “আমি তখন লন্ডনে ছিলাম, তাই সৌভাগ্যক্রমে গ্রেপ্তার এড়াতে পেরেছি। তবে এখন আর পাকিস্তানে ফিরতে পারছি না।”

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে ভিন্নমত দমিয়ে পুরোপুরি তথ্য নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অনেক সাংবাদিক ও অধিকারকর্মীকেও তলব করা হয়েছে।

সুলেহরিয়া বলেন, “এ ধরনের ঘটনা নজিরবিহীন। সহিংস দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষ যাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রতিবাদ জানাতে না পারে, রাষ্ট্র সেটিই নিশ্চিত করতে চাইছে। তারা একপেশে তথ্য ও প্রচারণা ছড়িয়ে দিতে চাইছে।”

স্থানীয় বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়নের অংশ হিসেবেই এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) নেতৃত্বে এই বিক্ষোভগুলো আরও জোরাল হয়েছে।

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে জেএএসি স্থানীয় বাসিন্দাদের নিজেদের সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণের অধিকারের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। বিদ্যুৎ ও নিত্যপণ্যের দাম থেকে শুরু করে শাসনব্যবস্থার সংস্কার পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয় তাদের দাবির তালিকায় রয়েছে।

জেএএসির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কারের দাবি ছিল মুহাজির বা ভারত-শাসিত কাশ্মীর থেকে আসা অভিবাসীদের জন্য আইনসভায় সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা বাতিল করা। বর্তমানে পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের আইনসভার ৫৩টি আসনের মধ্যে ১২টি এমন ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দ, যারা ওই অঞ্চলের বাইরে বসবাসও করতে পারেন।

জেএএসি সদস্য ও সমালোচকেরা দ্য ডিপ্লোম্যাটকে বলেন, এই ব্যবস্থা শুধু স্থানীয় মানুষের প্রতিনিধিত্ব কমিয়ে দেয় না, বরং এর মাধ্যমে সামরিক প্রতিষ্ঠানও রাজনীতিতে তাদের শক্ত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার সুযোগ পায়।

গত জুনে সর্বশেষ বিক্ষোভ শুরুর সময় দ্য জেএএসি-র কেন্দ্রীয় নেতা শওকত নওয়াজ মীর ডিপ্লোম্যাটকে বলেছিলেন “আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর শুধু আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষের দ্বারাই শাসিত হওয়া উচিত। ইউনিফর্ম পরা ব্যক্তিরা নয়, তাদের বেছে দেওয়া রাজনৈতিক দল নয়, কিংবা ক্ষমতাসীনদের নির্দেশ মেনে চলার জন্য সংরক্ষিত আসনে বসানো ব্যক্তিদের দ্বারাও নয়।”

এরপর মীরসহ জেএএসি-র আরও কয়েকজন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তাদের সম্পর্কে তথ্য দিলে অর্থ পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়ার পর সরকার তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনে। পাকিস্তান সরকার জেএএসিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে। সংগঠনটির অনেক কর্মীকে আটক করা হয়েছে, আবার অনেকে স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে চলে গেছেন।

কাশ্মীরে হামলার নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক তদন্ত চায় পাকিস্তানsharif

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের মানুষের মধ্যে জেএএসির উল্লেখযোগ্য সমর্থন থাকলেও সংগঠনটির সমালোচকও রয়েছেন। চকসোয়ারির রেস্তোরাঁ মালিক মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, “তারা কারা, আর কাদের হয়ে লড়ছে, আমি জানি না। কেউ কেউ বলে তারা ভারতীয় এজেন্ট। আমি শুধু জানি, সহিংসতা ও ইন্টারনেট বন্ধ থাকার কারণে আমার ব্যবসা ও অনেক ক্রেতা হারিয়েছি।”

মদিনা মার্কেট ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রাজা আবরার মোস্তফার মতে, শুরুতে অধিকাংশ ব্যবসায়ী জেএএসির দাবিগুলোকে সমর্থন করেছিলেন। তবে ধীরে ধীরে কিছু বিষয়ে কমিটির অবস্থান কঠোর হয়ে ওঠে।

রাজা আবরার বলেন, “জনগণের স্বার্থ ও অর্থনৈতিক বিভিন্ন ইস্যুতে আমরা তাদের সমর্থন করেছি। কিন্তু ব্যবসায়ীদের সাংবিধানিক বিষয়ে জড়িয়ে পড়া উচিত নয়।”

