Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৬ অক্টোবর, ২০২৬
২৬ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৬ অক্টোবর, ২০২৬
২৬ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> ভাবনা

মবলাভারের দেশে মব কমবে কীসে!

অর্ণব সান্যাল

অর্ণব সান্যাল

প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১৩: ৩০
মবলাভারের দেশে মব কমবে কীসে!
প্রতীকী ছবি

কখনও পিটিয়ে মেরে ফেলার ডাক দেওয়া হচ্ছে। কখনও পিটিয়ে মেরেই ফেলা হচ্ছে। কখনও শুধু মেরে ফেলেই শান্ত হওয়া হচ্ছে না, বরং মৃত ব্যক্তির লাশকেও আগুনে পোড়ানো হচ্ছে। আমাদের দেশে এই ধারাবাহিকতায় নতুন যে সংযুক্তি সেটি হলো, একেবারে সমাবেশ করে প্রকাশ্যে মব করার হুমকি দেওয়া!

Advertisement

সম্প্রতি এভাবেই প্রকাশ্যে মব করার হুমকি দেওয়া হয়েছে এক আবাসিক মাদরাসায় এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের ঘটনার অভিযোগকে কেন্দ্র করে। গত বুধবার গাজীপুরের টঙ্গীতে প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (৭) যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মোসলেম আহম্মদ (৩০) নামের এক মাদরাসাশিক্ষককে মারধর করে পুলিশে দেয় স্বজন ও এলাকাবাসী। অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের কয়েকটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তাতে ওই শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ ও মারধরের ঘটনা দেখা যায়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। আবার ভাঙচুর ও শিক্ষকদের মারধরের অভিযোগে থানায় পৃথক অভিযোগ দেয় মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। পরে সাত বছর বয়সী ওই মেয়েশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা জানায় পুলিশ।

তবে এই প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার বিষয়টি জানার আগেই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে শুরু হয়ে যায় নানা ধরনের আলোচনা। দুটি পক্ষ দাঁড়িয়ে গেছে এরই মধ্যে। এক পক্ষ নিয়েছে শিশুটির বাবার পক্ষ, আরেকটি নিয়েছে মাদরাসাশিক্ষকের পক্ষ। এবং দুই পক্ষই একে, অপরের বিরুদ্ধে হুমকি, ধমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে। এরই মধ্যে শিশুটির বাবা এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন, মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চাইতেই তিনি মাদরাসায় গিয়েছিলেন, কোনো ধরনের মব সৃষ্টি করতে নয়। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা মাদরাসা ভাঙচুর ও ১৭ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। এ ছাড়া নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তাও চেয়েছেন শিশুটির বাবা।

ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা কেন আলাদা করে নিরাপত্তা চেয়েছেন? কারণ তার দাবি, এই ঘটনার পর বিভিন্ন জায়গা থেকে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নানা হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে তার বাড়িতে মব করার প্রকাশ্য হুমকির ভিডিওতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো সয়লাব। এক সংবাদ সম্মেলনের ওই ভিডিওতে অসংখ্যা ক্যামেরার সামনেই হুমকিদাতাদের হুমকি দিতে দেখা গেছে। তারা ওই শিশুটির বাড়িতে গিয়ে মব করার হুমকি দিয়েছেন। একেবারে ‘মব’ শব্দটি উল্লেখ করেই বলা হয়েছে এবং ‘পুনরায় মব সৃষ্টি’র হুমকি দেওয়া হয়েছে। আর পুলিশ বলছে, উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করেছে। পুলিশ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

মবের শিকার ৪৫০০ শিক্ষক কেমন আছেন?Teachers-Final-Walkout

শেষটায় পুলিশের যে বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা হলো, সেটি একেবারেই চিরাচরিত এবং পরিচিত একটি পুলিশি বক্তব্য। অভিযোগ তুলে মব করে কাউকে পিটিয়ে মেরে ফেলার পরও আমরা পুলিশের কাছ থেকে এমন বক্তব্যই প্রাথমিকভাবে শুনে থাকি। ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস মেলে। কিন্তু সেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাটি নেওয়া হয় কতটা?

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডে সদ্য প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে গণপিটুনি বা মব (সংঘবদ্ধ) সহিংসতার ঘটনায় দায়ের হওয়া কোনো মামলাই এখনো বিচারপর্যায়ে পৌঁছায়নি। এই সময়ের পর বেশ কিছু আলোচিত মব সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসবের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আবদুল্লাহ আল মাসুদ হত্যা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তোফাজ্জল হোসেন হত্যা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শামীম মোল্লা হত্যা, রংপুরের তারাগঞ্জ-কাজীরহাট সড়কের বটতলা এলাকায় চোর সন্দেহে রূপলাল দাস ও প্রদীপ দাসকে পিটিয়ে হত্যা , রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরাল পাগলার দরবারে হামলা ও মরদেহে অগ্নিসংযোগের ঘটনা কিংবা ভালুকায় দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে ফেলার ঘটনাটিও আছে। এতসব মামলার একটিরও বিচার শেষ হয়নি। বিচারিক প্রক্রিয়ার অগ্রগতিও থমকে রয়েছে বলে জানাচ্ছে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ওই প্রতিবেদন।

তো, মবের বিচার করার হাল যদি এমন হয়, তবে কে আর পুলিশের ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেওয়ার আশ্বাসে বিশ্বাস করবে? কে ভাবতে পারবে যে, মব করে আসলে পার পাওয়া যায় না?

