
সংবিধান সংস্কারের নামে কোনো প্রহসন মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজন হলে নতুন সংবিধান প্রণয়ন এবং নতুন গণপরিষদ নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “বিএনপি যদি দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে চায়, তাহলে তাদের উচিত সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা, শপথ গ্রহণ করা এবং গণভোটের রায় মেনে, যা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রদান করেছে, সেই জুলাই সনদের আলোকে সাংবিধানিক সংস্কার বাস্তবায়ন করা।”

গণভোটে পাওয়া জনরায় কার্যকর না করে সরকার ভুল পথে হাঁটছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি তৈরির পরিবর্তে সরকার সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা থেকে দূরে সরে গেছে।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর অংশবিশেষ বাতিল ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে হা্ই কোর্টের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। আইনজীবীরা বলছেন, এর ফলে সংবিধানে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরল। কিন্তু কীভাবে ফিরবে তত্ত্বাবধায়ক। জুলাই সনদ অনুযায়ী নাকি সংসদ যেভাবে ঠিক করবে সেভাবে? সংসদে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে?

গণভোট বাস্তবায়ন ও সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে এনসিপির মাসব্যাপী ‘জুলাই পদযাত্রা’।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাসে দলীয় কর্মসূচি ঘোষণা করতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ২৯ জুন (২০২৬) রাজধানীর বাংলামোটরে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সমস্ত সুইস পণ্যের অর্ধেকেরও বেশি ইইউ অন্তর্ভুক্ত দেশে বিক্রি হয়। ইউরোপের বাজারগুলোতে তাদের এই প্রবেশাধিকার মানুষের মুক্ত চলাচলের প্রতি দেশটির প্রতিশ্রুতির ওপর নির্ভরশীল। জনসংখ্যার এই সর্বোচ্চ সীমার প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে সুইজারল্যান্ডকে সেই চুক্তিটি বাতিল করতে হত।

‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ১১ দলীয় জোট এরই মধ্যে গণমিছিল, সভা-সমাবেশ, সেমিনার করছে।

গণভোটের রায় উপেক্ষা করা গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। জাতীয় সমঝোতার সুযোগ এখনো আছে। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের আলোচনা সভায় এমনটাই বলেছেন বক্তারা।

“দেশের প্রায় ৭০% মানুষ গণভোটের পক্ষে হ্যাঁ ভোট দিয়ে নিজেদের রায় জানিয়ে দিয়েছেন। এখন গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা মানে দেশের প্রতিটি নাগরিককে অপমান করা।”

‘‘৫ আগস্টের পর থেকে শিবির কোভার্ট পলিটিক্স করেছে, যেটা ডাকসুতেও দেখেছি…। কিন্তু দিনের পর দিন যখন এই মুখোশটা খসে পড়তে শুরু করল, তখন শিক্ষার্থীদের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি হয়। এই অবিশ্বাসের ফলে ধীরে ধীরে সম্পৃক্ততা কমে যায়।”

‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন জাতীয় সংসদে এক জটিল ও বহুস্তরীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে। ঠিক ছয় মাস আগে সনদটি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনেও ছিল একই চিত্র। সনদের আইনি বৈধতা এবং বাস্তবায়নের পথ নিয়ে মতপার্থক্য নানা পথ ঘুরে শেষমেশ যেন আবার একই বিন্দুতে এসে পৌঁছেছে।

সামগ্রিকভাবে বিশ্লেষণ করলে, স্লোভেনিয়ার এই গণভোটের ঘোষণা শুধু একটি ছোট দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বিষয় নয়। এটি একটি বৃহত্তর ও গভীরতর পরিবর্তনের লক্ষণ।

সময় ক্ষেপণ না করে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। জোটের নেতারা বলেছেন, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে ক্ষমতায় গিয়েই বিএনপি জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা থেকে পিছু হটেছে। সংসদে চলছে এই নিয়ে সরকারি ও বিরোধীদলের তর্ক-বিতর

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন জোটের নেতারা।

শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন জোটের নেতারা।

শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন জোটের নেতারা।

জুলাই সনদের ২২ নম্বর ধারা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সনদে স্বাক্ষরকারী দলগুলোর জন্য নারী প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিএনপি প্রায় ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী দিয়েছে। অন্যদিকে জামায়াত একজনকেও দেয়নি।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ এবং স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার জন্য অধ্যাদেশসহ চারটি অধ্যাদেশ বাতিল করতে (রহিত) সংসদে বিল আনার সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি।