Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> ভাবনা

প্রাসঙ্গিক থাকতেই রাশিয়া মধ্যপ্রাচ্যে হস্তক্ষেপ করছে

নিকিতা স্ম্যাগিন

নিকিতা স্ম্যাগিন

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ০৬
প্রাসঙ্গিক থাকতেই রাশিয়া মধ্যপ্রাচ্যে হস্তক্ষেপ করছে

রাশিয়া মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ অর্থাৎ ইসরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যকার সংঘাত থেকে বেশ কিছু বড় সুবিধা পেয়েছে। এরমধ্যে বিশেষভাবে বলতে হয়, তেলের চড়া দাম থেকে বাড়তি আয় এবং ইউক্রেনের জন্য পশ্চিমা সামরিক সহায়তা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা। কিন্তু এই সংঘাতের গতিপ্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ করার মতো কোনো কার্যকর পথ রাশিয়ার হাতে না থাকায় ক্রেমলিন কিছুটা উদ্বিগ্ন।

Advertisement

তাই ইরানকে ড্রোন এবং যুদ্ধক্ষেত্রের গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করার মাধ্যমে মস্কো এই সংঘাতে জড়ানোর সুযোগ খুঁজছে। এই প্রভাব কাজে লাগিয়ে রাশিয়া শেষ পর্যন্ত কী অর্জন করতে চায়, তা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। এমনকি এটা অসম্ভব নয় যে, খোদ ক্রেমলিনের কাছেও এর কোনো স্পষ্ট উত্তর নেই। তবে এই মুহূর্তে রাশিয়ার জন্য সেটা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। মস্কো আপাতত শুধু এই সংঘাতে নিজের নিয়ন্ত্রণ বা প্রভাব বজায় রাখতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করার পর থেকেই রুশ কর্মকর্তারা বলে আসছেন যে, তারা বিবদমান পক্ষগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতা করতে আগ্রহী। কিন্তু তাদের এই প্রস্তাবে কেউ সাড়া দেয়নি।

প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মুখপাত্র স্বীকার করে নিয়েছেন যে, কোনো পক্ষই রাশিয়ার মধ্যস্থতা প্রয়োজন বলে মনে করছে না। শেষ পর্যন্ত শান্তি আলোচনার আয়োজক হিসেবে পাকিস্তানকে বেছে নেওয়া হয়েছে (বিকল্প হিসেবে রাখা হয়েছে তুরস্ককে)।

এভাবে গুরুত্বহীন হয়ে পড়া ক্রেমলিনের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক, কারণ এই লড়াই সরাসরি ইরানের বুকে রাশিয়ার স্বার্থে আঘাত হেনেছে। ইসফাহান শহরে অবস্থিত রুশ কনস্যুলেট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেটি বন্ধ করে দিতে হয়েছে। তেহরানের একটি রুশ অর্থোডক্স গির্জায় হামলা হয়েছে। এমনকি কাস্পিয়ান সাগরে রাশিয়া-ইরান বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র বন্দর আনজালিও ধ্বংস হয়ে গেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
বন্দর আনজালি। ছবি: উইকিমিডিয়া কমনস
বন্দর আনজালি। ছবি: উইকিমিডিয়া কমনস

তবে মস্কোর জন্য সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় ছিল বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের চারটি হামলা। এই কেন্দ্রটি রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থা রোসাটমের কারিগরি সহায়তায় এবং রাশিয়ার তৈরি লো-এনরিচড ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে পরিচালিত হয়। এই বোমা হামলায় অন্তত একজন ইরানি কর্মচারী নিহত হয়েছেন এবং রাশিয়া তাদের প্রায় সব নাগরিককে সেখান থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।

গির্জা বা কনস্যুলেট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টিকে দুর্ভাগ্য হিসেবে ধরে নেওয়া যায়, কিন্তু বুশেহর এবং বন্দর আনজালির ক্ষেত্রে তা বলা চলে না। বন্দর আনজালিতে বোমা হামলার পর রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন যে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযান সরাসরি রাশিয়ার অর্থনৈতিক স্বার্থের ক্ষতি করছে।

পর্যবেক্ষকদের এমনটা মনে হওয়া অস্বাভাবিক নয় যে, যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েল চাইলে ইরান থেকে রাশিয়াকে পুরোপুরি হটিয়ে দিতে পারে, আর তার জবাবে রাশিয়ার হয়ত কড়া ভাষায় বিবৃতি দেওয়া ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না। রুশ নেতাদের কাছে এটা হবে খুবই অপমানজনক এবং বিপজ্জনক একটি উদাহরণ।

