Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
৩০ অক্টোবর, ২০২৬
৩০ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
৩০ অক্টোবর, ২০২৬
৩০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> বিশেষ প্রতিবেদন

মন্ত্রীপাড়া মিন্টো রোড ও আশপাশের এলাকায় কি বিদ্যুৎ যায়?

আল হেলাল শুভ

আল হেলাল শুভ

প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০: ৩৩
মন্ত্রীপাড়া মিন্টো রোড ও আশপাশের এলাকায় কি বিদ্যুৎ যায়?
প্রতীকী ছবি

“এখানে কারেন্ট (বিদ্যুৎ) গেলে, যারা কারেন্ট দেয় হ্যাগো কি চাকরি থাকবে?” প্রশ্নটিই তো চমকে ওঠার মতো। পাল্টা প্রশ্ন হিসেবে নিশ্চয়ই মনে আসবে–বিদ্যুৎ সংকট এবং তার ফল হিসেবে লোডশেডিংয়ের এই সময়ে এমন স্বর্গ কোথায়? উত্তর–এই রাজধানীতেই। না, রাজধানীর পুরোটা নয়, একটি নির্দিষ্ট এলাকায়। এলাকাটা ঢাকার মন্ত্রীপাড়া বলে খ্যাত মিন্টু রোড। আর শুরুর ভাষ্যটি ওই এলাকারই এক বাসিন্দার।

Advertisement

গ্যাস সংকটের মধ্যেই দেশজুড়ে চলছে লোডশেডিং। রাজধানীও বাইরে নয়। বিভিন্ন এলাকায় একাধিকবার বিদ্যুৎ যাওয়ার অভিযোগ রাজধানীবাসীর। প্রচণ্ড গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় নাজেহাল অবস্থা সাধারণ মানুষের। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও কি এমন ভুক্তভোগীর তালিকায় আছেন? এর মধ্যেও অনেকের প্রশ্ন মন্ত্রীপাড়া বলে পরিচিত রাজধানীর মিন্টো রোড ও আশপাশের এলাকায় কী বিদ্যুৎ যায়?

এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই রাজধানীর মিন্টু রোড ও এর আশপাশের এলাকায় খোঁজ নেয় চরচা। সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী এই এলাকায় থাকেন বলে সেটা মন্ত্রীপাড়া বলে পরিচিত। এই নামেই ডাকে সাধারণ মানুষও। সেখানেই রয়েছে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সরকারি বাসভবনও। এ ছাড়া রয়েছে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকের বাসভবনসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সরকারি বাসভবন বা বাংলো। পাশেই আছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়।

সেখানকার বিদ্যুৎ পরিস্থিতির খোঁজ নিতে গত শুক্রবার মিন্টু রোড ও এর আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে চরচা। তারা জানালেন, সেখানেও বিদ্যুৎ যায়, তবে নামে মাত্র। অবশ্য ওই এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা চরচাকে জানিয়েছেন, এবার লোডশেডিং করা হচ্ছে মন্ত্রী-সচিবদের বসবাসের এলাকাতেও। তবে সেখানে জেনারেটর আছে বলে রক্ষা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মিন্টো রোডে এক সরকারি কোয়ার্টারে থাকেন গণপূর্ত বিভাগের এক কর্মচারী। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানান, এখানে কারেন্ট যায় না। উল্টো প্রশ্ন করেন, “এখানে কারেন্ট (বিদ্যুৎ) গেলে, যারা কারেন্ট দেয় হ্যাগো কি চাকরি থাকবে?”

