Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশেষ প্রতিবেদন

‘মনের কথা’ থেকে রঙিন পর্দায় মিথুনের আধুনিক পাপেট্রি

তুহিন কান্তি দাস

তুহিন কান্তি দাস

প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০: ৪২
‘মনের কথা’ থেকে রঙিন পর্দায় মিথুনের আধুনিক পাপেট্রি
মুস্তাফা মনোয়ারের দেখানো স্বপ্নকে নতুন সময়ের ডিজিটাল ক্যানভাসে এঁকেছেন মিথুন হাসান। ছবি: চরচা

একটা সময় শৈশব ছিল সেই চেনা সুতোর টানে পুতুলের কথা বলায়। স্মৃতির পাতা ওল্টালে আজও কানে বাজে বাংলাদেশ টেলিভিশনের সেই জাদুকরী দিনগুলোর কথা। পুতুল চরিত্র পারুল, বাউল ভাই কিংবা শার ভাই—যাদের হাসিকান্নায় শৈশব খুঁজে পেত তার নিজস্ব ভাষা। বরেণ্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের সেই ‘মনের কথা’ কেবল একটি পাপেট শো ছিল না, ছিল এক প্রজন্মের মনের খোরাক।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এরপর এলো ‘সিসিমপুর’—বিদেশি হ্যান্ড পাপেটের ঝলকানি। ইউএইসএইডের সহায়তায় ‘সেসামি স্ট্রিট’-এর বাংলাদেশি সংস্করণ। ১৪ এপ্রিল ২০০৪ পহেলা বৈশাখে অনুষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে। ‘সিসিমপুর’–এর জনিপ্রিয় চরিত্র ইকরি, টুকটুকি, হালুম ও শিকুরা যেন গ্রাম বাংলার জীবন্ত শিশুর প্রতিচ্ছবি।

সেখান থেকেই বাঁক বদল। মুস্তাফা মনোয়ারের দেখানো স্বপ্নকে নতুন সময়ের ডিজিটাল ক্যানভাসে এঁকেছেন মিথুন হাসান। জন্ম নিল দুরন্ত টিভির দুই জনপ্রিয় জগৎ—‘খাট্টা মিঠা’ আর ‘অবাক করা গাছের দেশে’। কিন্তু কীভাবে? উত্তরটা দিলেন আজকের দিনের ডিজিটাল পাপেট রূপকার ইউনিভার্সাল পাপেটের স্বত্বাধিকারী মিথুন হাসান নিজেই। তিনি চরচাকে বলেন, ‘‘মুস্তাফা মনোয়ার বাংলাদেশে পাপেটকে টেলিভিশনে ইন্ট্রোডিউস করেন প্রথম। তার দেখা দেখি বাংলাদেশে পাপেট শিল্পটার বিকাশ ঘটে। তার দেখানো পথ ধরেই এখন আমরা চলতেসি। উনি যেভাবে একটা চরিত্রকে ধরে বাচ্চাদের কাছে পাপেটকে জনপ্রিয় করে তুলে ধরেছিলেন, আমারও আসলে সেরকম একটা স্বপ্নটা ছিল একদম সত্য কথা। টেলিভিশনের জন্য আমাদের দেশের সুতার পুতুল ব্যবহার করে কীভাবে শিশুদের জন্য ক্যারেক্টার বানানো যায়, কীভাবে গল্প তৈরি করা যায়। আমি সেই কাজটাই করে যাচ্ছি।’’

