চরচা প্রতিবেদক

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের আলোচিত মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর পর মামলাটির রায় আজ মঙ্গলবার ঘোষণা করবেন আদালত।
সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন।
এর আগে গত বুধবার আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়।
২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করা এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরাণ থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ ও র্যাব অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল থেকে গত বছরের মে মাসে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর হয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। মামলায় ২৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের মধ্যে গৃহবধূ, ভুক্তভোগীর স্বামী, আসামিদের স্বীকারোক্তি নেওয়া ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, এমসি কলেজের অধ্যাপক, ওসমানী হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক রয়েছেন। সাক্ষ্য গ্রহণকালে বাদীর সাক্ষ্য নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ।

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের আলোচিত মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর পর মামলাটির রায় আজ মঙ্গলবার ঘোষণা করবেন আদালত।
সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন।
এর আগে গত বুধবার আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়।
২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করা এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরাণ থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ ও র্যাব অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল থেকে গত বছরের মে মাসে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর হয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। মামলায় ২৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের মধ্যে গৃহবধূ, ভুক্তভোগীর স্বামী, আসামিদের স্বীকারোক্তি নেওয়া ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, এমসি কলেজের অধ্যাপক, ওসমানী হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক রয়েছেন। সাক্ষ্য গ্রহণকালে বাদীর সাক্ষ্য নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ।

গত মার্চ মাসে অধিকৃত পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতিগুলোতে অবস্থিত ইসরায়েলি ক্লাবগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অস্বীকৃতি জানায় ফিফা। তবে বৈষম্য এবং আপত্তিকর আচরণের নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে তারা ইসরায়েলি অ্যাসোসিয়েশনকে ১ লাখ ৫০ হাজার সুইস ফ্রাঁ (প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫০০ ডলার) জরিমানা করে।