Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশেষ প্রতিবেদন

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সন্তুষ্ট ভোটাররা

আরমান ভূঁইয়া

আরমান ভূঁইয়া

প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯: ৩০
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সন্তুষ্ট ভোটাররা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ঢাকা-১২ ও ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ভোটাররা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি ও টহলের মধ্যেই দিনভর শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

Advertisement

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ঢাকা-১২ ও ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভোটাররা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে চারটায় শেষ হয়। কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি র‍্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা যায়। বিশেষ করে ভোটের শেষ সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং ভোট শেষ হওয়ার পর কেন্দ্রের আশপাশ থেকে সাধারণ ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেন দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিটি কেন্দ্রের প্রবেশপথে কঠোর তল্লাশি ও নজরদারি ছিল। ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পেরেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে পৃথকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একাধিক ভোটার জানান, আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় এবার কেন্দ্রের পরিবেশ অনেক বেশি নিয়ন্ত্রিত ও স্বস্তিদায়ক ছিল।

ঢাকা-১৭ আসনের টিএনটি আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিকাল চারটা পর্যন্ত প্রায় ৪৫ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান। তবে ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল এবং শেষ সময় পর্যন্ত কেন্দ্রটি বেশ ফাঁকা দেখা গেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

একই আসনের মহাখালী মডেল হাইস্কুল কেন্দ্রে বিকাল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। মহাখালী আব্দুল আলিম মর্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি কেন্দ্রে ভোট কাস্টিং হয়েছে ৩৯ শতাংশ বলে জানান ৮০ নম্বর কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার খায়রুল ইসলাম। তিনি বলেন, “ভোটার উপস্থিতি কম হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল পর্যাপ্ত এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।”

এর আগে বিকাল সোয়া তিনটার দিকে ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি কেন্দ্রে পাঁচটি পুরুষ কেন্দ্রে প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানান প্রিজাইডিং অফিসার মো. নুরুজ্জামান। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, শেষ মুহূর্তেও ভোটার উপস্থিতি তেমন বাড়েনি।

ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে পরিবেশ শান্ত রাখতে কাজ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছবি: চরচা
ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে পরিবেশ শান্ত রাখতে কাজ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছবি: চরচা

এ কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা একজন বৃদ্ধ আব্দুল আজিজ বলেন, “আমি বৃদ্ধ মানুষ, একা চলতে পারি না। তাই দুপুরের ছেলেটা নিয়ে আসছি। আমার ৬৫ বছর বয়সে মনে হলো এবারই এতো সুন্দর পরিবেশ দেখলাম। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা চোখে পড়েনি। নিরাপত্তা ভালোই ছিল।” একইসঙ্গে তিনি দেশের চতুর্থবাবের মতো গণভোটে অংশ নিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

ঢাকা-১২ আসনের বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, সকালবেলায় ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক ভালো থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমে যায়। দুপুর দুইটার দিকে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) কেন্দ্রে পাঁচটি বুথে ভোট পড়েছে প্রায় ২৩ শতাংশ। বি জি প্রেস হাই স্কুলের দুটি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ২২ শতাংশ বলে জানান প্রিজাইডিং অফিসার শিশির কুমার সাহা। ঢাকা পলিটেকনিক ল্যাবরেটরি স্কুল কেন্দ্রে ভোট কাস্টিং হয়েছে ২৩ শতাংশ বলে জানান প্রিজাইডিং অফিসার বশির উদ্দিন।

বিকাল পাঁচটার দিকে তেজগাঁও বুটেক্স মোড়ে কথা হয় স্থানীয় এক ভোটার হাসানুজ্জামানের সঙ্গে। তিনি বলেন, “ভোটকেন্দ্রে ঢোকার আগে থেকেই সেনাবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর উপস্থিতি চোখে পড়েছে। এতে আমাদের মধ্যে আস্থা তৈরি হয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পেরে আমি সন্তুষ্ট। এছাড়া আমরা ভোটের ফলাফলের জন্য কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষা করছি। সেনাবাহিনীর সদস্যরা আমাকে এদিক থেকেও সরিয়ে দিচ্ছে। ভেতরে নিরাপদে ভোট গণনা চলছে।”

এ আসনের ১৩ নম্বর কেন্দ্র তেজগাঁও আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজে দুপুর ১টা পর্যন্ত চারটি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে প্রায় ২১ শতাংশ বলে জানান প্রিজাইডিং অফিসার রিয়াদ আহমেদ। তিনি বলেন, “সকাল থেকে ভোটার উপস্থিতি ছিল, কিন্তু দুপুরের পর থেকে অংশগ্রহণ কমে যায়। তবে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি।”

কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা কয়েকজন ভোটার বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি থাকায় তারা নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পেরেছেন। পলিটেকনিক ল্যাবলোটরী স্কুলের ভোট দিতে আসা এক নারী আফরোজা জানান, “কেন্দ্রে ঢোকার সময় নিরাপত্তা তল্লাশি ছিল, তাই কোনো বিশৃঙ্খলার ভয় পাইনি।”