তবে জেএএসির পুরনো ও নতুন অনেক সমালোচক, এমনকি সরকারি ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও স্বীকার করেন, কমিটি যেসব দাবি সামনে এনেছিল, তার বেশির ভাগই স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মনোভাবের প্রতিফলন ছিল। যদিও কিছু বিষয় বিতর্কিত হতে পারে।

মিরপুরের পিএমএল-এন নেতা চৌধুরী মুহাম্মদ সাঈদ দ্য ডিপ্লোম্যাটকে বলেন, “কমিটির সব দাবিই মেনে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা সংরক্ষিত আসনের একটি দাবি নিয়েই পড়ে রইল। এতে এত অস্থিরতা তৈরি হলো! এতে স্থানীয় মানুষের কী লাভ হলো?”

সাম্প্রতিক নির্বাচনে মিরপুরের আসন হারানো সাঈদ বলেন, ভোটার উপস্থিতি কম ছিল, প্রায় ৫০ শতাংশ। সাধারণত তা প্রায় ৬০ শতাংশ থাকে। তবে এই পার্থক্য এতটা বড় নয় যে, এর ভিত্তিতে স্থানীয় জনগণ ও রাষ্ট্রের মধ্যে ব্যাপক সংঘাতের ধারণা পাওয়া যায়।

তিনি বলেন, “কিছু বিষয়ে মানুষ অসন্তুষ্ট। হ্যাঁ, আজাদ কাশ্মীরে কিছু রাজনৈতিক সংস্কার প্রয়োজন। কিন্তু এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো অর্থনৈতিক সংস্কার। আর্থিক স্থিতিশীলতা থাকলে এমন বিক্ষোভের প্রয়োজন হতো না।”

তবুও যারা ‘অসন্তুষ্ট’, তাদের অনেকেই এসব বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিতে পারছেন না। রাষ্ট্রের অনেক সমালোচক এখন কারাগারে, কেউ নির্বাসনে, আবার কেউ নিখোঁজ।

বিষয়: পাকিস্তানইন্টারনেটসংঘর্ষযোগাযোগনির্বাচনকাশ্মীর
সর্বশেষ
  • ১

    বাড্ডায় ‘চাঁদা’ না দেওয়ায় ঘরে ঢুকে যুবককে গুলি

  • ২

    বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনা, নিহত ৪

  • ৩

    ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলনের প্রথম দিনে যা বললেন বিশ্ব নেতারা

  • ৪

    সকালে রাজধানীতে বৃষ্টি, কেমন যাবে সারা দিন

  • ৫

    পদ্মায় নৌকাডুবি, বিএসএফের হাতে উদ্ধার ১০ বাংলাদেশি

সম্পর্কিত
  • দুই বছরে ৩ সরকার, রূপালী ব্যাংকের পর্ষদে বদলও ৩ বার

    দুই বছরে ৩ সরকার, রূপালী ব্যাংকের পর্ষদে বদলও ৩ বার

    সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তন আনার যে ধারা তৈরি হয়েছে, রূপালী ব্যাংকেও তার অন্যথা হয়নি। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন কাজী সানাউল হক। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টেই তিনি পদ ছাড়েন। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে চেয়ারম্যানের

  • এবারের ব্রিকস সম্মেলন ঐক্যের মাইলফলক হতে পারে

    এবারের ব্রিকস সম্মেলন ঐক্যের মাইলফলক হতে পারে

    নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে সম্মেলন ঘিরে ভারতের এবারের প্রকাশ্য আয়োজন তিন বছর আগে জি-২০ সম্মেলনের সময়ের মতো জাঁকজমকপূর্ণ নয়। আয়োজন সাদামাটা হলেও সম্মেলনটির গুরুত্ব কমে যায়নি।

  • হুতিরা কি লোহিত সাগর বন্ধ করে দিতে পারে?

    হুতিরা কি লোহিত সাগর বন্ধ করে দিতে পারে?

    গত ২৪ ঘণ্টায় সৌদি বাহিনী মোখাসহ হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ডজন ডজন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তবে তা তাদের অগ্রযাত্রা থামাতে পারেনি। সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা চুক্তিও হুতিদের বিরুদ্ধে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ওয়াশিংটন থেকেও সরাসরি সহায়তা

  • টিএনএজারদের শেখার ক্ষমতা কি কমে যাচ্ছে?

    টিএনএজারদের শেখার ক্ষমতা কি কমে যাচ্ছে?

    প্রতি তিন বছর পরপর বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর সংগঠন হিসেবে পরিচিত অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (ওইসিডি) বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে।