
বাস্তবতা হলো, অনেক জনপ্রিয় পণ্যের ভেতরে থাকা কিছু উপাদান দীর্ঘমেয়াদে ত্বক, চুল এমনকি পুরো শরীরের জন্য ভয়ানক ক্ষতির কারণ হতে পারে। দীর্ঘদিন ব্যবহারে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট, ত্বকের অ্যালার্জি, এমনকি প্রজনন স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা আছে।

শায়রুল কবির খান বলেন, ‘‘গণমাধ্যমের কাছে অনুরোধ করা হলো, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের বক্তব্য ছাড়া কেউ অন্য কোনো সূত্র বা কারো বক্তব্য ব্যবহার করবেন না।’’

গবেষক দলের একজন দিল্লির এইমসের ডা. অশোক শর্মা সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন, ইউরেনিয়ামের মাত্রা অনুমোদিত সীমার নিচে থাকায় মা ও শিশু উভয়ের ওপর এর প্রকৃত স্বাস্থ্যগত প্রভাব ন্যূনতম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মানসিক দুর্বলতা আপনার লক্ষ্য অর্জনে বাধা তৈরি করতে পারে। সেইসঙ্গে একজন ব্যক্তি হিসেবে সমৃদ্ধ হয়ে ওঠা থেকে বিরত রাখতে পারে। আপনি যদি আসলেই দৃঢ় মানুষ হন তাহলে সেটি খুবই ভালো। কিন্তু মানসিকভাবে দুর্বল যদি হন তাহলে নিজেকে চিনুন এবং নিজের ক্ষতির কারণ হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

ঠান্ডা ভাতে প্রচুর ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। যা গরম করলেও মরে না, বরং গরম করলে ক্ষতি আরও বেশি হতে পারে। এই ভাত খেয়ে যে অসুখ হয় তাকে ফ্রায়েড রাইস সিনড্রোম বলে।

দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা থেকে মেটাবলিক ডিসফাংশন, স্থূলতা এবং টাইপ-টু ডায়াবেটিস হতে পারে।

চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী 'অ্যানালস অফ ইন্টারনাল মেডিসিন'-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় বলা হয়, গরম চা খাদ্যনালীর কোষগুলোকে ক্ষতি করতে পারে এবং চায়ের পাশাপাশি ধূমপান এই ঝুঁকি দ্বিগুণ করে। সময়ের সাথে সাথে, এই অভ্যাসটি ক্যানসারের কারণ হতে পারে।

দিনের শুরুটা অনেকেই চা পানের মাধ্যমে করেন। কেউ খালি পেটে, কেউ আবার নাশতার সময় পান করি। পুষ্টিবিদদের মতে, চায়ের অনেক উপকারী গুণাগুণ রয়েছে। কিন্তু খালি পেটে চা কি আদৌ স্বাস্থ্যকর? কী কী হতে পারে খালি পেটে চা খেলে?

কখনো কি মনে প্রশ্ন জেগেছে, কেন এই ফ্লাশে দুটো বাটন থাকে? এগুলোর কাজই বা কী? অনেকে না জেনে দুটো বাটনই ক্লিক করেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভয় মানুষের টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য প্রতিক্রিয়া। অ্যামিগডালা ধ্বংস হলে মানুষ দ্রুত মারা যায়, কারণ তারা বিপদ চিনতে পারে না।

ব্যস্ত শহরে প্রায়ই আমাদের পাবলিক টয়লেট ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। কিন্তু পাবলিক টয়লেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি সাধারণ সমস্যা হলো, জীবাণুর ভয়। অপরিচ্ছন্ন হলেও পাবলিক টয়লেটে হয়তো ঢুকতেই হলো। কী করবেন তখন? এটি ঝুঁকিপূর্ণ কতটা?

দেশজুড়ে বাড়ছে তাপমাত্রা। এই গরমে ফ্যান বা এসি বন্ধ করে এক মুহূর্তও থাকা যাচ্ছে না। এই সময় অনেকেরই অভ্যাস থাকে সিলিং ফ্যান বা টেবিল ফ্যানের নিচে মাথা দিয়ে ঘুমানোর।