
সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?
গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সিনিয়র সিটিজেন সপ্তাহ। সারা বিশ্ব ব্যাপী এটা পালিত হয় প্রবীণ নাগরিকদের সন্মান জানিয়ে। সেই উপলক্ষে প্রবীণ নাগরিকদের সবাইকে জানাই ‘সিনিয়র সিটিজেন’ সপ্তাহের শুভেচ্ছা!
আধুনিক কমোডে প্রায় সব ফ্লাশে দুটো বোতাম থাকে। একটি ছোট, অন্যটি বড়।
কখনো কি মনে প্রশ্ন জেগেছে, কেন এই ফ্লাশে দুটো বাটন থাকে? এগুলোর কাজই বা কী? অনেকে না জেনে দুটো বাটনই ক্লিক করেন। চলুন, আসল কারণ জেনে নিই।
ফ্লাশের বাটন টিপলে এর থেকে পানি বের হয় এবং বর্জ্য পরিষ্কার হয়। একটি কমোডের ট্যাংকে ৬–৯ লিটার পানি থাকে। বড় বোতাম টিপলে পুরো ট্যাংক খালি হয়ে যায়। আর ছোট বোতাম টিপলে বের হয় তিন থেকে চার লিটার পানি।
কিছু ফ্লাশ ট্যাঙ্ক আকারে ছোট বা বড় হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে পানি নিষ্কাশনের ক্ষমতাও এর আকারের ওপর নির্ভর করে।
ফ্লাশের কোন বাটনের কাজ কী?
তরল বর্জ্যের জন্য কেবল কমোডের ছোট বোতাম টিপতে হবে এবং কঠিন বর্জ্যের জন্য কেবল বড় বোতাম টিপতে হবে। দুটো বোতাম একসঙ্গে টেপার কোনো প্রয়োজন নেই।
কমোডে আলাদা দুটি বাটন মূলত ব্যবহার করা হয় পানি সাশ্রয়ের জন্য। যত দিন যাচ্ছে, দুনিয়াজুড়ে সুপেয় পানির পাশাপাশি ব্যবহার্য পানির পরিমাণও কমে আসছে । তাই পানির অপচয় রোধ করাই সর্বোত্তম পন্থা।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?
গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সিনিয়র সিটিজেন সপ্তাহ। সারা বিশ্ব ব্যাপী এটা পালিত হয় প্রবীণ নাগরিকদের সন্মান জানিয়ে। সেই উপলক্ষে প্রবীণ নাগরিকদের সবাইকে জানাই ‘সিনিয়র সিটিজেন’ সপ্তাহের শুভেচ্ছা!

সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?
ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, সম্রাট শাহজাহানের হেঁশেলেই আজকের মাটন বিরিয়ানির আদি রূপ রান্না হতো। আর এর প্রমাণ মেলে ওই আমলের কুকবুক ‘নুশখা-ই-শাহজাহানি’তে। ‘নি’মতনামা-ই-নাসির শাহি’, ‘আইন-ই-আকবরি’তেও অনেক খাবারের উল্লেখ থাকলেও ‘বিরিয়ানি’ পাওয়া যায় না।

শিশুর ডেঙ্গু হলে করণীয় কী?
অনেক অভিভাবক শুরুতে জ্বরকে সাধারণ ভাইরাল জ্বর মনে করে বাড়িতেই চিকিৎসা চালিয়ে যান। কিন্তু ডেঙ্গুতে দেরিতে চিকিৎসা শুরু হলে ঝুঁকি বেড়ে যায়, বিশেষ করে প্লাটিলেট কমে গেলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।

কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?
নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।