
বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় ক্ষমতায় থাকতে অনেক নেতা-নেত্রী জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম নিয়ত তার গুণকীর্তনে ব্যস্ত থাকে, দলীয় নেতা-কর্মীরাও তাকে মহামানবের আসনে বসান। কিন্তু ক্ষমতার বাইরে থেকে যারা বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেন, তিনিই প্রকৃত জনপ্রিয় নেতা বা নেত্রীর শিরোপা পান।

ইউরোপ আজই যুদ্ধ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিতে পারে না। কিন্তু এটি মহাদেশে টেকসই নিরাপত্তার শর্ত তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে পারে। আর যদি তোষামোদ প্রয়োজন হয়, ইউরোপ ট্রাম্পকে আশ্বাস দিতে পারে যে শান্তির দিন এলে, এটি আনন্দের সঙ্গে তাকে একটি স্মারক, একটি চত্বর, বা উজ্জ্বল, সোনালী পুরস্কার উৎসর্গ করবে।

এক সময়ের মজলুম জনগোষ্ঠীর জালিম হয়ে যাওয়ার বহু উদাহরণ আছে। সাতচল্লিশের আগে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমানেরা ছিল সংখ্যালঘু মজলুম। দেশ বিভাগের পর পাকিস্তানে সেই মুসলমানেরাই জুলুমবাজ হয়ে ওঠে।

মানুষের জীবনে টের পাওয়া যায় এমন পরিবর্তন আনতে অনেক বড় আলোচনার প্রয়োজন নেই। দরকার একটু সদিচ্ছার। সেটা যেমন দরকার সরকারের পক্ষ থেকে, তেমনি দরকার রাজনৈতিক দলগুলোর তরফেও। ৫ আগস্টের পর পুরোনো সিন্ডিকেটের লোকজন সটকে পড়েছিল। তাই টেম্পো ভাড়া থেকে শুরু করে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম সবই কমেছিল এক রকম হঠাৎ করেই।

নিজেকে নিরপরাধ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টায় শেখ হাসিনা সফল হবেন সে সম্ভাবনা খুবই কম। ২০২৪ সালের জুলাই আগস্টে কী হয়েছিল, তার সরকারের এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা কি ছিল– তার অনেক সাক্ষ্য-প্রমাণ, ছবি-ফুটেজ এমনকি সাধারণ মানুষের কাছেও রয়েছে। জাতিসংঘের তদন্তেও তা প্রমাণিত হয়েছে।

আহমদ ছফার পর্যবেক্ষণ বনাম বর্তমান
রাজনীতিকে যেভাবে দুর্নীতিপরায়ণ করা হয়েছে এবং এন্তার অনৈতিক ভিত্তি দেওয়া হয়েছে, ঠিক সেভাবেই এই দেশটার অর্থনীতিও হয়ে উঠেছে লুটপাটতন্ত্রের আখড়া। চুরি বা ডাকাতি বা দুর্নীতিকে নৈতিক ভিত্তি দেওয়া হয়েছে এ দেশে। ঠিক এমন পরিস্থিতিতেই এই দেশের সমাজব্যবস্থাটিতেও কেমন যেন দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে

আহমদ ছফার পর্যবেক্ষণ বনাম বর্তমান
জন্মের পর থেকেই বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আসলে এক দুষ্টচক্রের মধ্যে ঘুরপাক খেয়ে যাচ্ছে কেবল। এই ঘুরপাকের শেষের কোনো শুরু আর দেখা যাচ্ছে না আদতে। ফলে এই লেখার শিরোনামে করা প্রশ্নের উত্তর জনসাধারণে খুঁজলে হয়তো একটি উত্তরই মিলবে। সেটি হলো—বিপথে!