ভোট গ্রহণ শেষে ঢাকা-১২ আসনের থানা নির্বাচন কর্মকর্তা ওয়াহিদা আফরোজ জানান, এ আসনের ১৪০টি কেন্দ্রে গড়ে প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পড়েছে এবং ভোট গণনা চলছে। তিনি বলেন, “সার্বিকভাবে ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে। কোথাও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।”

ভোটকেন্দ্রের বাইরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছবি: চরচা
ভোটকেন্দ্রের বাইরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছবি: চরচা

তেজগাঁও এলাকার ডিউটিরত সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমাদের নির্দেশ ছিল যেকোনো পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা। সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করায় কেন্দ্রগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।”

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, "ভোটগ্রহণ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি কেন্দ্রে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন, ফলে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে এবং সুষ্ঠুভাবে ভোটগণনার কাজ চলছে। সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মনসুর বলেন, “নির্বাচন উপলক্ষে আমাদের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি টহল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়, যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরও কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা বজায় রেখে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগণনার কার্যক্রম চলছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।”

বিষয়: ভোটারনির্বাচনগণভোটত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনভোট
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    গণ-অভ্যুত্থানে নারীরা নেতৃত্ব দিলেও পরবর্তী রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় তারা উপেক্ষিত

  • ২

    যশোরে অভিনেতা সমু চৌধুরীকে পিটিয়ে জখম

  • ৩

    সেমিকন্ডাক্টর শিল্প: বিলিয়ন ডলারের সম্ভাবনা, মিলিয়নে আটকে বাংলাদেশ

  • ৪

    ‘বোয়িং কেনার পর বাংলাদেশের সব ওষুধ যুক্তরাষ্ট্রে ট্যাক্স ফ্রি হয়ে গেছে’

  • ৫

    মোদিকে হটাতে কতক্ষণ লড়তে হবে বিরোধীদের

সম্পর্কিত
  • সেমিকন্ডাক্টর শিল্প: বিলিয়ন ডলারের সম্ভাবনা, মিলিয়নে আটকে বাংলাদেশ

    সেমিকন্ডাক্টর শিল্প: বিলিয়ন ডলারের সম্ভাবনা, মিলিয়নে আটকে বাংলাদেশ

    হাতের স্মার্টফোন থেকে শুরু করে অটোমোবাইল, কিংবা এই যে মহাকাশে রোবট পাঠাচ্ছে মানুষ, অথবা যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ যুদ্ধের যে সরঞ্জাম–এই সবকিছুর মধ্যে একটি বিষয় কিন্তু এক। আর তা হলো সেমিকন্ডাক্টর, যাকে বলা হয় ‘ডিজিটাল জ্বালানি’। এ ক্ষেত্রে মূল প্রতিযোগিতায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, তাইওয়ান, জাপানের মতো

  • সিগারেটের ব্যান্ডরোল: রাজস্ব আদায়ে খাওয়াচ্ছে ঘোল

    সিগারেটের ব্যান্ডরোল: রাজস্ব আদায়ে খাওয়াচ্ছে ঘোল

    সিগারেটের প্রতিটি প্যাকেটে থাকা ছোট্ট ব্যান্ডরোল শুধু একটি কাগজের ফিতা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সরকারের বিপুল রাজস্ব আদায়ের হিসাব। কোন দামের সিগারেট, কত শলাকা উৎপাদন হচ্ছে এবং সেই উৎপাদনের বিপরীতে কত ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আদায় হওয়ার কথা, তা নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই ব্যান্ডরোল ব্যবস্থা।

  • ৭ ইসলামী দলের ঐক্য কি আদৌ হবে?

    ৭ ইসলামী দলের ঐক্য কি আদৌ হবে?

    কওমিপন্থী অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে ৭ ইসলামী রাজনৈতিক দলের ঐক্য এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এই জোটের বাইরে অন্য কোনো জোটে থাকা যাবে না–এই শর্তে ঐক্য প্রক্রিয়ায় থাকা সব দল ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। এর বাইরেও আরো কয়েকটি শর্ত নিয়ে দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ আছে বলে জানা গেছে। তবে আলোচনার পথ এখনও

  • বরিশালের ৬ জেলায় ঝুঁকিপূর্ণ ৮৭৩ স্কুলভবন, দুর্ঘটনার শঙ্কায় শিশুরা

    বরিশালের ৬ জেলায় ঝুঁকিপূর্ণ ৮৭৩ স্কুলভবন, দুর্ঘটনার শঙ্কায় শিশুরা

    কোথাও ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে, কোথাও দেয়ালে ফাটল, আবার কোনো ভবনের ছাদ থেকে বেরিয়ে এসেছে রড। বৃষ্টি হলেই শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে। এমন জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে বরিশাল বিভাগের অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দুর্ঘটনার