চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর ডেমরার পূর্ব বক্সনগর এলাকায় একটি মাদ্রাসায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দেয়াল ধসে চার শিক্ষার্থী দগ্ধ ও একজন আহত হয়েছেন।
আজ সোমবার দুপুর ৩টার দিকে দারুল আজাদ তাকসিসি মাদ্রাসার ষষ্ঠ তলায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত শিক্ষার্থীরা হলেন রেজওয়ান (১৬), মো. মোদাব্বির (১৬), মো. সাফি (১৫), মো. উজাইফা (১৫) ও মো. রোমান (১৪)। এর মধ্যে দগ্ধ চারজনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে এবং গুরুতর আহত রেজওয়ানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ফলে তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়ে দগ্ধ ও আহত হয়। অন্য শিক্ষার্থীরা দ্রুত বের হয়ে নিরাপদে আশ্রয় নেয়।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে চারজনকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধের পরিমাণ কম হওয়ায় সকল শিক্ষার্থী আশঙ্কা মুক্ত। বর্তমানে তারা জরুরি বিভাগে পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে।

রাজধানীর ডেমরার পূর্ব বক্সনগর এলাকায় একটি মাদ্রাসায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দেয়াল ধসে চার শিক্ষার্থী দগ্ধ ও একজন আহত হয়েছেন।
আজ সোমবার দুপুর ৩টার দিকে দারুল আজাদ তাকসিসি মাদ্রাসার ষষ্ঠ তলায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত শিক্ষার্থীরা হলেন রেজওয়ান (১৬), মো. মোদাব্বির (১৬), মো. সাফি (১৫), মো. উজাইফা (১৫) ও মো. রোমান (১৪)। এর মধ্যে দগ্ধ চারজনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে এবং গুরুতর আহত রেজওয়ানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ফলে তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়ে দগ্ধ ও আহত হয়। অন্য শিক্ষার্থীরা দ্রুত বের হয়ে নিরাপদে আশ্রয় নেয়।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে চারজনকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধের পরিমাণ কম হওয়ায় সকল শিক্ষার্থী আশঙ্কা মুক্ত। বর্তমানে তারা জরুরি বিভাগে পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে।