
ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন, “সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রাত ১০টার দিকে গাড়িটি টিয়ারগার্টেনে ঢুকে পড়ে এবং বেশ কয়েকজনকে আহত করে। পরে একটি গাছে ধাক্কা লেগে সেটি থেমে যায়।”

রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, ইউরোপের হাতে চাহিদা মেটানোর জন্য ৩০ দিনেরও কম জেট জ্বালানির মজুত রয়েছে, যা বিশ্বের প্রধান জেট জ্বালানি বাজারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম।

হেলসিং-এর ড্রোন কারখানার বিশাল স্টোরেজ রুমে তাকালে ইউরোপের আগামী দিনের সম্ভাব্য বড় সংঘাতের রূপরেখা পরিষ্কার দেখা যায়। সেখানে স্তূপ করে রাখা ড্রোনের বাক্সগুলো কেবল ইউক্রেনে পাঠানোর জন্য নয়।

জার্মানি আর নেদারল্যান্ডস বাদ পড়েছে। মেসির আর্জেন্টিনা, নেইমার আর ভিনিসিয়ুসের ব্রাজিল, এমবাপ্পের ফ্রান্স, রোনালদোর পর্তুগাল, ইয়ামালের স্পেন, কেইনের ইংল্যান্ড টিকে আছে। কেউ দাপট দেখিয়ে, কেউ কোনোরকমে শেষ ষোলোতে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত এই দলগুলোর কেউই জিতবে বিশ্বকাপ?

দলটির সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডি বর্ণবাদী নীতি ও মনোভাবকে উৎসাহিত করে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।

এই জার্মানিকে আগে কখনো দেখেছেন? আগ্রাসন নেই, নেই সব কিছু ওলট–পালট করে দিয়ে জেতার খিদে। এই জার্মানি বড় সাদামাটা। এই জার্মানি প্রতিপক্ষকে চোখ রাঙায় না, উল্টো প্রতিপক্ষই এই জার্মানিকে চোখ রাঙায়।

নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বকাপে টাইব্রেকারে হেরে গেছে জার্মানি। এর আগে ১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯০ ও ২০০৬ সালে টানা জিতেছিল তারা। আর এই পরাজয়ে টানা তিন বিশ্বকাপে শেষ আটের আগেই বিদায় নিয়েছে জার্মানি।

ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি থেকে শুরু করে স্পেন—সবখানেই জনজীবন বিপর্যস্ত। অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে ফ্রান্সের ঐতিহাসিক ল্যুভর মিউজিয়াম নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো পর্যটক।

বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই এমন কিছু চমৎকার আবেগঘন মুহূর্ত। যে ম্যাচটি হয়তো অনেকেই দেখেননি, আকর্ষণ অনুভব করেননি বলে, সেই ম্যাচই জন্ম দিল ইতিহাসের। কাল রাতে জার্মানি আর ইকুয়েডরের ম্যাচটি ছিল এমন কিছুই।

দুই ম্যাচে ৯ গোল, দুই জয়। পুরনো জার্মানি কি সত্যিই ফিরে আসছে? ইকুয়েডরের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে খুব বেশি কিছু পাওয়ার বা হারানোর নেই জার্মানদের। কিন্তু ইকুয়েডরের জন্য এটি বাঁচা-মরার লড়াই। মুসিয়ালা, ভিয়ের্তস, কিমিখদের মধ্যে আজ কজন থাকবেন ইউলিয়ান নাগেলসমানের একাদশে?

গোলকিপারদের মধ্যে ইনস্টাগ্রামে এখন সবচেয়ে বেশি ফলোয়ার ভোজিনিয়ারই। দুইয়ে নেমে গেছেন ২০১৪ বিশ্বকাপ জয়ী জার্মানির নয়্যার (১৪.৭ মিলিয়ন) এবং ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টিনার এমিলিয়ানো (১৪.৬ মিলিয়ন)।

১৯৯০ বিশ্বকাপের অন্যতম বড় তারকা—রজার মিলা। তিনি পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকতেন না। কিন্তু বদলি হিসেবে নেমেই ইতিহাস গড়েছিলেন মিলা।

কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু করেছে জার্মানি। জামাল মুসিয়ালা, ফ্লোরিয়ান ভির্টজ, ইয়োশুয়া কিমিখদের ফুটবল দেখে অনেকেই আবারও শিরোপাস্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচেই অপেক্ষা করছে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরীক্ষা।

যে দেশে একসময় ফুটবলকে কেউ পাত্তাই দিত না, মানুষ শুধু বেসবল নিয়ে মেতে থাকত—সেই দেশটাই আজ বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম পরাশক্তি! ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে এখন তাদের অবস্থান ১৭ নম্বরে। জার্মানি, স্পেনের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের মাঠের লড়াইয়ে অনায়াসে হারিয়ে দিচ্ছে সামুরাই ব্লুরা।

রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপ মাতাতে ব্যস্ত লিওনেল মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলের বড় জয়ে দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করেছেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা। তবে মাঠের এই আনন্দের পেছনে লুকিয়ে ছিল এক পারিবারিক কষ্ট।

২০২৪ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন নয়্যার। তবে কোচ ইউলিয়ান নাগেলসমানের অনুরোধে সিদ্ধান্ত বদলে জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন।

কুরাসাও বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েই রেকর্ড গড়েছে। মিরপুরের চেয়েও কম মানুষের বাস দেশটাতে, জনসংখ্যা আর আয়তনে দুই দিক থেকেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে ছোট দেশ। এদের বিপক্ষেই আজ মাঠে নামছে জার্মানি – চারবারের চ্যাম্পিয়ন দেশটার এবারের মিশন অন্তত গত দুই বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বেই বাদ পড়ার দুঃখ ভোলানো।

কুরাসাওকে ‘ব্রাজিল’ই বানিয়ে দিয়েছে জার্মানি! এতটুকু বলার পর ম্যাচের স্কোরলাইন বুঝে নিতে ফুটবলের খবরাখবর রাখা কোনো দর্শকেরই কষ্ট হয় না। ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ব্রাজিলকে যে ব্যবধানে হারিয়েছিল, হিউস্টন স্টেডিয়ামে আজ কুরাসাওকে ঠিক সেই ৭-১ ব্যবধানেই হারিয়েছে জার্মানি।

এবার ৪৮ দলের বিশ্বকাপের ফরম্যাটটাই এমন যে, আগের দুই বিশ্বকাপের মতো গ্রুপ পর্বে বাদ পড়তেই বরং বেশি কষ্ট করতে হবে জার্মানিকে। কিন্তু জার্মানি তো আর গ্রুপ পর্ব পেরোনোর জন্য বিশ্বকাপে যাচ্ছে না। লক্ষ্য যেখানে পাঁচ শিরোপায় ব্রাজিলকে ধরে ফেলা, জার্মানি সে জন্য কতটা প্রস্তুত?

চারবার জিতেছে বিশ্বকাপ। কিন্তু গত দুবার বাদ পড়েছে গ্রুপ পর্বে। এবার জার্মানির মুসিয়ালা-ভিয়ের্তস-পাভলোভিচের মতো তরুণ প্রতিভা আছে, ন্যয়ার ফিরেছেন। কিমিখ তো আছেনই। ডাগআউটে ইউলিয়ান নাগেলসমান আছেন। কিন্তু জার্মানি কি সেই ‘মেশিন’ আছে? সেই হার না মানা মানসিকতা কি আর এখন আছে?