
ভারতে থাকা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। সরকার মনে করে, এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত এবং জুলাই বিপ্লবে শহীদের প্রতি গুরুতর অপমান। গতকাল বুধবার রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

এদিকে রয়টার্স এবং জাপানের কিযোদো নিউজকে দেওয়া পৃথক বক্তব্যে শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তিনি বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন।

ভারতের নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে হওয়া বিক্ষোভে নিজেকে ও প্রয়াত মাকে লক্ষ্য করে গালিগালাজ করার অভিযোগ তুলেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে গালি দেওয়া তরুণ-তরুণী ‘বিপথগামী’ হিসেবে অভিহিত করে তাদের সঠিক পথ দেখানোর আহ্বান জানান তিনি।

নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার এক যুগ পেরিয়েছে। তার এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এবারই প্রথম নির্ভীক কণ্ঠে, ক্যামেরার সামনে কোনো ভারতীয়কে বলতে শোনা গেছে, ‘মোদিকে পদত্যাগ করতেই হবে’।

গত ২০ জুলাই নয়াদিল্লির কেন্দ্রস্থলে ঘটে যাওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতন এবং তার সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাবকে চিহ্নিত করা গেছে। নয়াদিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট ও তলস্তয় মার্গ ক্রসিং থেকে শুরু করে কনট প্লেস পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় তরুণ ভারতীয়রা শিক্ষা ব্যবস্থার সর্বগ্রাসী দুর্নীতি ও অবক্ষয়ে

ভারতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে চলা আন্দোলনের সমর্থনে টানা ২৬ দিন অনশন করার পর অবশেষে তা ভঙ্গ করেছেন ভারতের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনাম ওয়াংচুক। খবর বিবিসি বাংলার।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ ঘিরে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে দেশটির প্রশাসন। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে রাজধানী নয়াদিল্লির অন্তত ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনস্থলে বিক্ষোভকারীদের জন্য দেশ-বিদেশ থেকে অনলাইনে প্রচুর খাবার পাঠানোর হিড়িক পড়েছে।

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে জানান, পার্লামেন্ট অভিমুখে মিছিল বাতিল করা হচ্ছে, কারণ তারা আর কোনো তরুণকে আহত করতে চান না। তিনি সমর্থকদের, বিশেষ করে নারীদের কাছে ক্ষমা চান। তার দাবি, পুরুষ পুলিশ সদস্যরা নারী বিক্ষোভকারীদেরও মারধর করেছে।

দিল্লিতে ‘চলো সংসদ’ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে আটক হওয়া বা আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি পড়া বিক্ষোভকারীদের আইনি সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি)। আজ মঙ্গলবার সিজেপির পক্ষ থেকে এসব জানানো হয়, খবর ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, “আমরা প্রত্যর্পণের জন্য একটা অনুরোধ পেয়েছি। যেমনটি আমরা আগে বলেছিলাম, অনুরোধটি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।”

রণধীর বলেন, “এ বিষয়ে আমাদের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় একটি আইনি প্রক্রিয়ার অংশ এবং এক্ষেত্রে সে অনুযায়ী তা পরিচালিত হবে।”

রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “দিল্লি বিমানবন্দরে অভিবাসন কর্মকর্তারা তাকে কিছু প্রশ্ন করেন। পরে তিনি যে ওই বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্যই এসেছেন, তা পুনরায় নিশ্চিত করার পর তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে তিনি নিজ ইচ্ছায় ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।”

ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে বন্যা পূর্বাভাস ও তথ্য বিনিময়ে সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। সম্প্রতি ভারী বর্ষণে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) সর্তকতা জারি করেছে। এই সংকটের সময় বাংলাদেশকে রিয়েল টাইম বন্যা-সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করছে ভারত।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে প্রতিবাদের মাধ্যমে দেশজুড়ে নজর কাড়ার পর এবার পুনেতে আন্দোলনের পরিকল্পনা করছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। আগামী ১১ জুন দলটি পুনেতে একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের ঘোষণা দিয়েছে।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশিসহ ২২ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় হোটেল ভবনটির মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

ভারতের নয়াদিল্লির মালভিয়া নগরের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৮ বাংলাদেশি আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের চিকিৎসা ও সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।
ভারত এবার সামরিক কূটনীতিতে নতুন এক অধ্যায় রচনা করতে যাচ্ছে। ‘প্রগতি’; অর্থাৎ, পার্টনারশিপ অব রিজিওনাল আর্মিস ফর গ্রোথ অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন ইন দ্য ইন্ডিয়ান ওশান রিজিয়ন শীর্ষক বহুপক্ষীয় সামরিক মহড়ার মাধ্যমে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশকে একই ছাদের নিচে এনে নয়াদিল্লি একটি স্পষ্ট বার্তা দি

ভারত এবার সামরিক কূটনীতিতে নতুন এক অধ্যায় রচনা করতে যাচ্ছে। ‘প্রগতি’; অর্থাৎ, পার্টনারশিপ অব রিজিওনাল আর্মিস ফর গ্রোথ অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন ইন দ্য ইন্ডিয়ান ওশান রিজিয়ন শীর্ষক বহুপক্ষীয় সামরিক মহড়ার মাধ্যমে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশকে একই ছাদের নিচে এনে নয়াদিল্লি একটি স্পষ্ট বার্তা

মজার বিষয় হলো, ঢাকাও অনেকটা একই কৌশল ব্যবহার করছে বলে মনে হচ্ছে। তারা জানে যে, বাংলাদেশে পাকিস্তান ও চীনের প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় নয়াদিল্লির উদ্বেগ বাড়ছে।