চরচা ডেস্ক

ইরানের মধ্যাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল। সামাজিক মাধ্যম টেলিগ্রামে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এ খবর জানিয়েছে। তবে হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা ঠিক কোথায় এই হামলা চালানো হয়েছে তা ওই পোস্টে জানানো হয়নি। খবর বিবিসির।
ইরানের বার্তা সংস্থা মেহরের খবর বলছে, হামলার পর পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের ইমাম খামেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ফ্লাইট চলাচল বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার কারণে কয়েক সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর গত এপ্রিল মাসে এই বিমানবন্দরটি চালু করা হয়।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এক টেলিগ্রাম বার্তায় জানিয়েছে, তেহরান, তাবরিজ ও ইসফাহান শহরে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এ ছাড়া রাজধানী তেহরানের কাছের কারাজ শহরের আশপাশেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
এর আগে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে অন্তত তিন দফায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান। এই হামলার ‘কঠিন জবাব’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তেল আবিব।
এক বিবৃতিতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা উত্তর ইসরায়েলের হাইফা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
আইআরজিসি বলেছে, এই ইসরায়েলি বিমানঘাঁটিই ছিল দক্ষিণ লেবানন এবং বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে চালানো ‘আগ্রাসনের উৎস’।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকলে আরও ‘বড় পরিসরে’ পাল্টা হামলা চালানোরও হুমকি দিয়েছে আইআরজিসি। তারা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই শর্তে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল যে, ‘সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি হবে’।
আইআরজিসির অভিযোগ, লেবাননে হামলা চালিয়ে এবং হরমুজ প্রণালি, ওমান সাগর ও ভারত মহাসাগরে ইরানের উপকূল ও জাহাজগুলোতে বারবার আক্রমণের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।

ইরানের মধ্যাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল। সামাজিক মাধ্যম টেলিগ্রামে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এ খবর জানিয়েছে। তবে হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা ঠিক কোথায় এই হামলা চালানো হয়েছে তা ওই পোস্টে জানানো হয়নি। খবর বিবিসির।
ইরানের বার্তা সংস্থা মেহরের খবর বলছে, হামলার পর পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের ইমাম খামেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ফ্লাইট চলাচল বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার কারণে কয়েক সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর গত এপ্রিল মাসে এই বিমানবন্দরটি চালু করা হয়।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এক টেলিগ্রাম বার্তায় জানিয়েছে, তেহরান, তাবরিজ ও ইসফাহান শহরে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এ ছাড়া রাজধানী তেহরানের কাছের কারাজ শহরের আশপাশেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
এর আগে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে অন্তত তিন দফায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান। এই হামলার ‘কঠিন জবাব’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তেল আবিব।
এক বিবৃতিতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা উত্তর ইসরায়েলের হাইফা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
আইআরজিসি বলেছে, এই ইসরায়েলি বিমানঘাঁটিই ছিল দক্ষিণ লেবানন এবং বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে চালানো ‘আগ্রাসনের উৎস’।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকলে আরও ‘বড় পরিসরে’ পাল্টা হামলা চালানোরও হুমকি দিয়েছে আইআরজিসি। তারা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই শর্তে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল যে, ‘সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি হবে’।
আইআরজিসির অভিযোগ, লেবাননে হামলা চালিয়ে এবং হরমুজ প্রণালি, ওমান সাগর ও ভারত মহাসাগরে ইরানের উপকূল ও জাহাজগুলোতে বারবার আক্রমণের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।