চরচা ডেস্ক

ত্বকের যত্নের জন্য আমরা নানারকম প্রসাধনী ব্যবহার করি। কখনো বুঝে, কখনো আবার না বুঝেই। এই যেমন, অনেকেই আমরা নানা রকম ক্রিম ও লোশন কিনে ফেলি। কিন্তু জানেন কি, ক্রিম আর লোশন এক নয়? এই দুটোর মধ্যে রয়েছে কিছু পার্থক্য। চলুন জেনে নিই, ক্রিম ও লোশনের মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়।
ক্রিম ও লোশনের কাজ করার পদ্ধতি একেবারেই আলাদা।
লোশন ক্রিমের চেয়ে অনেকটাই হালকা। লোশনে পানির পরিমাণ বেশি মাত্রায় থাকে। এটি হয় ওয়াটার বেসড। অন্যদিকে, ক্রিম লোশনের তুলনায় অনেকটাই ভারী হয় এবং এতে তেলের মাত্রা বেশি থাকে এবং পানির মাত্রা থাকে কম।
লোশনে পানির পরিমাণ বেশি থাকায় এটা তরল আকারের হয় এবং ব্যবহার করা সুবিধাজনক। অন্যদিকে ক্রিম বেশ ঘন হয়।
ক্রিম বা লোশন যাই ব্যবহার করুন না কেন আগে নিজের ত্বকের ধরন বুঝে নিন। অর্থাৎ ত্বক শুষ্ক বা তৈলাক্ত হলে কিংবা মিক্সড হলে সেটা বুঝেই লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করা উচিত।
আপনার ত্বক যদি খুব শুষ্ক হয়, তাহলে অয়েল বেসড ক্রিম ব্যবহার করুন। এক্ষেত্রে লোশন এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। অন্যদিকে, যদি আপনার ত্বক তৈলাক্ত হয় বা মিশ্র হয়, তাহলে নিশ্চিন্তে লোশন মাখুন।
তথ্যসূত্র: হেলথলাইন

ত্বকের যত্নের জন্য আমরা নানারকম প্রসাধনী ব্যবহার করি। কখনো বুঝে, কখনো আবার না বুঝেই। এই যেমন, অনেকেই আমরা নানা রকম ক্রিম ও লোশন কিনে ফেলি। কিন্তু জানেন কি, ক্রিম আর লোশন এক নয়? এই দুটোর মধ্যে রয়েছে কিছু পার্থক্য। চলুন জেনে নিই, ক্রিম ও লোশনের মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়।
ক্রিম ও লোশনের কাজ করার পদ্ধতি একেবারেই আলাদা।
লোশন ক্রিমের চেয়ে অনেকটাই হালকা। লোশনে পানির পরিমাণ বেশি মাত্রায় থাকে। এটি হয় ওয়াটার বেসড। অন্যদিকে, ক্রিম লোশনের তুলনায় অনেকটাই ভারী হয় এবং এতে তেলের মাত্রা বেশি থাকে এবং পানির মাত্রা থাকে কম।
লোশনে পানির পরিমাণ বেশি থাকায় এটা তরল আকারের হয় এবং ব্যবহার করা সুবিধাজনক। অন্যদিকে ক্রিম বেশ ঘন হয়।
ক্রিম বা লোশন যাই ব্যবহার করুন না কেন আগে নিজের ত্বকের ধরন বুঝে নিন। অর্থাৎ ত্বক শুষ্ক বা তৈলাক্ত হলে কিংবা মিক্সড হলে সেটা বুঝেই লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করা উচিত।
আপনার ত্বক যদি খুব শুষ্ক হয়, তাহলে অয়েল বেসড ক্রিম ব্যবহার করুন। এক্ষেত্রে লোশন এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। অন্যদিকে, যদি আপনার ত্বক তৈলাক্ত হয় বা মিশ্র হয়, তাহলে নিশ্চিন্তে লোশন মাখুন।
তথ্যসূত্র: হেলথলাইন