বিমান চলাচল সচল রাখতে যুক্তরাষ্ট্র ও এশিয়া থেকে জেট জ্বালানি আমদানি বাড়িয়েছে ইউরোপ। নিজস্ব পরিশোধনাগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে এবং মজুত জ্বালানিও ব্যবহার করছে।
তবুও ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ এবং এর ফলে জ্বালানি সরবরাহে সৃষ্ট বিঘ্নের কারণে বিশ্বের অন্য অঞ্চলের তুলনায় ইউরোপই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
বিশেষ করে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। কারণ, কয়েক দশক ধরে ইউরোপজুড়ে অনেক তেল শোধনাগার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে হরমুজ প্রণালি হয়ে আসা জ্বালানি সরবরাহের ওপর অঞ্চলটির নির্ভরশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
জ্বালানি–বিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এনার্জি অ্যাসপেক্টসের ১৮ জুনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ইউরোপে প্রতিদিন প্রায় ৬ লাখ ব্যারেল জেট জ্বালানির সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, এ পরিস্থিতিতে ইউরোপের হাতে চাহিদা মেটানোর জন্য ৩০ দিনেরও কম জেট জ্বালানির মজুত থাকবে, যা বিশ্বের প্রধান জেট জ্বালানি বাজারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিন ১ লাখ ১৬ হাজার ব্যারেল এবং এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ৪ লাখ ২৫ হাজার ব্যারেল জেট জ্বালানির উদ্বৃত্ত রয়েছে।
ইউরোপীয় কমিশনও স্বীকার করেছে, পরিস্থিতি ভবিষ্যতে আরও খারাপের দিকে যেতে পারে।