
শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেওয়া এর প্রধান কাজ। যখন লিভার সঠিক উপায়ে কাজ করতে পারে না, তখন রক্তে টক্সিনের মাত্রা বেড়ে যায়।

ত্বকের সৌন্দর্য নিয়ে নারী-পুরুষ উভয়ই বেশ যত্নশীল। বিশেষ করে নারীরা বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকেন। তবে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে প্রসাধনীর চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার।

অতিরিক্ত কৃত্রিম উপাদান ব্যবহারের ফলে ত্বক তার নিজস্ব রক্ষণাবেক্ষণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। স্কিন ফাস্টিংয়ের মাধ্যমে ত্বককে আবার 'রিসেট' হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। কীভাবে করে এটি?

বাস্তবতা হলো, অনেক জনপ্রিয় পণ্যের ভেতরে থাকা কিছু উপাদান দীর্ঘমেয়াদে ত্বক, চুল এমনকি পুরো শরীরের জন্য ভয়ানক ক্ষতির কারণ হতে পারে। দীর্ঘদিন ব্যবহারে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট, ত্বকের অ্যালার্জি, এমনকি প্রজনন স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা আছে।

পুষ্টিহীনতার এসব লক্ষণ যদি নিয়মিত দেখা দেয়, তবে খাদ্যাভ্যাসে নজর দেওয়া জরুরি। প্রতিদিন ফল, শাকসবজি, আমিষ, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও যথেষ্ট পানি রাখলে ধীরে ধীরে শরীর তার ভারসাম্য ফিরে পায়।

রোজ খালি পেটে মাত্র দুটি খেজুর অতি সাধারণ একটি অভ্যাস, কিন্তু উপকার অনেক। নিয়মিত এই ছোট্ট অভ্যাসটি শরীরকে ভেতর থেকে এমনভাবে সক্রিয় করে, যা সারাদিনের কর্মক্ষমতা, হজম, ত্বক ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে ভালোভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

শীত আসার আগে এই সময় তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা কম থাকা এবং তীব্র বাতাস আপনার ত্বকের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে, যার ফলে শুষ্কতা, জ্বালাপোড়া এবং অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই শীত এলেই নয়- শীত আসার কমপক্ষে দুই থেকে তিন সপ্তাহ আগে ত্বকের যত্নের রুটিন বদলে নেওয়া জরুরি।

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ড. প্যাট্রিক জিটো বলেন, “এই ধরনের আঁচিল দেখতে নিরীহ মনে হলেও অনেক সময় এর নিচে ক্যানসারের কোষ তৈরি হয়। তাই এমন কিছু দেখা গেলে পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।”

ক্রিম আর লোশন এক নয়? এই দুটোর মধ্যে রয়েছে কিছু পার্থক্য। চলুন জেনে নিই, ক্রিম ও লোশনের মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়।

ত্বকের যত্নের জন্য আমরা নানারকম প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকি। কখনও বুঝে, কখনও আবার না বুঝেই। এই যেমন, অনেকেই আমরা নানা রকম ক্রিম ও লোশন কিনে ফেলি। কিন্তু জানেন কি, ক্রিম আর লোশন এক নয়? এই দুটোর মধ্যে রয়েছে কিছু পার্থক্য। চলুন জেনে নিই, ক্রিম ও লোশনের মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়।