
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের লেবুহ পুদু এলাকায় আজ রোববার বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে বড় পরিসরে পরিচালিত অভিযানে ২ হাজার ৫০০ জনের কাগজপত্র যাচাইয়ের পর অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের সন্দেহে বাংলাদেশিসহ ৪৭২ জন বিদেশিকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন বিভাগ।
মালয়েশিয়ার অনলাইন সংবাদমাধ্যম দ্য সান এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক দাতুক হামশা ইনজাউ বলেন, সকাল ১১টায় অভিযান শুরু হয়। বিদেশিদের দিয়ে পরিচালিত বা বিদেশিরা কাজ করেন, এমন সন্দেহে কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে অভিযানের লক্ষ্য করা হয়।
তিনি বলেন, অভিযানে ৩৩৭ জন সদস্য অংশ নেন। তাদের মধ্যে ইমিগ্রেশন বিভাগের ২১৮ জন কর্মকর্তা এবং কুয়ালালামপুর সিটি হল (ডিবিকেএল), ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ বিভাগ, মালয়েশিয়ার কোম্পানি কমিশন, দেশীয় বাণিজ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয়বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ১১৯ জন সদস্য ছিলেন।
হামশা বলেন, আটক ব্যক্তিদের বয়স ১৮ থেকে ৬২ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে ৪৩৯ জন পুরুষ ও ৩৩ জন নারী। তারা ১০টি দেশের নাগরিক—বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ফিলিপাইন, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, ভারত, চীন, সৌদি আরব ও জিম্বাবুয়ে।
তিনি বলেন, “চিহ্নিত অপরাধগুলোর মধ্যে পরিচয়পত্র না থাকা এবং অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান অন্যতম। এ ছাড়া, কিছু ব্যক্তির কাছে অস্বীকৃত কার্ড পাওয়া গেছে এবং অন্য কয়েকজনের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইনের আওতায় অপরাধের সন্দেহ রয়েছে।”
“আটক সবাইকে আরও তদন্ত ও পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে নেওয়া হবে,” যোগ করেন তিনি।
হামশা বলেন, এলাকাটি নিয়ে বারবার অভিযোগ পাওয়ার পর এই অভিযান চালানো হয়েছে। বিপুলসংখ্যক বিদেশির উপস্থিতি এবং কিছু স্থাপনায় অবৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগও ছিল। কুয়ালালামপুর সিটি হল (ডিবিকেএল) থেকেও এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তবে এতসংখ্যক মানুষকে যাচাই করা হলেও তিনি বলেন, অধিকাংশেরই বৈধ ভ্রমণ নথি বা কাজের অনুমতিপত্র ছিল এবং তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের অনেকে সাপ্তাহিক ছুটিতে কেনাকাটা করতে ওই এলাকায় এসেছিলেন।
তিনি বলেন, “আমরা সবার কাগজপত্রই যাচাই করেছি। যাদের বৈধ ভ্রমণ নথি বা কাজের অনুমতিপত্র ছিল, তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”
তিনি বলেন, “আজকের অভিযানে আমরা অনুমতিপত্রের অপব্যবহার, অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান এবং এখানে কাজ করার বৈধ নথি নেই, এমন ব্যক্তিদের ওপর গুরুত্ব দিয়েছি।…অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে ডিবিকেএল তদন্ত করেছে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে। বিষয়টি ডিবিকেএলই দেখবে।”
লেবুহ পুদুকে এখনো ‘মিনি ঢাকা’ বলা উচিত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে হামশা বলেন, তার বিভাগ এ ধরনের কোনো পরিচিতি স্বীকৃতি দেয় না।
তিনি বলেন, “আমরা ‘মিনি ঢাকা’ নামটি স্বীকৃতি দিই না। বারবার এ নামে উল্লেখ করা হলে জনগণ ধরে নেবে যে এই এলাকাটিই ‘মিনি ঢাকা’, যদিও আমরা কখনোই এটিকে এ নামে স্বীকৃতি দিইনি।…পুরো কুয়ালালামপুরই বিদেশিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। অন্য রাজ্য থেকেও অনেকে এখানে আসেন।”
হামশা সতর্ক করে বলেন, কাগজপত্রবিহীন অভিবাসীদের নিয়োগ বা আশ্রয় দেওয়া নিয়োগকর্তা, স্থাপনার মালিক এবং ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় ছাড়াই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি বৈধ কাগজপত্র নেই বা অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করছেন—এমন বিদেশিদের জরিমানা দেওয়ার পর ‘মাইগ্র্যান্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রাম’-এর আওতায় স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “আজকের মতো আমরা যদি আইন প্রয়োগের ব্যবস্থা নিই, তাহলে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর আগে তাদের কারাদণ্ডও ভোগ করতে হতে পারে।”
এ ছাড়া, ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের ঘটনা বিভাগের সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে জানাতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও জননিরাপত্তা রক্ষায় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।