মূলত মবের ক্ষেত্রে বিচারহীনতার এই সংস্কৃতিই দেশের সংশ্লিষ্ট উৎসাহী পক্ষগুলোকে মব করতে অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) বলছে, অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর ১৭ মাসে (২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত) দেশে মব ভায়োলেন্সের অন্তত ৪১৩টি ঘটনায় ২৫৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ সময় মাসওয়ারি মৃত্যুর গড় দেখা যাবে ১৬–এর কাছাকাছি। মূলত এই সময় থেকেই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার এই ভয়াবহ প্রাণসংহারী প্রবণতাটি প্রকট হয়ে ওঠে।

অবশ্য গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় আসার পরও পরিস্থিতির অসাধারণ কোনো উন্নতি আসেনি। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) হিসাবে, ২০২৬ সালের প্রথম নয় মাসে মব সহিংসতা ও গণপিটুনিতে ১৭১ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) হিসাবে, একই সময়ে ৩৯৮টি ঘটনায় ১৮৭ জন নিহত ও ৪০১ জন আহত হয়েছেন।

মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?badhon-attack

অবশ্য সরকার এই হিসাব স্বীকার করছে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০ অক্টোবর প্রকাশিত তুলনামূলক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মব সহিংসতার ৬৩টি ঘটনা ঘটেছে। আগের বছরের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ১০৭টি। সরকারি হিসাবে, এ সময়ে নিহতের সংখ্যা ৬৩ থেকে কমে ৪০ জনে এবং আহতের সংখ্যা ৮২ থেকে কমে ৬৫ জনে দাঁড়িয়েছে। মন্ত্রণালয়ের দাবি, এই সময়ে মব সহিংসতার ঘটনা কমেছে ৪১ দশমিক ১২ শতাংশ।

এখন মবের মাত্রার এমন বিপরীতমুখী সরকারি, বেসরকারি দাবিনামার মধ্যে একেবারেই আমজনতা হিসেবে আমরা অন্তত এটুকু বুঝতে পারছি যে, মব তিরোহিত হয়নি। উল্টো বেশ আয়েশ করেই যে সেটি টিকে আছে, সেটি কিছুদিন পর পরই নানা আলোচিত মবের ঘটনায় বোঝা যাচ্ছে ভালোমতোই। সমস্যা হলো, সরকার বা বিরোধীদল বা অন্য নানা পক্ষ তো নানা ধরনের তর্ক–বিতর্ক করে ‘কেল্লা ফতে’ করে দিতে পারছে। কিন্তু, সাধারণ মানুষদের অসীম নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতির কী হবে?

সমস্যা হলো, মব সহিংসতাকে মাঝে মাঝেই ক্ষমতা কাঠামো থেকে এক ধরনের ‘ক্লিন চিট’ দেওয়া হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নেওয়া হয় দায়সারা কিছু পদক্ষেপ। এই প্রবণতাই মববাজদের কাজ চালিয়ে যাওয়ায় ঘি, তেল ঢালে। কারণ পক্ষভেদে মব কখনো হয়ে যায় ‘প্রেশার গ্রুপ’, কখনো হয়ে যায় ‘সংশ্লিষ্টদের ক্ষোভ প্রকাশ’ ইত্যাদি ইত্যাদি। অর্থাৎ, নিজেদের পক্ষে গেলে ‘মব’ হয়ে যায় ‘গুড জব’। নিজেদের বিপক্ষে হওয়া মবকেই মনে করা হয় সত্যিকারের মব। তাই শুধু অন্যায় আচরণ বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বৈশিষ্ট্য মেনে সব মবকে চিহ্নিত করা হয় না।

ফলে মব আর কখনো থামে না। এভাবে বছরের পর বছর নিজেদের দেশের মাটিতেই পক্ষ, আদর্শ নির্বিশেষে মবের বিচার করতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি, হয়ে চলেছি। ফলে মববাজ বা মবলাভারদের প্রতি কোনো ‘কড়া বার্তা’ পৌঁছায়নি আসলে। তাই হয়তো এখন বাড়ি গিয়ে মব করার প্রকাশ্য হুমকিও মিলছে। সার্বিকভাবে চিরতরে মব বন্ধ করার কাজটি তাই সোনার পাথরবাটিতে রূপ নিচ্ছে ধীরে ধীরে।

