
পর্ব–৪
আমরা সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিটি পদক্ষেপকে সবচেয়ে বেশি পশ্চিমা-বিরোধী হিসেবে ব্যাখ্যা করি, কারণ আমরা সত্যের দিকে তাকাতে ভয় পাই। সত্য হলো, আমরা (পশ্চিমারা) মূলত রাশিয়ার সঙ্গে জোট করার একটি সুযোগ প্রত্যাখ্যান করেছিলাম।

পর্ব–৩
ইউরোপ দুই বা তিন দিন পর পর রাশিয়ার ভয়ে জড়োসড়ো হয় এবং টেবিলের চারপাশে বসা এই বোকারা রুশদের সঙ্গে কোনো কথাই বলে না। আর এই বোকাদের ধারনা আমেরিকা তাদের এই আগুন থেকে উদ্ধার করবে এবং রুশ ভালুকের হাত থেকে রক্ষা করবে।

পর্ব–২
আমার মনে হয়, স্নায়ুযুদ্ধ সম্পর্কে অনেকেই যা বোঝেন না তা হলো, এটি শেষ পর্যন্ত ইউরোপের জন্য একটি সংগ্রাম ছিল। এটি ছিল দুটি পরাশক্তির, অর্থাৎ আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে ইউরোপ সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন মতাদর্শগত দৃষ্টিভঙ্গির একটি প্রতিযোগিতা।
পর্ব-১
আমরা পশ্চিমে একটি বোকাদের স্বর্গে বাস করি। যদি আপনি আমেরিকার (প্রায় ৩৪ কোটি), ইউরোপীয় ইউনিয়নের ও যুক্তরাজ্যের জনসংখ্যা যোগ করেন, তাহলে এই উত্তর আটলান্টিক বিশ্বের মোট জনসংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৯০ কোটি।

‘বুদ্ধিজীবীরা যা বলতেন, শুনলে বাংলাদেশ স্বাধীন হত না। এখন যা বলছেন, শুনলে বাংলাদেশের সমাজ–কাঠামোর আমূল পরিবর্তন হবে না।’ প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে সদ্য জন্ম নেওয়া একটি দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক বিন্যাস নিয়ে লিখতে বসে শুরুতেই এমন মন্তব্য করেছিলেন আহমদ ছফা

বেইজিংয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনটি একটি নজরকাড়া সামরিক কুচকাওয়াজ এবং একাধিক উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক প্রস্তাবের সাক্ষী। বিশ্বজুড়ে অনেকেই এই ঘটনাকে আমেরিকার আধিপত্য থেকে একটি নতুন চীনা শতকের রূপান্তরের আরেকটি প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।

গত কয়েক শ বছর বছর ধরে পশ্চিমাদের চশমায় গণতন্ত্রকে সাধারণত একটি সার্বজনীন রাজনৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে দেখার অভ্যাস হয়ে গেছে। এটা অবশ্য পশ্চিমারা মানতে চায় না। তারা একই মাপের জামা সবার গায়ে পরাতে চায়।