কথা হয় মিন্টো রোডের বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনের এক নিরাপত্তা কর্মীর সঙ্গে। তিনি বলেন, “এখানে কারেন্ট (বিদ্যুৎ) খুব একটা যায় না। দিনে মাঝে মাঝে এক দুইবার গেলেও ৫-১০ মিনিট পরই চলে আসে।”

যা বোঝা গেল, মিন্টু রোডে লোডশেডিং হলেও তার দৈর্ঘ্য খুব একটা বেশি নয়। কিন্তু কতক্ষণ পরপর যায়? এর একটা ধারণা পাওয়া গেল শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির এক কর্মচারীর কাছ থেকে। তিনি বলেন, “সাধারণত এখানে কারেন্ট (বিদ্যুৎ) কম যায়। ৭-৮ দিন আগে কারেন্ট গেছিল।”

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনের, যেখানে একসময় অন্তবর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস থাকতেন, সেখানকার এক নিরাপত্তাকর্মী জানান, তিনি কখনো সেখানে বিদ্যুৎ যেতে দেখেননি। তার মতে, “গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে হয়তো এখনে কম কারেন্ট (বিদ্যুৎ) যায়।”

মিন্টো রোডের পাশের সড়ক বেইলি রোডে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাব। সেই ক্লাবের লিফট অপারেটর শহিদুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “আমাদের এখানে সাধারণত কারেন্ট (বিদ্যুৎ) যায় না। তবে যদি কখনো লাইনের কাজ কিংবা অন্য কারণে যায়, তাহলে নোটিশ দিয়ে দেয়। এ ছাড়া এখানে কারেন্ট গেলে ফেস ঘুরিয়ে দেয়। অর্থাৎ, মিন্টো রোডে কারেন্ট গেলে অপজিট লাইন থেকে বিদ্যুৎ আসে, যার নিয়ন্ত্রণ এখানেই আছে। এ ছাড়া এখানে আমাদের নিজস্ব জেনারেটর আছে। যদি কখনো কারেন্ট যায়, সেটা চালু করা হয়।”

রাজধানীর বেইলি রোডের সচিব কোয়ার্টারের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত খোকন জানালেন, ওই এলাকায় বিদ্যুৎ যায় না। গ্যাসও থাকে নিয়মিত। সবিস্তারে জানতে চাইতেই খোকনের পাল্টা প্রশ্ন, “আপনিই কন, এখানে কি কারেন্ট যাইব?”

ডিপিডিসি বলছে ভিন্ন কথা

মিন্টো রোড ও এর আশপাশের এলাকার দায়িত্বে আছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) কাকরাইল জোন। সেখান থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, ওই এলাকায় ৪৮টি বিদ্যুৎ লাইন রয়েছে।

ডিপিডিসি’র কাকরাইল জোনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা চরচাকে বলেন, “এবার লোডশেডিংয়ে মন্ত্রী-মিনিস্টার কেউই এর বাইরে নন। কেউ বাদ যাচ্ছে না।”

এই কর্মকর্তা জানান, শুধু হাসপাতালগুলো ছাড়া সব জায়গায় এবার লোডশেডিং হচ্ছে। মন্ত্রী-সচিবদের কোয়ার্টারেও হচ্ছে।

তাহলে মিন্টু রোডের অধিবাসীরা কেন বলছেন যে, সেখানে কারেন্ট যায় না? জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, “বুঝবে কীভাবে? ওখানে তো পিডব্লিউডি’র জেনারেটর আছে। বিদ্যুৎ যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই জেনারেটর চালু হয়ে যায়।”

ওই জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে মিন্টো রোডে দিনে কয়বার বিদ্যুৎ যায় জানতে চাইলে তিনি চরচাকে বলেন, “যখন লোডশেডিং হয়, তখন তো এক ঘণ্টা করে হয়।” ওই লোডশেডিংয়ের শিডিউল আগে থেকেই করা থাকে বলেও জানান তিনি।

গত শুক্রবার ডিপিডিসি’র এনওসিএস রমনা জোনের কমপ্লেইন সুপারভাইজার (সিএস) আজাহার আলীর কাছে চরচা জানতে চায় মিন্টো রোডে দিনে কয়বার বিদ্যুৎ যায়। জবাবে তিনি বলেন, “মিন্টো রোডে তো শিডিউল থাকে। অর্থাৎ, লোডশেডিং দেওয়ার আগে নির্ধারিত থাকে যে, কত মেগাওয়াট লোডশেডিং আমরা দেব। তবে চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ওয়াট কম-বেশি হতে পারে।”

