
টিনিটাস কী, কেন হয়
তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়, ফলে ত্বক স্বাভাবিকভাবেই শুষ্ক ও প্রাণহীন হয়ে পড়ে। এই সমস্যা সমাধানে আমরা অনেকেই নানারকম সিরাম, টোনার, ময়েশ্চারাইজার এবং লোশনের স্তূপ সাজিয়ে বসি। কিন্তু মাঝেমধ্যে ত্বকের ওপর এই প্রসাধনীর বোঝা কমিয়ে দেওয়াটাই হতে পারে আপনার ত্বকের জন্য সবচেয়ে উপকারী। 'বোঝা কমানো'র প্রক্রিয়াকেই বলা হয় 'ত্বকের উপোস' বা 'স্কিন ফাস্টিং' ।
ত্বকের উপোস বা স্কিন ফাস্টিং কী?
সহজ কথায়, ত্বকের উপোস হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সব ধরনের বা অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্টযুক্ত স্কিনকেয়ার পণ্য ও মেকআপ ব্যবহার বন্ধ রাখা। আমরা যেমন শরীরকে ডিটক্স করার জন্য উপোস করি, তেমনি ত্বককেও তার নিজস্ব প্রাকৃতিক তেল (সিবাম) এবং স্বাভাবিক মেরামত (ব্যারিয়ার রিপেয়ার) ক্ষমতা ফিরে পেতে সময় দেওয়ার প্রক্রিয়া এটি।
জাপানি বিউটি ব্র্যান্ড 'মিরাই ক্লিনিক্যাল' এই ধারণাটি জনপ্রিয় করে তোলে। তাদের মতে, অতিরিক্ত কৃত্রিম উপাদান ব্যবহারের ফলে ত্বক তার নিজস্ব রক্ষণাবেক্ষণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। স্কিন ফাস্টিংয়ের মাধ্যমে ত্বককে আবার রিসেট হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
শীতকালে ত্বকের উপোস কেন জরুরি?
শীতকালে ত্বকের যত্ন নেওয়া যতটা প্রয়োজন, ভুল যত্নে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা ততটাই থাকে। কেন শীতকালে এটি উপকারে আসতে পারে, তা নিচে আলোচনা করা হলো:
প্রাকৃতিক তেলের ভারসাম্য রক্ষা
শীতের শুষ্কতায় আমরা ঘন ঘন ভারী ক্রিম বা অয়েল ব্যবহার করি। এতে অনেক সময় ত্বকের লোমকূপ বন্ধ হয়ে যায়। কয়েক দিন এসব পণ্য থেকে বিরতি নিলে ত্বক নিজে থেকেই প্রয়োজনীয় সিবাম তৈরি করতে শুরু করে, যা ত্বককে ভেতর থেকে আর্দ্র রাখে।
ত্বকের সংবেদনশীলতা কমানো
শীতকালে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে ত্বক এমনিতেই সংবেদনশীল থাকে। এর ওপর বিভিন্ন রাসায়নিকযুক্ত পণ্য ব্যবহার করলে ত্বকে লালচে ভাব বা জ্বালাপোড়া হতে পারে। স্কিন ফাস্টিং ত্বককে প্রশান্তি দেয় এবং এর প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা স্তর বা স্কিন ব্যারিয়ার মজবুত করে।
পণ্যের কার্যকারিতা বোঝা
আমরা একসাথে অনেক পণ্য ব্যবহার করি বলে বুঝতে পারি না কোন পণ্যটি আসলে কাজ করছে, আর কোনটি ত্বকের ক্ষতি করছে। শীতের এক-দুই দিন বিরতি দিলে বোঝা যায় আপনার ত্বকের আসল ধরনটি এখন কেমন এবং তার ঠিক কী প্রয়োজন।
কীভাবে করবেন ত্বকের উপোস?
ত্বকের উপোস মানেই যে সব ছেড়ে দিতে হবে, তা নয়। এটি করার নিয়ম আছে:
মনে রাখা জরুরি
সবার ত্বকের ধরন এক নয়। যাদের প্রচণ্ড শুষ্ক ত্বক বা একজিমা ও সোরিয়াসিসের মতো সমস্যা আছে, তাদের জন্য পুরোপুরি স্কিন ফাস্টিং ক্ষতিকর হতে পারে। সেক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া শ্রেয়।
ত্বকের ওপর প্রসাধনীর কৃত্রিম স্তর কমিয়ে তাকে একটু শ্বাস নিতে দিন। শীতের এই শুষ্কতাকে জয় করতে মাঝেমধ্যে 'ত্বকের উপোস' হতে পারে আপনার উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বকের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
তথ্যসূত্র: হেলথলাইন, হিন্দুস্তান টাইমস

তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

বালিশের মূল কাজ হলো মেরুদণ্ডকে স্বাভাবিক বা সোজা অবস্থায় রাখা। এটি ঘাড়কে শরীরের বাকি অংশের সাথে একই লাইনে রাখে, যা সঠিক শারীরিক ভঙ্গিমা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

অটোনমিক নিউরোপ্যাথির পেছনে রয়েছে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত জটিলতা ও রোগের ইতিহাস।

একবেলা খাবার খাওয়ার অন্যান্য উপকারিতার মধ্যে রয়েছে—হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো, রক্তের শর্করার মাত্রা হ্রাস করা এবং শরীরের ইনফ্ল্যামেশন কমানোর সম্ভাবনা।