চরচা ডেস্ক

অনেকেই বেঁচে যাওয়া ভাত পরে খাওয়ার জন্য রেখে দেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাসি ভাত গরম করে খেলে বাড়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি।
বাসি ভাত গরম করে খেলে কী হতে পারে চলুন জেনে নিই-
ভাত বারবার গরম করলে তার পুষ্টিগুণ চলে যায়। বাড়ে নানা অসুখের ঝুঁকি। ডায়রিয়া থেকে শুরু করে হতে পারে নানা জটিল অসুখ।
ঠান্ডা ভাতে প্রচুর ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। যা গরম করলেও মরে না, বরং গরম করলে ক্ষতি আরও বেশি হতে পারে। এই ভাত খেয়ে যে অসুখ হয় তাকে ফ্রায়েড রাইস সিনড্রোম বলে। ঠান্ডা ভাতে জন্ম নেওয়া বেসিলাস সেরেয়াস এই রোগ তৈরি করে। যা পেটের জন্য বেশ পীড়াদায়ক হতে পারে।
যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ এনএইচএসের ওয়েবসাইট বলছে, ভাত গরম করে খেলে ফুডপয়জনিং এর শঙ্কা বহুলাংশে থাকে। আর অবশ্যই একবার রান্না ভাত একাধিকবার গরম করা যাবে না।
ভাত বারবার গরম করে খেলে বমি বমি ভাব হতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে ডায়রিয়াও।
ম্যানচেষ্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছেন, বাসি ভাত গরম করে খেলে কার্ডিওভ্যাসকুলার অর্থাৎ হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ে।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

অনেকেই বেঁচে যাওয়া ভাত পরে খাওয়ার জন্য রেখে দেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাসি ভাত গরম করে খেলে বাড়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি।
বাসি ভাত গরম করে খেলে কী হতে পারে চলুন জেনে নিই-
ভাত বারবার গরম করলে তার পুষ্টিগুণ চলে যায়। বাড়ে নানা অসুখের ঝুঁকি। ডায়রিয়া থেকে শুরু করে হতে পারে নানা জটিল অসুখ।
ঠান্ডা ভাতে প্রচুর ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। যা গরম করলেও মরে না, বরং গরম করলে ক্ষতি আরও বেশি হতে পারে। এই ভাত খেয়ে যে অসুখ হয় তাকে ফ্রায়েড রাইস সিনড্রোম বলে। ঠান্ডা ভাতে জন্ম নেওয়া বেসিলাস সেরেয়াস এই রোগ তৈরি করে। যা পেটের জন্য বেশ পীড়াদায়ক হতে পারে।
যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ এনএইচএসের ওয়েবসাইট বলছে, ভাত গরম করে খেলে ফুডপয়জনিং এর শঙ্কা বহুলাংশে থাকে। আর অবশ্যই একবার রান্না ভাত একাধিকবার গরম করা যাবে না।
ভাত বারবার গরম করে খেলে বমি বমি ভাব হতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে ডায়রিয়াও।
ম্যানচেষ্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছেন, বাসি ভাত গরম করে খেলে কার্ডিওভ্যাসকুলার অর্থাৎ হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ে।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

কিছু ম্যানেজার প্রতিভাবান কর্মীদের বড়ো পদে আবেদন করতে উৎসাহিত করার পরিবর্তে তাদের আটকে রাখার চেষ্টা করেন। মিউনিখের লুডভিগ-ম্যাক্সিমিলিয়ান্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনগ্রিড হেগেল সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় একটি বৃহৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের জার্মান ইউনিটে নিয়োজিত পদস্থ ব্যক্তিদের আচরণ বিশ্লেষণ করেছেন।