চরচা ডেস্ক

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশিসহ ২২ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় হোটেল ভবনটির মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত বুধবার রাতে ফ্লারিশ স্টে হোটেলের মালিক লভকেশ বাজাজকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে বাজাজ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে লুক-আউট সার্কুলার (এলওসি) জারি করে পুলিশ এবং তাদের খুঁজে বের করতে অভিযান শুরু করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দিল্লি সরকারের বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট (বি অ্যান্ড বি) নীতিমালার আওতায় প্রতিষ্ঠানটির মাত্র ছয়টি কক্ষ পরিচালনার অনুমতি ছিল। কিন্তু তারা বেজমেন্টসহ প্রায় ২৫টি কক্ষ চালু রেখেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ছাড়াই বছরের পর বছর ভবনটিতে অতিরিক্ত তলা নির্মাণ করা হয়েছে।
তদন্তকারীরা অগ্নিনিরাপত্তা বিধিমালা লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন। এর মধ্যে রয়েছে– ফায়ার সার্ভিসের অনাপত্তিপত্র (ফায়ার এনওসি) না থাকা, ভবনে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য মাত্র একটি পথ থাকা, জানালাগুলো সিল করে রাখা এবং অনুমোদিত ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি লোককে সেখানে অবস্থান করানো।
গত বুধবার দিল্লির মালভিয়া নগরের ফ্লারিস স্টে হোটেলের রেস্টুরেন্টে আগুন লাগে। এরপর পুরো হোটেলেই আগুন ধরে যায়।
গতকাল বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছে, মারা যাওয়া বাংলাদেশির নাম মো. নুরুল আমিন (৪৪)।
এ অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিসহ পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের নাগরিকও হতাহত হয়েছেন। ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যে নয়জন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন। এছাড়া মোজাম্বিকের দুজন, লাইবেরিয়ার একজন, নাইজেরিয়ার চারজন এবং উজবেকিস্তানের একজন নাগরিক নিহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশের আটজন নাগরিক ছাড়াও নেপাল, ক্যামেরুন, কেনিয়া ও কিরগিজস্তানের দুজন করে, লাইবেরিয়ার তিনজন, নাইজেরিয়ার একজন এবং কাজাখস্তানের তিনজন নাগরিক। সব মিলিয়ে এ ঘটনায় ২২ জন নিহত হন।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশিসহ ২২ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় হোটেল ভবনটির মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত বুধবার রাতে ফ্লারিশ স্টে হোটেলের মালিক লভকেশ বাজাজকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে বাজাজ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে লুক-আউট সার্কুলার (এলওসি) জারি করে পুলিশ এবং তাদের খুঁজে বের করতে অভিযান শুরু করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দিল্লি সরকারের বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট (বি অ্যান্ড বি) নীতিমালার আওতায় প্রতিষ্ঠানটির মাত্র ছয়টি কক্ষ পরিচালনার অনুমতি ছিল। কিন্তু তারা বেজমেন্টসহ প্রায় ২৫টি কক্ষ চালু রেখেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ছাড়াই বছরের পর বছর ভবনটিতে অতিরিক্ত তলা নির্মাণ করা হয়েছে।
তদন্তকারীরা অগ্নিনিরাপত্তা বিধিমালা লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন। এর মধ্যে রয়েছে– ফায়ার সার্ভিসের অনাপত্তিপত্র (ফায়ার এনওসি) না থাকা, ভবনে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য মাত্র একটি পথ থাকা, জানালাগুলো সিল করে রাখা এবং অনুমোদিত ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি লোককে সেখানে অবস্থান করানো।
গত বুধবার দিল্লির মালভিয়া নগরের ফ্লারিস স্টে হোটেলের রেস্টুরেন্টে আগুন লাগে। এরপর পুরো হোটেলেই আগুন ধরে যায়।
গতকাল বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছে, মারা যাওয়া বাংলাদেশির নাম মো. নুরুল আমিন (৪৪)।
এ অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিসহ পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের নাগরিকও হতাহত হয়েছেন। ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যে নয়জন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন। এছাড়া মোজাম্বিকের দুজন, লাইবেরিয়ার একজন, নাইজেরিয়ার চারজন এবং উজবেকিস্তানের একজন নাগরিক নিহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশের আটজন নাগরিক ছাড়াও নেপাল, ক্যামেরুন, কেনিয়া ও কিরগিজস্তানের দুজন করে, লাইবেরিয়ার তিনজন, নাইজেরিয়ার একজন এবং কাজাখস্তানের তিনজন নাগরিক। সব মিলিয়ে এ ঘটনায় ২২ জন নিহত হন।

লালমনিরহাটের তিনটি পৃথক সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক ৩৩ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইন (অনুপ্রবেশ) করানোর চেষ্টা প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ শুক্রবার ভোরে জেলার হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম ও আদিতমারী উপজেলার আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনাগুলো ঘটে।