
সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?
গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সিনিয়র সিটিজেন সপ্তাহ। সারা বিশ্ব ব্যাপী এটা পালিত হয় প্রবীণ নাগরিকদের সন্মান জানিয়ে। সেই উপলক্ষে প্রবীণ নাগরিকদের সবাইকে জানাই ‘সিনিয়র সিটিজেন’ সপ্তাহের শুভেচ্ছা!
স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বক ও চুল আমাদের সবার কাম্য। এই আশা আমাদের প্রতিদিন ত্বক ও চুলের যত্নের অসংখ্য পণ্যের দিকে টেনে নেয়। বিজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘প্রাকৃতিক’, ‘ডার্মাটোলজিস্ট টেস্টেড’, ‘কেমিক্যাল-ফ্রি’। কিন্তু বাস্তবতা হলো, অনেক জনপ্রিয় পণ্যের ভেতরে থাকা কিছু উপাদান দীর্ঘমেয়াদে ত্বক, চুল এমনকি পুরো শরীরের জন্য ভয়ানক ক্ষতির কারণ হতে পারে। ক্ষতিটা হয় ধীরে ধীরে। কীভাবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক-
প্যারাবেন
প্যারাবেন ব্যবহার হয় পণ্য সংরক্ষণের জন্য। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, প্যারাবেন শরীরে ঢুকে এন্ডোক্রাইন সিস্টেমে (হরমোন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা) ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। দীর্ঘদিন ব্যবহারে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট, ত্বকের অ্যালার্জি, এমনকি প্রজনন স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা আছে। ‘মিথাইলপ্যারাবেন’, ‘প্রোপাইলপ্যারাবেন’ লেবেলে এই নামগুলো দেখলে সতর্ক হোন।
সালফেট
শ্যাম্পু ও ফেসওয়াশে থাকা SLS/SLES (সোডিয়াম লরিল/লরেথ সালফেট) ত্বক-চুল পরিষ্কার করলেও প্রাকৃতিক তেল সম্পূর্ণ তুলে নেয়। ফলাফল চুল শুষ্ক, ভঙ্গুর, স্ক্যাল্পে চুলকানি ও খুশকি; ত্বকে শুষ্কতা ও জ্বালাপোড়া। সংবেদনশীল ত্বকে এটি একজিমা বা ডার্মাটাইটিস বাড়াতে পারে।
থ্যালেট
ফ্র্যাগরেন্স বা সুগন্ধি দীর্ঘস্থায়ী করতে থ্যালেট ব্যবহার হয়। লেবেলে অনেক সময় আলাদা করে লেখা থাকে না। ‘ফ্র্যাগরেন্স’ বা ‘পারফিউম’ নামেই লুকিয়ে থাকে। থ্যালেট হরমোনের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত করে, দীর্ঘমেয়াদে নারী ও পুরুষের প্রজনন স্বাস্থ্য ও শিশুদের মানসিক বিকাশগত সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
ফর্মালডিহাইড রিলিজার
কিছু হেয়ার স্ট্রেইটেনিং, নেইল পলিশ বা শ্যাম্পুতে এমন উপাদান থাকে যা ধীরে ধীরে ফর্মালডিহাইড ছাড়ে। এটি শ্বাসতন্ত্রে জ্বালা, ত্বকের অ্যালার্জি এবং দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারের ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত বলে ধরা হয়। ‘DMDM Hydantoin’, ‘Quaternium-15’-এই নামগুলো সতর্ক সংকেত।
সিলিকন
চুলে তাৎক্ষণিক মসৃণতা আনতে ডাইমেথিকন বা অন্যান্য সিলিকন ব্যবহার হয়। সমস্যা হলো, এগুলো চুলের ওপর স্তর তৈরি করে পুষ্টি ঢুকতে দেয় না। ফলে ভেতরে ভেতরে চুল দুর্বল হয়, চুল পড়া বাড়তে পারে। অনেক ফেস ক্রিমে সিলিকন ব্যবহার করা হয়। এতে ত্বকের রোমকূপ বন্ধ হয়ে ব্রণ বাড়ার আশঙ্কা থাকে।
অ্যালকোহল
সব অ্যালকোহল খারাপ নয়। কিন্তু ডিন্যাচার্ড অ্যালকোহল ত্বক দ্রুত শুষ্ক করে। টোনার বা হেয়ার স্প্রে-তে বেশি থাকলে ত্বকের প্রাকৃতিক ব্যারিয়ার নষ্ট হয়, সংবেদনশীলতা ও লালচে ভাব বাড়ে।

কৃত্রিম রং
শ্যাম্পু, লিপস্টিক, হেয়ার ডাইয়ে ব্যবহৃত কৃত্রিম রং ত্বকে র্যাশ, চুলকানি এমনকি চোখে জ্বালা সৃষ্টি করতে পারে। হেয়ার ডাইয়ে থাকা PPD (প্যারাফেনাইলেনডায়ামিন) তীব্র অ্যালার্জির জন্য কুখ্যাত।
মাইক্রোপ্লাস্টিক
স্ক্রাব বা টুথপেস্টে থাকা ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা ত্বকের ক্ষতি করার পাশাপাশি পরিবেশে গিয়ে দীর্ঘস্থায়ী দূষণ তৈরি করে। এগুলো শরীরেও জমতে পারে, সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত কিছু গবেষণায় এমন আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে।
তাহলে নিরাপদ থাকবেন কীভাবে?
ত্বক ও চুলের যত্ন মানেই অন্ধভাবে পণ্য ব্যবহার নয়। চকচকে বিজ্ঞাপনের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ক্ষতিকর উপাদানগুলো দীর্ঘদিনে আমাদের শরীরের ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। সচেতনভাবে ব্যবহারই পারে এই ক্ষতি থেকে আমাদের রক্ষা করতে।
তথ্যসূত্র: ফরচুন, আর্থরাগা
সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
রিয়াদ বিমানবন্দরে শনিবারের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৪ বাংলাদেশি আহত
সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে আবার হামলা, টার্মিনালে আগুন
রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের, বিস্মিত জেলেনস্কি
ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?
গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সিনিয়র সিটিজেন সপ্তাহ। সারা বিশ্ব ব্যাপী এটা পালিত হয় প্রবীণ নাগরিকদের সন্মান জানিয়ে। সেই উপলক্ষে প্রবীণ নাগরিকদের সবাইকে জানাই ‘সিনিয়র সিটিজেন’ সপ্তাহের শুভেচ্ছা!

সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?
ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, সম্রাট শাহজাহানের হেঁশেলেই আজকের মাটন বিরিয়ানির আদি রূপ রান্না হতো। আর এর প্রমাণ মেলে ওই আমলের কুকবুক ‘নুশখা-ই-শাহজাহানি’তে। ‘নি’মতনামা-ই-নাসির শাহি’, ‘আইন-ই-আকবরি’তেও অনেক খাবারের উল্লেখ থাকলেও ‘বিরিয়ানি’ পাওয়া যায় না।

শিশুর ডেঙ্গু হলে করণীয় কী?
অনেক অভিভাবক শুরুতে জ্বরকে সাধারণ ভাইরাল জ্বর মনে করে বাড়িতেই চিকিৎসা চালিয়ে যান। কিন্তু ডেঙ্গুতে দেরিতে চিকিৎসা শুরু হলে ঝুঁকি বেড়ে যায়, বিশেষ করে প্লাটিলেট কমে গেলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।

কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?
নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।