চরচা ডেস্ক

সকল জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দক্ষিণী সুপারস্টার বিজয় থালাপতির হাত ধরে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক নতুন যুগের সূচনা হতে চলেছে। ১২০ জন বিধায়কের নিরঙ্কুশ সমর্থন নিয়ে সরকার গঠনের দাবি জানাতে আজ শনিবার লোক ভবনে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আর্লেকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম (টিভিকে) প্রধান বিজয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, মুখ্যমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন বিজয়। আগামীকাল রোববার বিকেলে তিনি শপথ নেবেন।
সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বলছে, নির্বাচনের পর ভিদুতলাই চিরুথাইগাল কাচি (ভিসিকে) এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল) সমর্থন ঘোষণা করায় বিজয়ের দল প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার গণ্ডি ১১৮ পার করে ফেলেছে।
বর্তমানে বিজয়ের জোটে তার নিজের দল টিভিকের ১০৭ জন বিধায়ক ছাড়াও রয়েছে কংগ্রেসের ৫ জন, সিপিআইয়ের ২ জন, সিপিআইএমের ২ জন, ভিসিকের ২ জন এবং আইইউএমএলের ২ জন বিধায়ক।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ডিএমকে-কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের জোটে ফাটল ধরাই বিজয়ের ক্ষমতায় আসার পথ প্রশস্ত করেছে। বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর কংগ্রেস বিধায়করা ডিএমকে সদর দপ্তরে না গিয়ে জোট ত্যাগের ঘোষণা করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এম. কে. স্ট্যালিন। কংগ্রেসের এই পদক্ষেপকে ‘তামিলনাড়ুর মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে আখ্যা দিয়েছে ডিএমকে শিবির।
অবশ্য ডিএমকে প্রধান এম. কে. স্ট্যালিন জানিয়েছেন, বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা এড়াতে এবং রাজ্যের স্বার্থে তিনি এই নতুন জোট সরকারকে বাধা দেবেন না। বরং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ডিএমকে একটি গঠনমূলক বিরোধী দল হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।
অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতা হরিশ রাওয়াত জানিয়েছেন, রাজ্যে বিজেপির প্রভাব রুখতেই তারা বিজয়কে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সরকার গঠনে সমর্থন দিলেও কোনও বিশেষ পদের দাবি জানানো হয়নি বলে স্পষ্ট করেছেন ভিসিকে প্রধান থল তিরুমাভালাভান। তিনি জানান, বাম দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই নীতিগতভাবে বিজয়কে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সকল জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দক্ষিণী সুপারস্টার বিজয় থালাপতির হাত ধরে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক নতুন যুগের সূচনা হতে চলেছে। ১২০ জন বিধায়কের নিরঙ্কুশ সমর্থন নিয়ে সরকার গঠনের দাবি জানাতে আজ শনিবার লোক ভবনে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আর্লেকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম (টিভিকে) প্রধান বিজয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, মুখ্যমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন বিজয়। আগামীকাল রোববার বিকেলে তিনি শপথ নেবেন।
সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বলছে, নির্বাচনের পর ভিদুতলাই চিরুথাইগাল কাচি (ভিসিকে) এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল) সমর্থন ঘোষণা করায় বিজয়ের দল প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার গণ্ডি ১১৮ পার করে ফেলেছে।
বর্তমানে বিজয়ের জোটে তার নিজের দল টিভিকের ১০৭ জন বিধায়ক ছাড়াও রয়েছে কংগ্রেসের ৫ জন, সিপিআইয়ের ২ জন, সিপিআইএমের ২ জন, ভিসিকের ২ জন এবং আইইউএমএলের ২ জন বিধায়ক।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ডিএমকে-কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের জোটে ফাটল ধরাই বিজয়ের ক্ষমতায় আসার পথ প্রশস্ত করেছে। বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর কংগ্রেস বিধায়করা ডিএমকে সদর দপ্তরে না গিয়ে জোট ত্যাগের ঘোষণা করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এম. কে. স্ট্যালিন। কংগ্রেসের এই পদক্ষেপকে ‘তামিলনাড়ুর মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে আখ্যা দিয়েছে ডিএমকে শিবির।
অবশ্য ডিএমকে প্রধান এম. কে. স্ট্যালিন জানিয়েছেন, বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা এড়াতে এবং রাজ্যের স্বার্থে তিনি এই নতুন জোট সরকারকে বাধা দেবেন না। বরং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ডিএমকে একটি গঠনমূলক বিরোধী দল হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।
অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতা হরিশ রাওয়াত জানিয়েছেন, রাজ্যে বিজেপির প্রভাব রুখতেই তারা বিজয়কে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সরকার গঠনে সমর্থন দিলেও কোনও বিশেষ পদের দাবি জানানো হয়নি বলে স্পষ্ট করেছেন ভিসিকে প্রধান থল তিরুমাভালাভান। তিনি জানান, বাম দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই নীতিগতভাবে বিজয়কে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বরিশালে একটি মসজিদকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে পারিবারিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, জাল কাগজপত্র তৈরি, সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ করেছেন আফসানা আহাম্মেদ এক নারী। এ ক্ষেত্রে মসজিদটির ইমাম স্থানীয় কয়েকজন জামায়াত নেতার পরিচয় ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। আজ রোববার বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত

ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান যখন আজ রোববার সকালে নিউ মার্কেটে নিজের কাপড়ের দোকানের শাটার তুলছিলেন, তখনো ভাবেননি সামনের কয়েকটা ঘণ্টা তাকে ক্রেতার বদলে পানির সাথে যুদ্ধ করতে হবে। শাটার খুলতেই দেখলেন, রাতের বৃষ্টিতে ততক্ষণে তার দোকানের মেঝেসহ নিচের তাকগুলো পানির নিচে। শুধু মাহবুবুর রহমানই নন, গতকাল শনিবার র