অন্য জায়গার চেয়ে বিদ্যুৎ কি কম যায়–জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, “হ্যাঁ, অন্য জায়গার চেয়ে কম যায়।” তিনি জানান, সেখানে বিদ্যুৎ যাওয়া মেগাওয়াটের ওপর নির্ভর করে। তিনি বলেন, “আজকে (শুক্রবার লোডশেডিং নেই)।”

মিন্টো রোডে শেষ কবে বিদ্যুৎ গিয়েছে–জানতে চাইলে কিছুক্ষণ নথি দেখে আজহার আলীর উত্তর,“গতকাল (বৃহস্পতিবার) দুপুর বেলা বিদ্যুৎ গিয়েছিল; ১ ঘণ্টার জন্য।”

বিষয়: মন্ত্রীলোডশেডিংবিদ্যুৎ বিভ্রাট
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁওয়ে বড় ব্যবধানে জয়ী মির্জা ফয়সল

  • ২

    রাজায় রাজায় যুদ্ধ হচ্ছে, উলুখাগড়ারা যাবে কোথায়?

  • ৩

    এলপি গ্যাসের দাম নিয়ে গণশুনানি, দাম বাড়ছেই?

  • ৪

    নতুন মস্তিষ্ককোষ বাঁচাতে টেস্টোস্টেরনের ভূমিকা

  • ৫

    বন্ধু দ্বীপের সাথে মধ্যরাত পর্যন্ত ছিলেন তাহসিফ, মোটরসাইকেল কোথায়?

সম্পর্কিত
  • সংসদের সামনে ছিনতাই ও হত্যা: জামিন পাওয়া রাকিব তাহলে গ্রেপ্তার হয়েছিল কেন?

    সংসদের সামনে ছিনতাই ও হত্যা: জামিন পাওয়া রাকিব তাহলে গ্রেপ্তার হয়েছিল কেন?

    “আমাকে গাড়িতে উঠিয়ে মুখে কালো কাপড় বেঁধে ফেলে। তখনই আমার ভিতরে আত্মা নাই। এরপর র‍্যাবের (এসআরবি) অফিসে নিয়ে তাদের শেখানো স্বীকারোক্তি দিতে চাপ দেয় এবং কয়েকটা চড়-থাপ্পড় মারে। যদি তাদের মতো করে স্বীকারোক্তি না দিই, তাহলে জামিন পাব না–এমনটিও বলেন র‍্যাবের (এসআরবি) কর্মকর্তারা”

  • খুলনায় থামছেই না খুনখারাবি, ‘অসহায় পুলিশ’

    খুলনায় থামছেই না খুনখারাবি, ‘অসহায় পুলিশ’

    আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও যেন অসহায়। চেষ্টা করেও খুলনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না তারা। পুলিশের অভিযোগ, ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করতে চাইছে না।

  • বাংলাদেশে নারীদের বডি বিল্ডিংয়ে বাধা কোথায়?

    বাংলাদেশে নারীদের বডি বিল্ডিংয়ে বাধা কোথায়?

    সামাজিক মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক রক্ষণশীলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার অভাবের কারণে নিকট ভবিষ্যতেও বাংলাদেশে নারীদের বডি বিল্ডিং প্রতিযোগিতা চালুর কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না আয়োজকরা।

  • রাকসু: ৩৫ বছরের অপেক্ষার পর ‘ব্যর্থতার’ খতিয়ান?

    রাকসু: ৩৫ বছরের অপেক্ষার পর ‘ব্যর্থতার’ খতিয়ান?

    দীর্ঘ ৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে এক বছর পূর্ণ হয়েছে। তবে এই এক বছর শেষে বর্ষপূর্তির ক্ষণে দাঁড়িয়ে রাকসুর সফলতা ও ব্যর্থতার হিসাব মেলাতে গিয়ে প্রতিনিধি এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা গেছে মতভেদ।