পর্ব–৫
এই সবকিছুর মানে হলো, ইসরায়েলের একটি উগ্র সরকার ফিলিস্তিনি জনগণের উপর সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য একটি সম্পূর্ণরূপে অবৈধ, পাশবিক এবং অনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি গণহত্যা চালাচ্ছে।

পর্ব–৪
আমরা সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিটি পদক্ষেপকে সবচেয়ে বেশি পশ্চিমা-বিরোধী হিসেবে ব্যাখ্যা করি, কারণ আমরা সত্যের দিকে তাকাতে ভয় পাই। সত্য হলো, আমরা (পশ্চিমারা) মূলত রাশিয়ার সঙ্গে জোট করার একটি সুযোগ প্রত্যাখ্যান করেছিলাম।

পর্ব–৩
ইউরোপ দুই বা তিন দিন পর পর রাশিয়ার ভয়ে জড়োসড়ো হয় এবং টেবিলের চারপাশে বসা এই বোকারা রুশদের সঙ্গে কোনো কথাই বলে না। আর এই বোকাদের ধারনা আমেরিকা তাদের এই আগুন থেকে উদ্ধার করবে এবং রুশ ভালুকের হাত থেকে রক্ষা করবে।

পর্ব–২
আমার মনে হয়, স্নায়ুযুদ্ধ সম্পর্কে অনেকেই যা বোঝেন না তা হলো, এটি শেষ পর্যন্ত ইউরোপের জন্য একটি সংগ্রাম ছিল। এটি ছিল দুটি পরাশক্তির, অর্থাৎ আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে ইউরোপ সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন মতাদর্শগত দৃষ্টিভঙ্গির একটি প্রতিযোগিতা।
পর্ব-১
আমরা পশ্চিমে একটি বোকাদের স্বর্গে বাস করি। যদি আপনি আমেরিকার (প্রায় ৩৪ কোটি), ইউরোপীয় ইউনিয়নের ও যুক্তরাজ্যের জনসংখ্যা যোগ করেন, তাহলে এই উত্তর আটলান্টিক বিশ্বের মোট জনসংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৯০ কোটি।

‘বুদ্ধিজীবীরা যা বলতেন, শুনলে বাংলাদেশ স্বাধীন হত না। এখন যা বলছেন, শুনলে বাংলাদেশের সমাজ–কাঠামোর আমূল পরিবর্তন হবে না।’ প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে সদ্য জন্ম নেওয়া একটি দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক বিন্যাস নিয়ে লিখতে বসে শুরুতেই এমন মন্তব্য করেছিলেন আহমদ ছফা

বেইজিংয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনটি একটি নজরকাড়া সামরিক কুচকাওয়াজ এবং একাধিক উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক প্রস্তাবের সাক্ষী। বিশ্বজুড়ে অনেকেই এই ঘটনাকে আমেরিকার আধিপত্য থেকে একটি নতুন চীনা শতকের রূপান্তরের আরেকটি প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।

বেইজিংয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনটি একটি নজরকাড়া সামরিক কুচকাওয়াজ এবং একাধিক উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক প্রস্তাবের সাক্ষী। বিশ্বজুড়ে অনেকেই এই ঘটনাকে আমেরিকার আধিপত্য থেকে একটি নতুন চীনা শতকের রূপান্তরের আরেকটি প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।

গত কয়েক শ বছর বছর ধরে পশ্চিমাদের চশমায় গণতন্ত্রকে সাধারণত একটি সার্বজনীন রাজনৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে দেখার অভ্যাস হয়ে গেছে। এটা অবশ্য পশ্চিমারা মানতে চায় না। তারা একই মাপের জামা সবার গায়ে পরাতে চায়।

গত কয়েক শ বছর বছর ধরে পশ্চিমাদের চশমায় গণতন্ত্রকে সাধারণত একটি সার্বজনীন রাজনৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে দেখার অভ্যাস হয়ে গেছে। এটা অবশ্য পশ্চিমারা মানতে চায় না। তারা একই মাপের জামা সবার গায়ে পরাতে চায়।