সোনার পাথরবাটি—ঠিক এই শব্দটি লেখার সময়ই টিভির পর্দায় ভেসে উঠল একটি ‘ব্রেকিং নিউজ’ টিকার। তাতে বলা হচ্ছে, দিনাজপুরের পার্বতীপুরে স্কুলের একজন প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বিস্তারিত তথ্য তখনো মেলেনি। হয়তো এই লেখা প্রকাশ হতে হতে বিস্তারিত সবই সংবাদমাধ্যমে চলেও আসবে। আগেই অবশ্য অনুমান করে ফেলা যায় সেই বিস্তারিত সংবাদটি। বিস্তারিত খবরে অবশ্যই পাওয়া যাবে একটি ‘বায়বীয়’ অভিযোগ, এরপর একটি গোষ্ঠীবদ্ধ ‘ক্ষুব্ধ জনতা’র উপস্থিতি পরিলক্ষিত হবে। আর তার পরেই আসবে একটি লাশ!

হয়তো এই ব্রেকিং নিউজটিই এক সময় হয়ে যাবে ছাপা পত্রিকার ভেতরের পাতায় এক চিপায় পড়ে থাকা একটি সিঙ্গেল কলাম নিউজ। কেউ পড়বে, কেউ দেখবেই না। কিন্তু ওই লাশের পরিবারটি চক্কর খাবে ন্যায় বিচারের আশায়। এই দেশ, দেশ চালানো সরকার বা এই সমাজ কি ততটুকু আশা করতেও এখন ‘না’ বলতে চায়? বর্তমান পরিস্থিতির ভাবগতিক বলছে—হয়তো তাই!

লেখক: বার্তা সম্পাদক, চরচা

বিষয়: মামলাশিক্ষকহত্যাভাঙচুরযৌন হয়রানিলাশশিশুমব
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুন, নিহত ১

  • ২

    সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি

  • ৩

    ট্রাক চালক হোসেন হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিচার শুরু

  • ৪

    লুলার সামনে কোন পাঁচ চ্যালেঞ্জ

  • ৫

    সিডনির নতুন বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল শুরু, প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সম্ভাবনা

সম্পর্কিত
  • কার সঙ্গে কার আঁতাত

    কার সঙ্গে কার আঁতাত

    আমরা ভেবেছিলাম, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর আঁতাতের রাজনীতি চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। আঁতাত মানে ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। আঁতাত মানে প্রকাশ্যে এক কথা বলে তার বিপরীতে কাজ করার রাজনীতি। উদ্বেগের কথা হলো নির্বাচিত সরকারের আট মাসের মাথায়, রাজনৈতিক আঁতাতের কথাটি জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে।

  • চড়ের মহিমা ও বিপদ

    চড়ের মহিমা ও বিপদ

    চড় জিনিসটা বড় অদ্ভুত। এক টুকরো হাতের তালু, কয়েক আউন্স রাগ, সামান্য সাহস আর এক মুহূর্তের সিদ্ধান্ত—ব্যস, ইতিহাস তৈরি! কেউ চড় মেরে বীর, কেউ চড় খেয়ে শহীদ, কেউ আবার চড়ের ভিডিও ভাইরাল করে রাতারাতি তারকা।

  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে সরকার আসলে কী করতে চায়?

    ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে সরকার আসলে কী করতে চায়?

    অভিজ্ঞতাটি একেবারেই আটপৌরে। বাংলাদেশের শ্রমজীবী মানবগোষ্ঠীর একজন হিসেবে এই বান্দাকে নিয়মিতই অর্থকরী কাজে অংশ নিতে হয়। বাসা থেকে অফিসপাড়ার দূরত্ব বেশ। পকেটের পয়সা বাঁচানোর চিন্তা মাথায় প্রবলভাবে থাকলে তাই মোটরসাইকেল বা সিএনজিচালিত অটোরিকশা বাদ দিয়ে তিন চাকার রিকশার দিকে হাত বাড়াতে হয়।

  • সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ ও সরকারি-বিরোধীদলের আশ্চর্য ঐকমত্য

    সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ ও সরকারি-বিরোধীদলের আশ্চর্য ঐকমত্য

    বাংলাদেশকে যে বাইরের দুনিয়া মোটেই পাত্তা দিচ্ছে না সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নারী–পুরুষের শিরচ্ছেদের ঘটনা তার একটি উদাহরণ মাত্র। নিকট অতীতে এ রকম উদাহরণ আরও অনেক আছে। বিদেশে গিয়ে কোনো নাগরিক আইন ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত বা বিচারের মুখোমুখি হলে ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী স্বাগতিক দেশের জানানোর বাধ্যবাধকতা আছে