ads

রাশিয়া থেকে রেকর্ড এলএনজি আমদানির পর নিষেধাজ্ঞা ইইউর

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
রাশিয়া থেকে রেকর্ড এলএনজি আমদানির পর নিষেধাজ্ঞা ইইউর
ছবি: রয়টার্স।

নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের ঠিক আগ মুহূর্তে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় ইয়ামাল প্ল্যান্ট থেকে রেকর্ড পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, স্থানীয় সময় সোমবার প্রকাশিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক উপাত্তে এই তথ্য জানা গেছে।

ইইউ চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় রুশ এলএনজি আমদানি নিষিদ্ধ করেছিল। তবে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আগামী ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে।

পণ্যবাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কেপলার-এর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাসের মধ্যে ইউরোপের দেশগুলো ইয়ামাল প্ল্যান্ট থেকে মোট ১৩৬টি কার্গোবাহী ৯ দশমিক ৯৭ মিলিয়ন মেট্রিক টন এলএনজি আমদানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ শতাংশ বেশি।

বেসরকারি সংস্থা উরগেভাল্ড–এর হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে ইয়ামাল প্ল্যান্টের উৎপাদিত এলএনজির ৯৭ শতাংশেরও বেশি সরবরাহ গেছে ইউরোপের বিভিন্ন বন্দরে।

উরগেভাল্ডের হিসাবমতে, জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে ইয়ামাল থেকে ইইউ’র এলএনজি ক্রয়ের আনুমানিক মূল্য ছিল প্রায় ৬ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলার। এই গ্যাস আমদানির শীর্ষ তিনটি গন্তব্য ছিল ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও স্পেন।

২০২২ সালে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরুর পর ইইউ রুশ গ্যাস আমদানি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে কোম্পানিগুলোকে বিকল্প উৎসের সন্ধান করার সময় দেওয়ার জন্য এই নিষেধাজ্ঞা ধাপে ধাপে কার্যকর করা হচ্ছে। এর মধ্যে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আমদানির চূড়ান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

অন্যদিকে, ইইউ এজেন্সি ফর দ্য কোঅপারেশন অব এনার্জি রেগুলেটরসের তথ্য অনুসারে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে রাশিয়ার পাইপলাইন গ্যাস আমদানি আগের বছরের তুলনায় ৭ শতাংশ ও এলএনজি আমদানি ১১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সম্পর্কিত