চরচা প্রতিবেদক

গণভোটের রায় উপেক্ষা করা গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। জাতীয় সমঝোতার সুযোগ এখনো আছে। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের আলোচনা সভায় এমনটাই বলেছেন বক্তারা।
আজ শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের উদ্যোগে “গণভোট: বৈধতার ভিত্তি জনগণ না সংবিধান?” শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা রাষ্ট্রের বৈধতার সংকট, সাংবিধানিক শূন্যতা এবং গণভোটে প্রতিফলিত জনগণের প্রত্যক্ষ ইচ্ছাকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সরকারি প্রবণতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সভার মূল প্রবন্ধে গীতিকবি ও রাষ্ট্রচিন্তক শহীদুল্লাহ ফরায়জী বলেন, আধুনিক রাষ্ট্রতত্ত্বে ‘Constituent Power’ বা গাঠনিক ক্ষমতা হলো জনগণের সেই প্রাথমিক ও সার্বভৌম ক্ষমতা, যা রাষ্ট্র ও সংবিধান সৃষ্টি করে। রাষ্ট্র যখন গণভোটের রায়কে ‘ঘটনাক্রমে সিদ্ধ’ বলে আবার আদালতের ‘বিচারাধীন’ হিসেবে ঝুলিয়ে রাখে; তখন রাষ্ট্র নিজের জন্ম-উৎসকেই অস্বীকার করে। এই দ্বৈততা ও নৈতিক পলায়নপরতা রাষ্ট্রকে এক গভীর ‘লেজিটিমেসি ক্রাইসিস’ বা বৈধতার সংকটে নিমজ্জিত করছে।
সভাপতির বক্তব্যে হাসনাত কাইয়ূম বলেন, একাত্তরের পর সবচেয়ে বেশি মূল্য এবারের অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের জনগণকে দিতে হয়েছে। কিন্তু কেবল ৫ শতাংশ লুটেরাদের স্বার্থে এ আত্মত্যাগ ব্যর্থ হতে চলেছে। বিএনপি বলেছে, গণভোটের ৪টা প্রশ্নের আধা প্রশ্নে তাদের আপত্তি, বাকী সাড়ে তিন প্রশ্নে আপত্তি নাই। তাহলে তাদের মানুষকে বুঝাতে হবে কেনো এই আধা প্রশ্নে তাদের আপত্তি? এই আধা প্রশ্নে জনগণের কী ক্ষতি হবে? যদি জনগণের ক্ষতি না থাকে, কেবল নিজেদের দলীয় বা ব্যক্তি ইগোর বিষয় হয়, তাহলে আমরা বলব জনগণের স্বার্থে জাতীয় সমঝোতার সুযোগ এখনো আছে। তাদের উচিত অনেক দেরি হবার আগেই অবিলম্বে সে সুযোগ কাজে লাগানো।
সাবেক আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য সংঘাতে নয়, সমন্বয়ে। জাতীয় সমঝোতার পথে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব সরকারের।
কবি ও সাংবাদিক সোহরাব হাসান বলেন, দুই তৃতীয়াংশের ঐতিহাসিক ঝুঁকি আছে। আমাদের দেশে দুই তৃতীয়াংশ ম্যান্ডেট নিয়ে যারাই ক্ষমতায় এসেছেন, কারো শেষ পরিণতি ভালো ছিল না।
আমেরিকার সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে সোহরাব হাসান বলেন, স্বাধীনতার পর ভারতের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছিল, যেটাকে অনেকে গোলামীর চুক্তি বলে। এবারের বাংলাদেশ মার্কিন চুক্তি তার চেয়েও বেশি অধীনতামূলক।

গণভোটের রায় উপেক্ষা করা গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। জাতীয় সমঝোতার সুযোগ এখনো আছে। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের আলোচনা সভায় এমনটাই বলেছেন বক্তারা।
আজ শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের উদ্যোগে “গণভোট: বৈধতার ভিত্তি জনগণ না সংবিধান?” শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা রাষ্ট্রের বৈধতার সংকট, সাংবিধানিক শূন্যতা এবং গণভোটে প্রতিফলিত জনগণের প্রত্যক্ষ ইচ্ছাকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সরকারি প্রবণতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সভার মূল প্রবন্ধে গীতিকবি ও রাষ্ট্রচিন্তক শহীদুল্লাহ ফরায়জী বলেন, আধুনিক রাষ্ট্রতত্ত্বে ‘Constituent Power’ বা গাঠনিক ক্ষমতা হলো জনগণের সেই প্রাথমিক ও সার্বভৌম ক্ষমতা, যা রাষ্ট্র ও সংবিধান সৃষ্টি করে। রাষ্ট্র যখন গণভোটের রায়কে ‘ঘটনাক্রমে সিদ্ধ’ বলে আবার আদালতের ‘বিচারাধীন’ হিসেবে ঝুলিয়ে রাখে; তখন রাষ্ট্র নিজের জন্ম-উৎসকেই অস্বীকার করে। এই দ্বৈততা ও নৈতিক পলায়নপরতা রাষ্ট্রকে এক গভীর ‘লেজিটিমেসি ক্রাইসিস’ বা বৈধতার সংকটে নিমজ্জিত করছে।
সভাপতির বক্তব্যে হাসনাত কাইয়ূম বলেন, একাত্তরের পর সবচেয়ে বেশি মূল্য এবারের অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের জনগণকে দিতে হয়েছে। কিন্তু কেবল ৫ শতাংশ লুটেরাদের স্বার্থে এ আত্মত্যাগ ব্যর্থ হতে চলেছে। বিএনপি বলেছে, গণভোটের ৪টা প্রশ্নের আধা প্রশ্নে তাদের আপত্তি, বাকী সাড়ে তিন প্রশ্নে আপত্তি নাই। তাহলে তাদের মানুষকে বুঝাতে হবে কেনো এই আধা প্রশ্নে তাদের আপত্তি? এই আধা প্রশ্নে জনগণের কী ক্ষতি হবে? যদি জনগণের ক্ষতি না থাকে, কেবল নিজেদের দলীয় বা ব্যক্তি ইগোর বিষয় হয়, তাহলে আমরা বলব জনগণের স্বার্থে জাতীয় সমঝোতার সুযোগ এখনো আছে। তাদের উচিত অনেক দেরি হবার আগেই অবিলম্বে সে সুযোগ কাজে লাগানো।
সাবেক আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য সংঘাতে নয়, সমন্বয়ে। জাতীয় সমঝোতার পথে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব সরকারের।
কবি ও সাংবাদিক সোহরাব হাসান বলেন, দুই তৃতীয়াংশের ঐতিহাসিক ঝুঁকি আছে। আমাদের দেশে দুই তৃতীয়াংশ ম্যান্ডেট নিয়ে যারাই ক্ষমতায় এসেছেন, কারো শেষ পরিণতি ভালো ছিল না।
আমেরিকার সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে সোহরাব হাসান বলেন, স্বাধীনতার পর ভারতের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছিল, যেটাকে অনেকে গোলামীর চুক্তি বলে। এবারের বাংলাদেশ মার্কিন চুক্তি তার চেয়েও বেশি অধীনতামূলক।

সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ক্রিস্টিন ওন্সলি বলেন, “আমরা শুধু জানতে চাই, কী ঘটেছিল এবং কেন আমাদের সন্তান আর বাড়ি ফিরল না।” তার ছেলে নোলান ওয়েলসের মৃত্যু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবৈষম্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্নও উঠেছে।