ঐতিহ্যের সুতো থেকে আধুনিক স্ক্রিন—পাপেটের এই যাত্রা থামেনি। মুস্তাফা মনোয়ার যে প্রদীপ জ্বেলেছিলেন, মিথুন হাসান তাতে নতুন তেল জুগিয়েছেন। রঙিন পাপেটের এই মায়াবী জগতের আড়ালেই তো লুকিয়ে আছে আমাদের আগামী প্রজন্মের সুস্থ এক ভবিষ্যতের স্বপ্ন। তাইতো সন্তানের মুখে হাসি ফোটানোর তাগিদ আর শিশুমনে সুস্থ মানসিক বিকাশের চিন্তা থেকে পথ চলা শুরু মিথুনের। জার্নিটা শুরু হয় ২০১৩/১৪ সালে। মিথুন হাসান বলেন, ‘‘আমার নিজের যখন বাচ্চা হয়, তখন দেখলাম বাচ্চাটা কী দেখে। এর আগেতো বাচ্চাদের সাথে জার্নিটা আমার ছিল না। আমি দেখলাম সে ইন্ডিয়ান, ইংরেজি নানারকম কালচারের যে বাচ্চাদের কার্টুন-কনটেন্ট সেগুলো দেখে। আমি দেখলাম এইগুলা দেখে সে তো এইগুলাই শিখবে স্বাভাবিক। ওদেরতো আমরা খেলার মাঠ থেকে শুরু করে অন্যান্য বিষয়গুলো দিতে পারছি না। ওদের একমাত্র মাল্টিমিডিয়া যেমন ফেসবুক ইউটিউব এই জায়গাগুলোই আছে। তখন আমার মনে হলো আমি কিছু বানানো দরকার। কিন্তু কীভাবে? তারপর আমার কাছে পাপেট্রির এই জগৎটা সামনে আসলো। মানুষ দিয়ে কিছু বানানোটা বাচ্চাদের জন্য যতটা আকর্ষণীয় তার চেয়ে পাপেট্রি অনেক বেশি আকর্ষণীয়।’’

Advertisement
Advertisement
Advertisement

‘অবাক করা গাছের দেশে, থাকি সবাই মিলে মিশে’। এ কেবল পাপেট নয়, এ এক রূপকথার রাজ্য! যেখানে গাছ বাঁচাতে লড়াই করে নায়ক ‘সত্য’। পরিবেশ রক্ষায় স্টেথোস্কোপ হাতে তৈরি ডাক্তার ‘কেতলি’। আর অন্যদিকে সবুজ ধ্বংসের চক্রান্তে ব্যস্ত দুই ক্ষতিকর এলিয়েন ‘টোকেন’ ও ‘সিংগু’। গাছের প্রতীকী চরিত্র ল্যাবে তৈরি ‘জিটু’। আর দুই চরিত্র সুর ও তালের প্রতীক ‘তালি-বুলি’ যারা গাছ রক্ষায় সচেতনতা তৈরি করে গান গেয়ে গেয়ে। আছে মাথায় বুদ্ধি কম রোবটের আদলে বানানো বিশেষ চরিত্র ‘ডিস্টু’।

এই সত্য আর আর কাল্পনিক রূপকথা দিয়ে মিথুন হাসান রচনা করেছেন ‘খাট্টা মিঠা’র ১৫০টি অধ্যায় আর ‘অবাক করা গাছের দেশে’র ৫২টি পর্ব। স্বীকৃতি কিংবা প্রচারের আলো ছাড়াই, শিশুদের মনের গভীর মনস্তত্ত্বকে বদলে দেওয়ার এ এক নীরব মহাযজ্ঞ। মিথুন হাসানের ভাষায়, তুমি মানুষ যখন বানাচ্ছো তার চেহারা দেখে আকৃতি দেখে একটা কোন বৈশ্বিক একটা অঞ্চলের ফরমেটে ফেলতে পারবা। কিন্তু পাপেটের ক্ষেত্রে এইটা একটা ওয়ার্ল্ডওয়াইড ব্যাপার। পাপেটের যে ভাষা এইটা অটোম্যাটিক ইন্টারন্যাশনাল। সারা বিশ্বে এইটা চলে। আমার একটা স্বপ্ন এই চরিত্রগুলো দিয়ে বৈশ্বিকভাবেই শিশুদের জন্য কনটেন্ট-প্রডাকশন বানানো এবং আমি সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

শিশুদের সুস্থ বিনোদন এবং স্বাভাবিক মানসিক বিকাশে সরকারের কাছে কোনো প্রত্যাশা আছে কি না জানতে চাইলে মিথুন হাসান চরচাকে বলেন, ‘‘আমাদের আসলে এই সেক্টরে কোনো বিনিয়োগ নাই। ব্যবসায়িরা নগদ মুনাফা চায়, যা এইখান থেকে সম্ভব না। কিন্তু ছোট বাচ্চাদের নিয়ে ভাবা রাষ্ট্রেরই একটা দায়িত্ব। আমাদের যারা ছোট শুশু তারাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাঁদের জন্য এইটা একটা বড় বিনিয়োগ। এর মুনাফা টাকাতে কনভার্ট করা সম্ভব না।’’

বিষয়: শিল্পশিল্পকর্মশিল্পী
সর্বশেষ
  • ১

    কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী

  • ২

    ‘কোনো কালো গাড়িতে তাকে কেউ পিকআপ করেছিল কি না?’

  • ৩

    প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও ভবিষ্যতের সমাজ

  • ৪

    বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত

  • ৫

    ট্রাম্পের দুই বিশেষ দূত মস্কোয়

সম্পর্কিত
  • সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে টাকা ফেরত পাবে তো–সংশয়ে গ্রাহকরা

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে টাকা ফেরত পাবে তো–সংশয়ে গ্রাহকরা

    সংকটে পড়া পাঁচ ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত তুলে নিতে হিড়িক পড়েছে গ্রাহকদের মধ্যে। টাকা ফেরতের আবেদন নেওয়া শুরুর মাত্র তিন দিনেই প্রায় ৩৭ হাজার গ্রাহক আবেদন করেছেন। এসব আবেদনের বিপরীতে প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ফেরত চেয়েছেন আমানতকারীরা।

  • মালিকানা ও ব্যাংকঋণে কেন পিছিয়ে নারীরা?

    মালিকানা ও ব্যাংকঋণে কেন পিছিয়ে নারীরা?

    দেশের অর্থনীতিতে লাখ লাখ নারী যুক্ত থাকলেও ব্যবসার মালিকানা ও ব্যাংকঋণে তাদের অংশ খুবই কম। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪-এর তথ্য বলছে, দেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত মানুষের প্রায় ১৭ শতাংশ নারী। কিন্তু ব্যবসার মালিকানায় নারীর অংশ ৯ শতাংশেরও কম। একই চিত্র দেখা যাচ্ছে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝার

  • বাকি সবার কারেন্ট যায়, দুই এলাকায় যায় না—কেন

    বাকি সবার কারেন্ট যায়, দুই এলাকায় যায় না—কেন

    সারা দেশ যখন লোডশেডিং এ ধুঁকছে তখন বেশ স্বস্তিতেই আছেন হোসেনপুর আর ঘোপের মানুষ। কারণ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদরের হোসেনপুর এলাকায়। আর প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের বাসা যশোর শহরের ঘোপ এলাকায়। লোডশেডিং সেখানে নেই বললেই চলে। মন্ত্রীর আসন স

  • সিএমএসএমই ঋণ: বিতরণ কমেছে, বেড়েছে খেলাপি

    সিএমএসএমই ঋণ: বিতরণ কমেছে, বেড়েছে খেলাপি

    অর্থাৎ, সিএমএসএমই খাতে সামগ্রিক শ্রেণিকৃত ঋণের হার ২৬ দশমিক ৪ শতাংশ হলেও প্রতিষ্ঠানভেদে ঝুঁকির মাত্রায় বড় ব্যবধান রয়েছে। বিশেষ করে ইসলামী ও রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে এই হার ৪০ শতাংশের ওপরে থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের সিএমএসএমই ঋণ-মান নিয়ে তুলনামূলক বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।