ads

সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ চায় কিউআরএস

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ চায় কিউআরএস
কুইক রেসপন্স সাপোর্টের আলোচনা সভা

দেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কার্যকর সুরক্ষা, জবাবদিহি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন কুইক রেসপন্স সাপোর্ট (কিউআরএস) টিমের সদস্যরা।

গতকাল সোমবার ঢাকায় কিউআরএস টিমের সদস্যদের এক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানানো হয়। ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া সাপোর্টের (আইএমএস) সহায়তায় বেসরকারি অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান ভয়েস সভার আয়োজন করে।

Advertisement

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

আলোচনা সভায় বলা হয়, ক্রমবর্ধমান জটিল পরিস্থিতিতে সারা দেশে সাংবাদিকরা হামলা, ভীতি প্রদর্শন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক মামলার শিকার হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর সুরক্ষা, জবাবদিহি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হচ্ছে না। একই সঙ্গে নারী সাংবাদিকরা অনলাইন ও অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই নানা ধরনের সহিংসতা ও হয়রানির ঝুঁকিতে রয়েছেন।

সভায় চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসান বলেন, “সাংবাদিকদের কণ্ঠস্বর দমন করা মানে গণতন্ত্রের স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের ক্ষুণ্ন করা। তাই মানবাধিকার রক্ষা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে সাংবাদিক এবং গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।”

টক শো উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী বলেন, “নারী মিডিয়া কর্মী হিসেবে আমরা অনলাইন ও অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই হয়রানির শিকার হই। পেশাগত কাজের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও আক্রমণ, ডক্সিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া এবং এমনকি জীবননাশের হুমকিরও মুখোমুখি হতে হয়। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আরও কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।”

সভায় আইএমএস বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোখাওয়াত হোসাইন, সাংবাদিক আজিজুল পারভেজ, ইসমাইল হোসেন, অধিকারকর্মী মারজান মাহুরা, উন্নয়ন পরামর্শক মনজুর রশীদ, ভয়েসের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ এবং ব্লাস্টের প্রতিনিধি আহমেদ তৌফিকুর রহমানসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম ও অধিকারভিত্তিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চলমান হুমকি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা, হয়রানি এবং নারী সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে সাংবাদিক, আইন বিশেষজ্ঞ ও অধিকারভিত্তিক সংগঠনগুলোর মধ্যে টেকসই সহযোগিতা জোরদার এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় সক্রিয় থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

সম্পর্কিত