রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) উদ্যোগে ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গড়িমসি: সংকটের পথে দেশ’ শীর্ষক সেমিনারে আলোচক হিসেবে অ্যাডভোকেট শিশির মনির এবং ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ উপস্থিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা লালকার্ড প্রদর্শন এবং প্রতিবাদ করেন। আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে সাধারণ শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেয়।
শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, “আজকে আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা শিশির মনিরের বিরুদ্ধে। যে ছাত্রলীগের সেই সন্ত্রাসী দোসরকে রাকসু নিয়ে এসেছে আলোচক হিসেবে, আমরা তাকে লালকার্ড প্রদর্শন করলাম।”
আরেক শিক্ষার্থী ফেরদৌস হাসান বলেন, “রাকসু সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। কিন্তু রাকসু একজন পাকিস্তানিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের যে এক গৌরবময় জায়গা, যেখানে আমাদের জোহা স্যারকে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনী হত্যা করে, যে মাটিতে জোহা স্যার রক্ত দিয়েছে, সেই জায়গায় ব্যারিস্টার ফুয়াদের মতো লোক, যে বিজয় দিবস মানে না। আর পাকিস্তানের পক্ষে ন্যারেটিভ দাঁড় করাতে চায়। আমরা শিক্ষার্থীরা সেই লালকার্ড প্রদর্শন করলাম। আর আজকের এ দিনের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি কলঙ্কময় দিন হয়ে থাকলো, জোহা স্যারের রক্তে লাগানো ক্যাম্পাসে পাকিস্তানের পক্ষে লোক আসাতে।”
এই বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মাহাবুবুর রহমান বলেন, “যারা সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারক রয়েছে, আর ছাত্র সংগঠন গুলো আছে, তারা যার যার জায়গা থেকে স্ব স্ব দায়িত্ব পালন করবে। নির্দিষ্ট দল বা সংগঠন প্রোগ্রাম শেষ করে ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমাদেরকে সহযোগিতা করবে। এ ছাড়া বলে রাখি কেউ যদি কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেব।”
এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, “আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না”, “বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না”, “জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা, এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না” ইত্যাদি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) উদ্যোগে ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গড়িমসি: সংকটের পথে দেশ’ শীর্ষক সেমিনারে আলোচক হিসেবে অ্যাডভোকেট শিশির মনির এবং ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ উপস্থিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা লালকার্ড প্রদর্শন এবং প্রতিবাদ করেন। আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে সাধারণ শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেয়।
শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, “আজকে আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা শিশির মনিরের বিরুদ্ধে। যে ছাত্রলীগের সেই সন্ত্রাসী দোসরকে রাকসু নিয়ে এসেছে আলোচক হিসেবে, আমরা তাকে লালকার্ড প্রদর্শন করলাম।”
আরেক শিক্ষার্থী ফেরদৌস হাসান বলেন, “রাকসু সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। কিন্তু রাকসু একজন পাকিস্তানিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের যে এক গৌরবময় জায়গা, যেখানে আমাদের জোহা স্যারকে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনী হত্যা করে, যে মাটিতে জোহা স্যার রক্ত দিয়েছে, সেই জায়গায় ব্যারিস্টার ফুয়াদের মতো লোক, যে বিজয় দিবস মানে না। আর পাকিস্তানের পক্ষে ন্যারেটিভ দাঁড় করাতে চায়। আমরা শিক্ষার্থীরা সেই লালকার্ড প্রদর্শন করলাম। আর আজকের এ দিনের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি কলঙ্কময় দিন হয়ে থাকলো, জোহা স্যারের রক্তে লাগানো ক্যাম্পাসে পাকিস্তানের পক্ষে লোক আসাতে।”
এই বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মাহাবুবুর রহমান বলেন, “যারা সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারক রয়েছে, আর ছাত্র সংগঠন গুলো আছে, তারা যার যার জায়গা থেকে স্ব স্ব দায়িত্ব পালন করবে। নির্দিষ্ট দল বা সংগঠন প্রোগ্রাম শেষ করে ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমাদেরকে সহযোগিতা করবে। এ ছাড়া বলে রাখি কেউ যদি কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেব।”
এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, “আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না”, “বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না”, “জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা, এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না” ইত্যাদি।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।