২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমাদের সাথে রাশিয়ার সম্পর্ক যখন নষ্ট হয়ে যায়, তখন মধ্যপ্রাচ্য ক্রেমলিনের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ এই অঞ্চলের দেশগুলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের সব কথা অন্ধভাবে মেনে নেয় না এবং তারা এখনো রাশিয়াকে বড় শক্তি হিসেবে সম্মান করে। রাশিয়ার সাথে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ব্যবসাপাতি বেড়েছে, যাতায়াতের নতুন পথ তৈরির পরিকল্পনা হয়েছে এবং পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দিয়ে কীভাবে একে অপরকে সাহায্য করা যায়, সেই চেষ্টাও চলছে। চীন ও রাশিয়া দ্রুত তৎপরতা বাড়াচ্ছে।

চীন ও রাশিয়া দ্রুত তৎপরতা বাড়াচ্ছেiran china russia usa update

চলমান যুদ্ধের ফলে রাশিয়ার সব পরিকল্পনা এখন হুমকির মুখে। ইরানে রাশিয়ার নর্থ সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডোর এবং বিশাল গ্যাস হাবের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প রয়েছে। এসব তো ঝুঁকিতে আছেই, সেইসঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মতো দেশগুলোর সাথেও রাশিয়ার সম্পর্ক এখন ঝুঁকিতে। ২০২২ সাল থেকে আরব আমিরাতের সাথে রাশিয়ার বাণিজ্য দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। মাইক্রোচিপের মতো নিষিদ্ধ পণ্যগুলো আমিরাত হয়েই রাশিয়ায় পৌঁছায় এবং আমিরাতের ব্যাংকগুলো রাশিয়ার বৈদেশিক লেনদেনে সহায়তা করে। এখন এই সব সুবিধাই বন্ধ হওয়ার মুখে।

আসলে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে রাশিয়ার পুরো পররাষ্ট্রনীতিকেই তছনছ করে দিয়েছে। ফলে মস্কো বুঝতে পারছে যে, স্রেফ দর্শক হয়ে বসে না থেকে প্রভাব বজায় রাখার জন্য তাদের এখন নতুন কোনো পথ খুঁজে বের করতে হবে।

এই মুহূর্তে মস্কো ঠিক কতদূর যেতে প্রস্তুত, বিশেষ করে ইরান সরকারকে সাহায্য করার ক্ষেত্রে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে এটা স্পষ্ট যে, ইরান ও রাশিয়ার সামরিক সহযোগিতা কমছে না বরং দিন দিন বেড়েই চলেছে।

প্রতিরক্ষা সম্পর্কের এক নতুন ধাপে পা রেখে গত মার্চ মাস থেকে রাশিয়া ইরানকে ‘গেরান’ ড্রোন (যা ইরানের শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের আধুনিক সংস্করণ) সরবরাহ শুরু করেছে। ২০২২ সাল থেকে রাশিয়া ইরানকে অ্যাটাক হেলিকপ্টার, সাঁজোয়া যান এবং হালকা অস্ত্রের মতো বিভিন্ন যুদ্ধ সরঞ্জাম নিয়মিত সরবরাহ করে আসছে। এখন ড্রোন যুক্ত হওয়ায় এমন এক অস্ত্র ইরানের হাতে এল যা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর ক্ষতি করতে সক্ষম। যদিও আগে রাশিয়া থেকে সু-৩৫ যুদ্ধবিমান এবং ভার্বা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সরবরাহের একটি প্রাথমিক চুক্তি হয়েছিল, তবে ইরান সেগুলো হাতে পেয়েছে কি না তার কোনো নিশ্চিত খবর নেই।

ইরানের শাহেদ ড্রোন। ছবি: উইকিমিডিয়া কমনস
ইরানের শাহেদ ড্রোন। ছবি: উইকিমিডিয়া কমনস

রাশিয়া-চীন কি ইরানে অস্ত্র পাঠাচ্ছে?thumbnailbee_z2mbihfOdFQ_hq

ইরানি হামলাগুলোকে নির্ভুল করতে তেহরানের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্যও শেয়ার করছে মস্কো। অবশ্য রাশিয়ার এই সহায়তার পরিধি আপাতত সীমিত। মনে হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল কিংবা উপসাগরীয় দেশগুলোকে খুব বেশি ক্ষ্যাপাতে চায় না মস্কো। তাই তারা খুব সাবধানে পা ফেলছে এবং দেখছে ঠিক কতটুকু সাহায্য করা তাদের জন্য নিরাপদ।

এই সব কিছুর বিনিময়ে রাশিয়ার বড় লাভ হলো চলমান এই সংঘাতে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা। এছাড়া, ইরান নিয়মিত ড্রোন হামলা চালালে যক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা ইন্টারসেপ্টরগুলো খরচ করতে বাধ্য হবে। ফলে ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার জন্য পশ্চিমা দেশগুলোর হাতে অস্ত্রের মজুদ কমে আসবে।

ইরানকে সাহায্য করার এই বিষয়টি রাশিয়ার জন্য ভবিষ্যতে একটি বড় তুরুপের তাস হতে পারে। পলিটিকোর তথ্যমতে, মস্কো ইতিমধ্যেই ওয়াশিংটনকে প্রস্তাব দিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা যদি ইউক্রেনকে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া বন্ধ করে, তবে রাশিয়াও ইরানের সঙ্গে তথ্য শেয়ার করা বন্ধ করে দেবে।

ইরান কি চীন-রাশিয়ার স্যাটেলাইট ব্যবহার করছে?thumbnailbee_fRC5HPVDc0A_hq

আপাতত মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে রাশিয়ার অংশগ্রহণ বেশ সীমিত। লড়াইয়ের ফলাফল বদলে দেওয়ার চেয়ে একে ভবিষ্যতের দরকষাকষিতে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকার একটি চেষ্টা হিসেবেই বেশি মনে হচ্ছে। এটা ঠিক যেভাবে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ শুরু হয়েছিল সেরকম। অন্যভাবে বলতে গেলে, মস্কো এখন কেবল কিছু কৌশলগত সম্পদ বা তুরুপের তাস গুছিয়ে রাখছে। পরবর্তীতে সুবিধামতো সময়ে কীভাবে সেগুলোকে রাশিয়ার স্বার্থে সবচেয়ে ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়, সেই সিদ্ধান্ত তারা ধীরেসুস্থেই নেবে।

নিকিতা স্মাগিন ইরানের বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ নীতি, ইসলামিজম, এবং মধ্যপ্রাচ্যে রাশিয়ার নীতির বিশেষজ্ঞ। তিনি ইরান ফর এভ্রিওয়ান: প্যরাডক্স অব লাইফ ইন অ্যান অটোক্রেসি আন্ডার স্যাংকশন বইটির রচয়িতা।

(লেখাটি কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ডেমোক্রেসিতে প্রকাশিত নিবন্ধ থেকে অনূদিত।)

বিষয়: আমেরিকাতেলবাহী জাহাজইরানহরমুজ প্রণালিইরান-ইসরায়েল সংঘাতইউক্রেনযুদ্ধমার্কিন যুক্তরাষ্ট্রইউক্রেন যুদ্ধ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    থিয়েটার থেকে রাজপথে, ভারতের তরুণদের অসন্তোষের নতুন মুখ জেন-জি আন্দোলনকর্মী নেহা বোরা

  • ২

    রাজশাহীতে জমি নিয়ে বিরোধে মারামারি, নিহত ১

  • ৩

    রিয়াদে নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় জানাল সরকার

  • ৪

    স্থানীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী চায় বিএনপি, হস্তক্ষেপ না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • ৫

    মসজিদের সামনে ছাত্রলীগ সন্দেহে মারধর, কয়েকজন আহত

সম্পর্কিত
  • দিল্লির জেনজি আন্দোলনে টালমাটাল মোদির গদি!

    দিল্লির জেনজি আন্দোলনে টালমাটাল মোদির গদি!

    তরুণদের ক্ষেপিয়ে কোনো দেশের শাসকেরা যে টিকতে পারেন না, সেটা নিকট অতীতে বাংলাদেশ ও নেপাল প্রমাণ করেছে।

  • ভারত: গণ-আন্দোলনের মুখোমুখি এক অনমনীয় রাষ্ট্র

    ভারত: গণ-আন্দোলনের মুখোমুখি এক অনমনীয় রাষ্ট্র

    সরকার ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব এবং নেপাল ও বাংলাদেশে কথিত বিদেশি হস্তক্ষেপের প্রসঙ্গ টেনে এই আন্দোলনকে বিদেশি শক্তির কারসাজি হিসেবে চিহ্নিত করে এর বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করবে। কিন্তু উভয় ক্ষেত্রেই, যারা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইচ্ছুক ছিলেন, তাদের কাছেই জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের গভীরতা স্পষ্ট ছিল।

  • সরকারি কর্মী: বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক ও সময়োচিত

    সরকারি কর্মী: বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক ও সময়োচিত

    দু বছর পর যখন এ বেতন স্কেল পুরো কার্যকর হবে তখন মুদ্রাস্ফীতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সেটা দেখার বিষয়। এর মাঝে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাড়ানো ছাড়া হয়তো উপায়ও ছিল না। তবে এর ফলে বাড়বে সকল ধরনের পরিবহন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়সহ ভোগ্যপণ্যের দাম।

  • ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান আইনসভায় নির্বাচিত অমুসলিম ছিলেন ৭২ জন, এখন বাংলাদেশে ৪

    ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান আইনসভায় নির্বাচিত অমুসলিম ছিলেন ৭২ জন, এখন বাংলাদেশে ৪

    ২০২৪-এর পর থেকে এই অন্তর্ভুক্তিমূলক শব্দটা আমরা বেশি শুনছি। এটা ভালো লক্ষণ। কিন্তু যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল এবং শিডিউলড কাস্টের ব্যাপারে, নিম্নবর্গের ব্যাপারে অন্তর্ভুক্তিমূলকের দশা কিন্তু খুবই খারাপ।