
ড্রোন ও ড্রোনের যন্ত্রাংশ আমদানিতে নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশও রয়েছে।

গভীর জ্বালানি সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে দেশ। বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা কাগজে কলমে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও, জ্বালানির সরবরাহ ঘাটতি, সঞ্চালন লাইনের দুর্বলতা, আমদানি নির্ভরতা, উচ্চমূল্য ও আর্থিক চাপ—সব মিলিয়ে পুরো খাতটি একটি দীর্ঘমেয়াদী সংকটে ঘুরপাক খাচ্ছে।

বাংলাদেশের জ্বালানি তেলের বাজারে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চার দশকের বেশি সময় ধরে আমদানি, মজুত, পরিবহন ও বিতরণে প্রধান নিয়ন্ত্রণে থাকা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন—বিপিসির পাশাপাশি এবার সরাসরি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বছরের প্রথমার্ধে সার্বিক রপ্তানি কমলেও জুন মাসে তা ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। একক মাস হিসেবে ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি দাঁড়িয়েছে ৭৬৩ দশমিক ৫৭ মিলিয়ন ডলারে।

দেশের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৯ হাজার ২০০ কেজি (৯ দশমিক ২ টন) কাঁচামরিচ আমদানি করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত ৯টার দিকে ভারত থেকে মরিচবোঝাই ভারতীয় একটি ট্রাক বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে।

প্রকৃতির চরম অনিশ্চয়তা, উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা আর আর্থিক ঝুঁকি—এই সবকটি বড় বাধাকে ঠেলে এবার সমুদ্রের গভীর তলদেশে লুকিয়ে থাকা বিশাল তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডার উন্মোচনে নামছে ভারত। আমদানির ওপর অতি নির্ভরতা কমানোই এর লক্ষ্য।

জাতীয় নিরাপত্তার ওপর ঝুঁকির দোহাই দিয়ে বিদেশি হিউম্যানয়েড রোবট আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। একই সাথে ডেটা সেন্টার ও সৌর প্যানেলে ব্যবহৃত পাওয়ার ইনভার্টার আমদানির ওপরও কড়াকড়ি আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় যোগাযোগ কমিশন (এফসিসি)।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে- এমন অজুহাতে নতুন বিদেশি হিউম্যানয়েড বা মানবসদৃশ রোবট আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। গত মঙ্গলবার এই ঘোষণা দেওয়া হয়। খবর বিবিসির। এই বিধিনিষেধের আওতায় পড়ছে উন্নত মানের যেকোনো হিউম্যানয়েড রোবট।

দেশে চলমান তীব্র গ্যাস সংকটকে এলএনজি আমদানি কেন্দ্রিক চক্রান্তের অংশ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন। তিনি বলেন, “গ্যাস সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত হলেও সরকার দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।”

ইইউ এজেন্সি ফর দ্য কোঅপারেশন অব এনার্জি রেগুলেটরসের তথ্য অনুসারে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে রাশিয়ার পাইপলাইন গ্যাস আমদানি আগের বছরের তুলনায় ৭ শতাংশ ও এলএনজি আমদানি ১১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে চট্টগ্রাম বন্দর, একইসাথে বেড়েছে বন্দরে আসা জাহাজের সংখ্যাও।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে ‘রিকন্ডিশনড’ মোটরযান খাতের সাথে বৈদ্যুতিক গাড়ির শুল্কায়নের বৈষম্য দূর করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)। একই সাথে আমদানিকৃত গাড়ির ওপর নতুন করে আরোপিত কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

আমদানিকারকরা বলছেন, এই সংকটের শেষ হতে সময় লাগতে পারে চলতি বছরের শেষ নাগাদ। ফলে কম্পিউটার পণ্যের শুল্ক প্রত্যাহারের সুবিধা সহসাই মিলছে না। বরং কিছুটা সময় নিয়ে এর প্রভাব দৃশ্যমান হতে পারে।

জোরপূর্বক শ্রমে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশসহ আরও ৫৯টি দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে নানা কথা হচ্ছে। এই চুক্তি হলে দেশীয় খামারে কী প্রভাব পড়বে? চামড়া শিল্পের অবস্থা কী হবে। চরচা বিশেষে কাজী সাজিদুল হকের সঞ্চালনায় এ নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন ফজলে রাব্বি।

দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে। এবারের জ্বালানি সংকটে অনেকেই ঝুঁকেছেন বিদ্যুৎ চালিত গাড়ির দিকে। চাহিদা এখনো আশানুরূপ না হলেও, বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানি হচ্ছে। অনেকে বলছেন, চলতি বছর একটি বড় পরিবর্তন দেখা যাবে।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসজুড়ে মোট ৯টি এলএনজি কার্গো আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে আটটি স্পট মার্কেট থেকে এবং একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতার অ্যানার্জি ট্রেডিং (কিউইটি) থেকে আমদানি করা হয়েছে।

অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তাফিজুর রহমান গত ১৪ মার্চ সিপিবির এক আলোচনা সভায় এ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। সেখানে তিনি বলেন, “চুক্তির ৩২ পৃষ্ঠার মূল নথিতে ‘Bangladesh shall’ শব্দগুচ্ছটি ব্যবহৃত হয়েছে ১৩১ বার, যেখানে ‘USA shall’ ব্যবহৃত হয়েছে মাত্র ৬ বার।"

বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অকটেনের দাম বেড়ে প্রতি লিটার ১৪০ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১৩৫ টাকা করা হয়েছে।

ইরান-ইসরায়েল সংকটের অদৃশ্য আঁচ লেগেছে বাংলাদেশের ধানক্ষেতে। জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা কীভাবে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে, তার বাস্তব চিত্র উঠে এসেছে মানিকগঞ্জের কৃষক ইউসুফদের জবানবন্দিতে।