
টিনিটাস কী, কেন হয়
তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

দেশজুড়ে বাড়ছে তাপমাত্রা। এই গরমে ফ্যান বা এসি বন্ধ করে এক মুহূর্তও থাকা যাচ্ছে না। এই সময় অনেকেরই অভ্যাস থাকে সিলিং ফ্যান বা টেবিল ফ্যানের নিচে মাথা দিয়ে ঘুমানোর।
গরমের সময় সরাসরি ফ্যানের নিচে থাকলে বেশি আরাম লাগবে বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু ফ্যানের ঠিক নিচেই বেশিক্ষণ থাকলে আপনার ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়তে পারে।
এছাড়া চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারিয়ে যাওয়ার ফলে চোখে খচখচে একটা অনুভূতি হতে পারে। নাক-মুখের ভেতরের স্বাভাবিক আর্দ্রতাও নষ্ট হতে পারে। গলা খুসখুস করতে পারে। হাঁচি বা সর্দি-কাশি হতে পারে। ঘন কফও নিঃসৃত হতে পারে।
স্বাস্থ্যের দিক থেকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ফ্যানের গায়ে আটকে যাওয়া ময়লা। ফ্যানে থাকা ময়লার কারণেও হাঁচি বা সর্দি-কাশি হতে পারে। নাক সুড়সুড় কিংবা গলা খুসখুসের মতো অস্বস্তিকর অনুভূতি হতে পারে।
ময়লা ফ্যান পরিষ্কার করার সময়ও ধুলাবালি ঢুকে যেতে পারে শ্বাসতন্ত্রে। এমনকি তা ছড়িয়ে পড়তে পারে ঘরের অন্যান্য স্থান আর আসবাবেও। এমন ক্ষেত্রেও হতে পারে ধুলাজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা। ফ্যান পরিষ্কার করার সময় খাবারের পাত্রে ময়লা পড়লে সেখান থেকে পেটের অসুখও হতে পারে।
তথ্যসূত্র: হেলথলাইন

তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

বালিশের মূল কাজ হলো মেরুদণ্ডকে স্বাভাবিক বা সোজা অবস্থায় রাখা। এটি ঘাড়কে শরীরের বাকি অংশের সাথে একই লাইনে রাখে, যা সঠিক শারীরিক ভঙ্গিমা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

অটোনমিক নিউরোপ্যাথির পেছনে রয়েছে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত জটিলতা ও রোগের ইতিহাস।

একবেলা খাবার খাওয়ার অন্যান্য উপকারিতার মধ্যে রয়েছে—হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো, রক্তের শর্করার মাত্রা হ্রাস করা এবং শরীরের ইনফ্ল্যামেশন কমানোর সম্ভাবনা।