চরচা প্রতিবেদক

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর লালবাগ থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার বেলা ১টা ৫৫ মিনিটে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সিএমএম) আনা হয়। এসময় তাকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহসীন উদ্দীন তাকে দুই দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মামলার ১ নম্বর আসামি শেখ হাসিনা ও ৩ নম্বর আসামি শিরীন শারমিন চৌধুরীসহ অন্যরা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে কুশীলব ছিলেন। তাদের সিদ্ধান্ত, পরিকল্পনায় পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ নির্দেশে অস্ত্র মামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি তার নাম-ঠিকানা এবং মামলার তদন্ত সহায়ক গুরত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।
তার দেওয়া তথ্য মামলা তদন্তে সহায়ক হবে মন্তব্য করে আবেদনে বলা হয়, প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে চিরতরে পালিয়ে যাওয়াসহ তদন্তে বিঘ্ন ঘটানোর আশঙ্কা রয়েছে। মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
শুনানিকালে বেলা ৩টা ১২ মিনিটে তাকে এজলাসে তোলা হয়। এক মিনিট পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এজলাসে উঠেন। এসময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।
শুনানিতে তিনি বলেন, এই আসামি ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী। তিনি বিনা ভোটে নির্বাচিত এপমি ছিলেন। তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের একজন উপকারভোগী। এ মামলায় এজাহারনামীয় ৩ নম্বর আসামি। এতদিন আত্মগোপনে ছিলেন। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এ মামলার ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এছাড়া এই ঘটনার সাথে আর কারা জড়িত ও আলামত উদ্ধারের জন্য তাকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এজন্য তার সর্বোচ্চ দুই দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করছি।
অপরদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তার রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানিতে তারা বলেন, এ মামলায় ১৩০ জন আসামি যার মধ্যে শিরীন শারমিন ৩ নম্বর আসামি। মামলায় শুধু তার নামটাই রয়েছে। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ নেই। ঘটনার দশমাস পর এ মামলা করা হয়েছে।
আসামি পক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে আরও বলেন, সাংবিধানিকভাবে তিনি মাহান সংসদের স্পিকার হওয়ায় তিনি ছিলেন নিউট্রাল একজন। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক মামলা ছাড়া তার বিরুদ্ধে আর কোন মামলা নাই। তিনি বিগত সরকারের আমলে কোন অন্যায় বা লুট করেছেন এই মর্মে কোন অভিযোগ নেই। তিনি ক্লিন ইমেজের একজন ব্যক্তি। দীর্ঘদিন পলাতক অবস্থায় থাকায় তিনি এখন অসুস্থ। তাকে রিমান্ডে নেওয়ার কোন প্রয়োজন নাই।
এরপর বিচারক তার রিমান্ড ও জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের নতুন মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) এন এম নাসির উদ্দিন জানান, শিরীন শারমিন চৌধুরীকে তার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে আজ ভোরে গ্রেপ্তার করা হয়।
আশরাফুল হত্যাচেষ্টা মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারী কলোনীর ভিতরে মিছিল করছিলেন ভুক্তভোগী মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম। ঘটনার দিন আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে ভুক্তভোগীর বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়।
গত ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন ভুক্তভোগী আশরাফুল।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর লালবাগ থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার বেলা ১টা ৫৫ মিনিটে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সিএমএম) আনা হয়। এসময় তাকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহসীন উদ্দীন তাকে দুই দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মামলার ১ নম্বর আসামি শেখ হাসিনা ও ৩ নম্বর আসামি শিরীন শারমিন চৌধুরীসহ অন্যরা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে কুশীলব ছিলেন। তাদের সিদ্ধান্ত, পরিকল্পনায় পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ নির্দেশে অস্ত্র মামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি তার নাম-ঠিকানা এবং মামলার তদন্ত সহায়ক গুরত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।
তার দেওয়া তথ্য মামলা তদন্তে সহায়ক হবে মন্তব্য করে আবেদনে বলা হয়, প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে চিরতরে পালিয়ে যাওয়াসহ তদন্তে বিঘ্ন ঘটানোর আশঙ্কা রয়েছে। মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
শুনানিকালে বেলা ৩টা ১২ মিনিটে তাকে এজলাসে তোলা হয়। এক মিনিট পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এজলাসে উঠেন। এসময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।
শুনানিতে তিনি বলেন, এই আসামি ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী। তিনি বিনা ভোটে নির্বাচিত এপমি ছিলেন। তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের একজন উপকারভোগী। এ মামলায় এজাহারনামীয় ৩ নম্বর আসামি। এতদিন আত্মগোপনে ছিলেন। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এ মামলার ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এছাড়া এই ঘটনার সাথে আর কারা জড়িত ও আলামত উদ্ধারের জন্য তাকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এজন্য তার সর্বোচ্চ দুই দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করছি।
অপরদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তার রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানিতে তারা বলেন, এ মামলায় ১৩০ জন আসামি যার মধ্যে শিরীন শারমিন ৩ নম্বর আসামি। মামলায় শুধু তার নামটাই রয়েছে। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ নেই। ঘটনার দশমাস পর এ মামলা করা হয়েছে।
আসামি পক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে আরও বলেন, সাংবিধানিকভাবে তিনি মাহান সংসদের স্পিকার হওয়ায় তিনি ছিলেন নিউট্রাল একজন। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক মামলা ছাড়া তার বিরুদ্ধে আর কোন মামলা নাই। তিনি বিগত সরকারের আমলে কোন অন্যায় বা লুট করেছেন এই মর্মে কোন অভিযোগ নেই। তিনি ক্লিন ইমেজের একজন ব্যক্তি। দীর্ঘদিন পলাতক অবস্থায় থাকায় তিনি এখন অসুস্থ। তাকে রিমান্ডে নেওয়ার কোন প্রয়োজন নাই।
এরপর বিচারক তার রিমান্ড ও জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের নতুন মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) এন এম নাসির উদ্দিন জানান, শিরীন শারমিন চৌধুরীকে তার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে আজ ভোরে গ্রেপ্তার করা হয়।
আশরাফুল হত্যাচেষ্টা মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারী কলোনীর ভিতরে মিছিল করছিলেন ভুক্তভোগী মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম। ঘটনার দিন আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে ভুক্তভোগীর বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়।
গত ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন ভুক্তভোগী আশরাফুল।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। প্রাথমিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে খারগ দ্বীপের সামরিক স্থাপনা এবং তেল অবকাঠামোতে হামলা করা হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে এখনও সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।